গলাচিপার পানপট্টি ওয়ারিশ সড়কটি বেওয়ারিশ হাল, জনদূর্ভোগ সীমাহীন !

প্রকাশিত: ১১-০৪-২০২১, সময়: ১৬:৪৫ |
Share This

মুঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল, গলাচিপা (পটুয়াখালী) : গলাচিপা পৌরশহর থেকে দূরুত্ব সীমা প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়কটি যা বর্তমানে মরণ ফাঁদে পরিনিত হয়ে বেওয়ারিশ অবস্থায় পরে আছে দীর্ঘ বছর । সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানা- খন্দকের ও চোরা গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় এম্বুলেন্স যাতায়াত করতে রোগীদের চরম ভোগান্তী পোহাতে গিয়ে প্রতিনিয়তই যেন মরণ ফাঁদে তৈরী হয়ে প্রতিনিয়ত’ই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত দূর্ঘটনা। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, সড়কটি নির্মাণের পর থেকেই এ বেহাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। আরো জানা যায়, পানপট্রি ঝুঁকি পূর্ণ সড়কটি (সড়ক ও জনপথ) বিভাগের কাছে হস্তান্তর করার জন্য তৎকালীন সংসদ সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী মরহুম আ,খ,ম জাহাঙ্গীর হোসাইন ( এম,পি) আধা সরকারি পত্র সংশ্লিষ্ট দফতরে প্রেরণ করেছিলেন। পরে সড়ক’টি সংস্কারে দয়িত্ব ন্যাস্ত হলে, সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অদৃশ্য কারণে আজ পর্যন্ত এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি উন্নয়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আশার বাণী ছাড়া কিছুই মেলিনি। এছাড়া প্রায় এক দশক পূর্বে রাঙ্গাবালী উপজেলা স্থাপন হলেও ওই খানে এ পর্যন্ত সাব-রেজিস্ট্রার্ড অফিস, প্রাণিসম্পদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর এখনও নির্মিত হয়নি । এ কারণে স্বাস্থ্যসেবা, জমি বেচাকেনার ও অন্যান্য দফতরের কাজের জন্য গলাচিপা উপজেলা সদরে আসতে হয়। এ সড়ক দিয়ে আসতে যেতে যাতায়াতকারীদের এতোই ভোগান্তী পোহাতে হয় যা বর্ণনাতীত। এখানেই শেষ নয়, সড়ক দিয়ে গলাচিপা উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন ছাড়াও রাঙ্গাবালী উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন চরমোন্তাজ, ছোটবাইশদিয়া, বড়বাইশদিয়া, চালিতাবুনিয়া, রাঙ্গাবালী সদরের মানুষ-জনের যাতায়াতের একমাত্র সড়ক। রাঙ্গাবালী উপজেলার মানুষের কাছে এক সময়ের উপজেলা গলাচিপা, জেলা সদর পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের এক মাত্র প্রবেশ সড়ক’টি দ্রুতই সংস্কার করার সময়ের দাবী করছেন ভূক্তভোগী জনসাধারণ। স্থানীয় প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যে জানা যায়, অনেক স্থানে ইটের খোয়াও নেই। সড়ক নির্মানের সময় ব্যবহৃত বালুর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন । কিছু কিছু স্থানে খানা-খন্দ আছে যা হাটু সমান গভীর গর্ত। সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী যানবাহন এ কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনায় কবলিত হয়। আহত হয় যাত্রীরা। সূত্রে জানা যায়, দুই বছর পূর্বে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সড়কটি সংস্কার করেছিলো।এ ব্যাপারে পটুয়াখালীর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ মো. সান মোকাদ্দেস জানান, উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ বরাবরে এ সড়কটি উন্নয়নে চিঠি দেয়া হয়েছে। অতি দ্রুত সড়কটি উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। এবিষয়ে গলাচিপা উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান মুঃ শাহিন শাহ্ জানান, বিষয়টি অত্যান্ত দুঃখজনক, আমি নিজেও বেশ ক’ বার সরজমিন গিয়ে দেখেছি। যদিও এ সড়কটি -সড়ক ও জনপদ বিভাগ বিগত বছরে করেছিলো। কেন? কি কারনে? সরক’টি মরণ ফাঁদে রুপ নিয়েছে? তার ব্যাখ্যা দেয়ার সময় এখন নয়। বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার উন্নয়নের সরকার। জনসাধারণের জীবন মালের কথা ভেবে অতিদ্রুত ঝুঁকি পূর্ণ সড়ক’টি পূর্ণনির্মা করার বিষয়ে দক্ষিণ বাংলার উন্নয়নের রুপকার পটুয়াখালী ১১৩ মাননীয় সংসদ সদস্য এস,এম শাহাজাদা ( এমপি) সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ইতি মধ্যেই যোগাযোগ হচ্ছে । আশা করছি অচিরেই জনদূর্ভোগ কমে আসবে।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে