জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে দেশব্যাপী পরিবহন ধর্মঘট

প্রকাশিত: ০৫-১১-২০২১, সময়: ০৩:১৫ |
Share This

আওরঙ্গজেব কামাল : হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে পরিবহণ খাত। এর প্রতিবাদে আজ শুক্রবার সকাল থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার যাত্রী পরিবহণ সংগঠনগুলোর নেতারা তাদের এ অনানুষ্ঠানিক এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এদিকে তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগেই সারাদেশে পরিবহন ও পণ্য পরিবহনের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে এছাড়া বিভিন্ন  ফেরিঘাটে অধিক ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে পণ্য পরিবহণের একটি সংগঠন। এ বিষয়ে যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন ঢাকাসহ সারাদেশে যাত্রীবাহী বাসে অধিক ভাড়া নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সাংবাদিক শাহাদাত হোসেন বলেন আমি ঢাকার সব কয়টি যাত্রীবাহী বাস কাউন্টারে খবর নিয়ে দেখেছি কিছু কিছু বাস কর্তৃপক্ষ ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। মোহাম্মদ নাজমুল নামের এক যাত্রী বলেন ঢাকা থেকে আশুলিয়ায় যেতে তাকে ভর্তি থাকা বাস ভাড়া দিতে হয়েছে। ঢাকা থেকে যশোর গামী চম নামের এক যাত্রী বলেন পরিবহনে আগের তুলনায় বেশি ভাড়া নিয়েছে। বৃহস্পতিবারই ঢাকা-নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন রুটে বাসে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়। নৌপথের লঞ্চ চলাচল বন্ধ না হলেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শুক্রবার বৈঠক ডেকেছেন মালিকরা। এ দাবি আদায়ে তারাও ধর্মঘটে যেতে পারেন বলে জানিয়েছেন একাধিক মালিক। এভাবে তেলের দাম বাড়ানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে এসব তথ্য জানা গেছে।আরও জানা যায়, তেলের বাড়তি দাম প্রত্যাহার অথবা বাসের ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে সরকারকে চিঠি দিয়েছেন পরিবহণ মালিকরা। তারা করোনা পরিস্থিতিতে পরিবহণ খাতের লোকসান, যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধির মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে দু-একদিনের মধ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বসার আলোচনা চলছে।তেলের দাম বাড়ানোয় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পরিবহণ নেতারা বলেন, হঠাৎ করেই একসঙ্গে প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর ঘটনা এটাই প্রথম। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতু ও মুক্তারপুর সেতুর টোল ২৫৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এতে বাস ও ট্রাকের প্রতি ট্রিপেই খরচ বেড়ে গেছে কয়েক হাজার টাকা। এর মাশুল গুনতে হবে সাধারণ যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের। এদিকে হঠাৎ করে গণপরিবহণ বন্ধের ঘোষণায় বিপাকে পড়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। শুক্রবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির পরীক্ষা রয়েছে। এসব পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের যারা রাজধানীতে এসেছেন, তারা গণপরিবহণ বন্ধ থাকলে ফিরতে পারবেন না। আবার যারা সকালে গণপরিবহণে আসার পরিকল্পনা করেছেন, তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি মসিউর রহমান রাঙ্গা  বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণে গণপরিবহণ তিন মাস বন্ধ ছিল। ওই লোকসান এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এর মধ্যে হঠাৎ প্রতি লিটারে ১৫ টাকা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তে মালিকদের মাথায় বজ্রপাতের মতো হয়েছে। তারা এটা সহ্য করতে পারছেন না। তিনি বলেন, এভাবে দাম বাড়ানোর কারণে প্রতি ট্রিপে কয়েক হাজার টাকা বাড়তি ব্যয় হবে। এর প্রতিবাদে মালিকরা কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা জানি না। তবে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত জানানো হবে।দুটি সেতুর টোল ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে পণ্য পরিবহণ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ট্যাংকলরি প্রাইম মুভার মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। তেজগাঁও সংগঠনের কার্যালয়ে এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় নেতারা বলেন, দুই বছর করোনার দীর্ঘ মেয়াদের প্রভাবের কারণে বেশির ভাগ পরিবহণ বন্ধ ছিল। এর প্রভাব কাটিয়ে উঠতে না উঠতে তেলের দাম বাড়িয়ে পরিবহণ মালিকদের ব্যবসায় বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতু ও মুক্তারপুর সেতুর টোল ২৫৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কয়েকগুণ বাড়বে। এর প্রতিবাদে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য পণ্য পরিবহণ বন্ধ রাখা হবে। সভায় সংগঠনের আহ্বায়ক রুস্তুম আলী খান, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মান্নান ও মো. তোফাজ্জল হোসেন মজুমদার, সদস্য সচিব তাজুল ইসলামসহ সিনিয়র নেতারা বক্তব্য দেন।এদিকে বৃহস্পতিবার বিকালে বাস মালিকরা বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে ধর্মঘট ডাকা না হলেও অনানুষ্ঠানিকভাবে বাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মালিকরা ফোন করে তাদের বাস বন্ধ রাখতে শ্রমিকদের নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, আমরা ধর্মঘট ডাকিনি। তেলের দাম বাড়ায় বাস চালিয়ে লোকসান হবে বলে মনে করছেন মালিকরা। তারা বাস চালাতে রাজি নন। তবে আমরা কোনো সিদ্ধান্ত দিইনি।