ডেস্ক রিপোর্ট : ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শনিবার (২ জুলাই) ডমিনিকার উইন্ডসর পার্কে টি–টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। এর আগে সেন্ট লুসিয়া থেকে ডমিনিকার উদ্দেশে সমুদ্রযাত্রায় ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলো টাইগার ক্রিকেটাররা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেন্ট লুসিয়া থেকে ক্রিকেটারদের গন্তব্য ছিল মার্টিনেক হয়ে ডমিনিকা। সেন্ট লুসিয়া থেকে টাইগারদের ফেরি যখন মাঝ সমুদ্রে নামে তখনই শুরু হয় ঢেউ। সমুদ্রযাত্রা নিয়ে ভয় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের আগে থেকেই ছিল। কারোরই অভিজ্ঞতা ছিল না এত দীর্ঘ সমুদ্র পাড়ি দেয়ার! তার ওপর সম্প্রতি আঘাত হানা সাইক্লোনের কারণে সমুদ্রও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উত্তাল ছিল। সব মিলিয়ে ভয়ঙ্কর এক অভিজ্ঞতাই হয়েছে ক্রিকেটারদের।যদিও সমুদ্রযাত্রার শুরুটা খুব হৈ-চৈ করেই কাটিয়েছেন ক্রিকেটাররা। কিন্তু ঢেউয়ের তোড়ে ফেরির বড় বড় দুলুনিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। সবচেয়ে বেশি খারাপ অবস্থা হয়েছে পেসার শরিফুলের। পলিথিনে মুখ ঢুকিয়ে একাধিকবার বমিও করেছে সে। এছাড়া নুরুল হাসান এবং ম্যানেজার নাফিস ইকবালও বেশ ভুগেছেন। তাদের অবস্থা দেখে বাকিরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।ক্রিকেটারদের সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা না থাকায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আগেই সুযোগ ছিল স্বাগতিক বোর্ডের ফেরিযাত্রার প্রস্তাবে রাজি না হয়ে বিমানে ডমিনিকা যাওয়ার প্রস্তাব দেয়ার। সেটি না করায় ক্রিকেটারদের অনেকেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে অন্য বিদেশি দলগুলো এভাবে সমুদ্রপথে এক দ্বীপ থেকে আরেক দ্বীপে যায় না। এমনকি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলও এই প্রথম ফেরিতে এক দ্বীপ থেকে আরেক দ্বীপে গেল।সমুদ্রযাত্রার বিরতিতে ক্রিকেটাররা ম্যানেজার নাফিস ইকবালকে বলতে থাকেন, তারা সবাই মার্টিনেকে নেমে যাবেন। বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে সেখান থেকে যেন তাদের বিমানে ডমিনিকা যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। যদিও এত স্বল্প তেমন কিছু করা সম্ভব ছিল না।