জলঢাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ : নিরসনের দাবি পৌরবাসির

প্রকাশিত: ২১-০৯-২০২১, সময়: ১৩:০২ |
Share This

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান জলঢাকা নীলফামারী প্রতিনিধি : নীলফামারীর জলঢাকা পৌরশহর এখন যানজটের শহরে পরিণত হয়েছে।
ফলে প্রতিনিয়তই বেড়ে চলছে জনদুর্ভোগ। এ পৌরশহরের প্রধান সড়কের ওপর দিয়ে পাটগ্রাম বুড়িমারি, চিলাহাটি ও বাংলাবান্দা এই তিনটি স্থলবন্দর হতে প্রতিদিন পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়াও ডালিয়া, ডোমার, ডিমলা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও থেকে দেশের দক্ষিণের বিভিন্ন প্রান্তে চলাচল করে হাজার – হাজার যানবাহন। জলঢাকা পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর দু’ধারে রিক্সা/ভ্যান ও অটোরিকশা দাড়িয়ে থাকা সহ ফুটপাতে
দোকানপাট গড়ে উঠায় সড়কগুলোতে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে পথচারীদের চলাচলেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয়রা জানায়, এ এলাকার মানুষ বেশির ভাগ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করায় রুজি রোজগারের পথ হিসেবে বেচে নিয়েছেন রিক্সাভ্যান, ইজি বাইক ও অটোরিকশা চালনার। আবার অনেকে৷ রাস্তার দু’ধারে ফলমূল শাক সবজি ও বিভিন্ন ছোট খাটো দোকানপাট নিয়ে বসেছেন। তাছাড়া এখানে পার্কিং ব্যবস্থা বা নির্দিষ্ট কোন অটোভ্যান স্ট্যান্ড না থাকায় যততত্র গাড়ি রখার ফলে পুর্তিমুহুর্তে যানজট লেগেই থাকে। বিশেষ করে সন্ধ্যা নেমে আসলেই দুরপাল্লার বাস দিয়ে ভরে যায় প্রধান সড়ক এবং তা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় ট্রাফিক পুলিশকে, এচিত্র চলে বিকার থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।
এবিষয়ে পথচারী সোনা মিয়া, বাদশা ও হাসান সিদ্দিকী বলেন, জলঢাকা পৌরশহরের উপর দিয়ে যাওয়া ডোমার ডিমলা ও ডালিয়া সড়কটি দুই লেন হওয়ায় এবং শহরে সড়কের দুই পার্শ্বে রিক্সা/ভ্যান এবং অটোরিকশা দীর্ঘ সময় দাড়িয়ে থাকার কারণে সবসময় যানজট লেগে থাকছে।
অবিলম্বে মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে যানজট মুক্ত করে সরকারের কাছে এ-ই সড়ক গুলোতেও চারলেন সড়কের দাবি জানান তারা।
এছাড়াও শহরের সড়কগুলোতে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় পথচারীদের দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে প্রতিদিনই। অবকাঠামোগত সমস্যার কথা তুলে ধরে ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মনিরুল আলম বলেন, এখানকার অবস্থা অনুযায়ী আমাদের জনবল সংকট। এ পৌরশহরটিতে মানুষের চলাচলের জন্য ফুটপাতের ব্যবস্থা না থাকায় একই রাস্তা দিয়ে গাড়ি রিক্সাভ্যান ও মানুষকে চলাচল করতে হচ্ছে। এছাড়াও দুরপাল্লার কোচ গুলো রাখার জায়গার পর্যাপ্ত অভাব রয়েছে। তাছারা মার্কেট, বাজার,ব্যাংক সহ বিভিন্ন অফিস ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থা থাকলে এমন যানজট হতোনা। যানজট নিরসন ও শহর উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে পৌরসভার মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলু বলেন, উন্নয়নের অংশ হিসেবে বাইপাস সড়ক নির্মাণ, জলাবদ্ধতা দুরিকরণে ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং মানুষের চলাচলের জন্য ফুটপাত ও বাজার উন্নয়নের সঙ্গে পার্কিং ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে