জলঢাকায় করোনায় মৃত ব্যক্তির স্বরণ সভায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহাযতা প্রদান

প্রকাশিত: ১৩-১০-২০২১, সময়: ১৩:৪১ |
Share This

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান জলঢাকা নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর জলঢাকায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস (কোভিড- ১৯) এ যেসব ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছে তাদের স্বরণ সভায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের মাঝে আর্থিকভাবে সহায়তা প্রদান সহ করোনা জয়ীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। গতকাল ১৩ অক্টোবর বুধবার দুপুরে উপ হলরুমে গ্লোবাল এ্যাফেয়ারর্স ক্যানাডার আর্থায়ন ও প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় ওয়ার্ল্ড মিশন প্রেয়্যার লীগ, ল্যাম্ব শো টু প্রকল্পের বাস্তবায়নে এই আয়োজন করা হয়। শোক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব হাসান ও থানা অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ কবির। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ এ.এইচ.এম রেজওয়ানুল কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম পাশা এলিচ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম ও ল্যাম্ব শো টু প্রকল্পের টেকনিক্যাল কো অর্ডিনেটর জাহেদুল ইসলাম প্রমুখ। উল্লেখ উপজেলাটি চলমান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯জন মৃত্যুবরণকারীর পরিবারের মাঝে ২ হাজার করে টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়। এসময় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি জলঢাকায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ব্যারিষ্টার. তুরিন আফরো

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান জলঢাকা নীলফামারী প্রতিনিধি : নীলফামারীর জলঢাকায় হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শনকালে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ও ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. তুরিন আফরোজ বলেন,
এই উৎসব বাংলাদেশের সার্বজনীন উৎসব। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা আপনাদের আনন্দের ভাগিদার হতে ছুটে এসেছি। আমরা অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে চলতে শিখেছি। তাই আমাদের উৎসবগুলোতে সবাই আমরা এক হয়ে উদযাপন করি।
বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি আদর্শের কথা তুলে ধরে
ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ বলেছেন,
বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। জাতির পিতা ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত যে সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন ইনশাল্লাহ বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই বাংলাদেশই আমরা গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।
গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত শতাধিক মোটরসাইকেল বহর নিয়ে শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করে তিনি প্রতিটি পূজা মন্ডপে আর্থিকভাবে সহায়তা প্রদান করেছেন। এছাড়াও জলঢাকা পৌরসভা সহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে এবার ১৮২ মণ্ডপ হওয়ায় নবমী পর্যন্ত পুজা মন্ডপ পরিদর্শন অব্যাহত থাকার কথা জানিয়ে
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ আরও বলেন, ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সবার। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে আমরা এক এক হয়ে পথ চলি।
প্রত্যেকের ধর্মকে আমরা সম্মান করি, আমরা চাই আমাদের দেশে শান্তি বজায় থাকুক। এদেশে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতি-এ ধরনের যেসব ব্যাধি দেশ, সমাজ এবং পরিবারকে নষ্ট করে পরিবারির জীবনকে অতিষ্ঠ করে, তা যেন না থাকে।
বাংলাদেশের উন্নতি এবং অগ্রগতি অব্যহত থাকবে এটাই আমরা চাই।
মহান মুক্তিযুদ্ধে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন,
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে এদেশের সব ধর্মের মানুষ-হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এক হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে বুকের রক্ত বিলিয়ে দিয়ে এই বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে।
প্রত্যেক মানুষের মধ্যে যদি সহনশীলতা থাকে এবং একে অপরের প্রতি সম্মান ও সহানুভূতি থাকে সেটাই এ দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারে এবং তবেই দেশ উন্নত ও সমৃদ্ধশালী হতে পারে।পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে সফর সঙ্গী হিসেবে সঙ্গে ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্নয়ক এনামুল হক, সনাতন সম্প্রীতি সংঘের সভাপতি রণজিৎ রায়, সাধারণ সম্পাদক অনিল চন্দ্র রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক রঞ্জন কুমার রায়, শিক্ষক সংঘের সভাপতি অনিল কুমার রায় সাধারণ সম্পাদক সফিয়ার রহমান সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান ও মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান প্রামাণিক প্রমুখ

ফেসবুকে আমরা

উপরে