এদিন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যালয়ে সংগঠনের সিনিয়র নেতারা বৈঠক করেন। সেখানে অনানুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়- শ্রমিকরা আজ কোনো বাস-ট্রাক-কাভার্ডভ্যান চালাবেন না। এদিকে বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, সরকার যেভাবে তেলের দাম বাড়িয়েছে তাতে ব্যবসা করা যাবে না। আগের তেলের দামের সঙ্গে ভাড়া বাড়ানো হয়নি। আমরা দীর্ঘদিন ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছি। এর মধ্যে আবার তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানো হলো। এভাবে জ্বালানি খরচ বাড়ালে লঞ্চ চালানো কি সম্ভব? তিনি বলেন, আজ বিষয়টি নিয়ে মালিকরা বৈঠকে বসবেন। ওই বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে। এদিকে  চট্টগ্রামে আজ সকাল থেকে পণ্যবাহী গাড়ি ও গণপরিবহণ না চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন পরিবহণ মালিক-শ্রমিকরা। চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহণ মালিক গ্রুপের মহাসচিব গোলাম রসুল বাবুল  বলেন, ‘এর আগে দেওয়া আমাদের বেশ কয়েকটি দাবি সুরাহা না করে ডিজেলের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় গাড়ি চালালে মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। লাভ তো দূরে থাক, উল্টো পকেট থেকে টাকা দিয়ে গাড়ি চালাতে হবে। গণপরিবহণের বেশিরভাগই তেলে চলে। গ্যাসে চলে এক থেকে দুই শতাংশ গাড়ি। তাই বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশন কেন্দ্রীয়ভাবে সারা দেশে পণ্যবাহী গাড়ি ও গণপরিবহণ না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা এ সিদ্ধান্তে একাত্মতা প্রকাশ করেছি। চট্টগ্রামেও গাড়ি চালাবেন না মালিক-শ্রমিকরা।’ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি মো. মুসা বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া  শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে বিভাগীয় পরিবহণ মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী সড়ক পরিবহণ গ্রুপের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তারা এ ঘোষণা দেন। রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সংবাদ সম্মেলনে পরিবহণ মালিক ও শ্রমিক নেতা ছাড়াও জেলা ট্রাক-লরি ও কাভার্ডভ্যান মালিক ও শ্রমিকরা বক্তৃতা করেন। রাজশাহী বিভাগীয় পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি সাফকাত মঞ্জুর বলেন, আকস্মিকভাবে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানো হলেও পরিবহণ ভাড়া সমন্বয় করা হয়নি। এর প্রতিবাদে রাজশাহী বিভাগের এক জেলা থেকে আরেক জেলায় পরিবহণ চলাচল বন্ধ রাখা হবে। এ সময় মোটর শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করবেন। জ্বালানির বাড়তি দামের সঙ্গে পরিবহণ ভাড়া সমন্বয় না করা হলে অনির্দিষ্টকাল কর্মবিরতি ও পরিবহণ চলাচল বন্ধ রাখা হবে। একইভাবে পরিবহণ ধর্মঘটের সমর্থনে সিলেটে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে পরিবহণসংশ্লিষ্টরা। সিলেট জেলা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতি কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালস্থ প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন  সমিতির সভাপতি আবুল কালাম। সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. জিয়াউল কবির পলাশের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন- সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ময়নুল ইসলাম, সিলেট জেলা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সহসভাপতি সেলিম আহমদ, মো. হেলাল উদ্দিন, মোক্তার আহমদ, রিয়াদ আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ রাজন, শাহ নুরুর রহমান, আব্দুল গণি চৌধুরী শাহান, সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন প্রমুখ।অপরদিকে কর্মসূচির সমর্থনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ট্যাংক লরি প্রাইম মুভার মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ সিলেট। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি পুলক কবির চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়জুল ইসলামের পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন- সিলেট জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু সরকার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- জেলা ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সহসভাপতি মো. মুজিবুর রহমান, শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরি সভাপতি আব্দুস সালাম, সহসভাপতি জুবের আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আমির উদ্দিন, মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক নাজির আহমদ স্বপন, জাকির আহমদ তালুকদার প্রমুখ। এদিকে আমাদের খুলনা প্রতিনিধি শেখ আব্দুল মজিদ জানাই,জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, খুলনা জেলা শাখার নেতা এম হুমায়ুন কবির, আনোয়ার হোসেন, বরকত আলী, সুভাষ সাহা, সোয়েব শেখ, হংস শুভ্র হালদার বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। নেতারা বলেন, যখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য প্রতি লিটারে ৫০ টাকার নিচে ছিল, তখন সরকার তেলের মূল্য না কমিয়ে প্রতি লিটারে ৩০ টাকা বেশি মুনাফা করেছে। সেই হাজার হাজার কোটি টাকার মুনাফা জনগণের পকেট থেকে সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। এখন সরকার আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে জ্বালানিতে মূল্য বৃদ্ধি করেছে। বর্তমানে চাল-ডাল-আটা-চিনি-ভোজ্য তেল ও রান্নার গ্যাসের দ্বিগুণ মূল্য বৃদ্ধিতে শ্রমজীবী মানুষেরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। সেই মুহূর্তে পুনরায় জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম লাগামহীনভাবে আরও বৃদ্ধি পাবে। নেতারা অবিলম্বে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাবের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন পরিবহন ধর্মঘট কোন সমস্যার সমাধান হতে পারে না সরকার ও মালিকপক্ষকে বসে এ বিষয়ে সমাধান করতে হবে তবে আমি মনে করি আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমঝোতা করে এবং দেশের জনসাধারণের কথা চিন্তা করে একটি সহনশীল মূল্য নির্ধারণ করা উচিত। এ বিষয়ে অধিকার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা: হরিদাস বলেন আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র তাই সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে জ্বালানি তেলের  দাম নির্ধারণ করতে হবে।

উপরে