কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গে পাঁচ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৮

প্রকাশিত: ২৮-০৯-২০২১, সময়: ১০:৪২ |
Share This

কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ২ জন এবং করোনা উপসর্গ নিয়ে আরো তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছিল। মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো: মেজবাউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত এবং উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পাশাপাশি রোগী ভর্তির চাপ আগের মতই আছে। আক্রান্ত এবং উপসর্গ নিয়ে মঙ্গলবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত ৫২ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাই ১৭ জন। আর উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন আরো ৩৫ জন। এদিকে কুষ্টিয়া পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থী দুই শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত

কুষ্টিয়া ‡Rjv প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার খোকসায় এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ এক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর করোনা আক্রান্ত হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলা সদরের খোকসা জানিপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী আয়সা আক্তার মাইসা ও একই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির অপর ছাত্রী ফারজানা হোসেন সরদি জ্বরে আক্রান্ত হয়। এক পর্যায়ে ২৫ সেপ্টেম্বর ছাত্রীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা পরীক্ষা করানো হলে তাদের দুই জনেরই করোনা পজেটিভ ধরা পরে। করোনা আক্রান্ত এসএসসি পরীক্ষার্থী আয়সা ২৫ সেপ্টেম্বর ও নবম শ্রেণির ছাত্রী ফারজানা ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত ছিল। করোনা আক্রান্ত ছাত্রী ও তাদের পরিবারের আক্রান্তদের মধ্যে এক জনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। সোমবার দুই শিক্ষার্থীর করোনা পজেটিভ ধরা পরার খবর ছড়িয়ে পরলে বিদ্যালয়ে আসা ছাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ছেড়ে যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই বিদ্যালয়টির চালু রাখায় একাধিক অভিভাবক উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
করোনা আক্রান্ত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর অভিভাবক আকমল হোসেন জানান, তার পরিবারে ৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা সংকটাপন্য বাঁকীরা ভালো আছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ছালমা খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, দুই ছাত্রী সম্পর্কে চাচাত বোন। তাদের পরিবারের একাধিক করোনা পজেটিভ রোগী রয়েছে। ছাত্রীরা বাড়ি থেকে আক্রান্ত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। করোনা আক্রান্ত ছাত্রীরা যেসব শ্রেনিতে পড়ে ওইসব শ্রেণির শিক্ষার্থীদের করোনা পরীক্ষা করোনোর চিন্তা করা হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কামরুজ্জামান বলেন, আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের একজনের বয়স ১৬ অপরজনের ১৭ বছর। স্কুল চাইলে ওই শিক্ষার্থীরা যে শ্রেণিতে পড়ত সে শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ফ্রি করোনা পরীক্ষা করানো যেতে পারে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুল হক জানান, শিক্ষার্থীদের তথ্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তিনি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে