কুষ্টিয়ায় সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও টিউশন ফি আদায় নির্দশনা মানছে না কেউ

প্রকাশিত: ০৭-০৯-২০২১, সময়: ১২:৫৯ |
Share This

মুকুল খসরু কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ায় সরকাররী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়যাগ্য টিউশন ফি আদায়র ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ শিক্ষা অধিদপ্তর(মাউশি)র নির্দশনা মানছেনা কেউ। এমন অভিযাগ জলার শীর্ষস্থানীয় মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জিলা স্কুল ও সরকারী বালিকা উচ বিদ্যালয়র শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহল থেকে।সূত্রমত, করোনা সংক্রমনর কারনে ২০২০ সালের ১৮মার্চ ধেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এসময় অভিভাবকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ায় বিধিমত শিক্ষার্থীদের কাছেথেকে শুধুমাত্র টিউশন ফি’ই আদায় করতে পারবেন মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।২০২০ সালর ১৮ নভেম্বর মাধ্যমিক ও উচশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়াদ মোঃ. গালাম ফারুক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপন সরকারী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযাজ্য নির্দশনায় বলা হয়েছে- অ্যাসাইনমট, টিফিন, পুনর্ভর্তি, গ্রাগার, বিজ্ঞানাগার, ম্যাগাজিন ও উনয়ন খাত কানও ফি নয়া যাব না, কানও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয় থাকলও আদয়কৃত ওই টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দিত বা পরবর্তী সময়র টিউশন ফির সাথ সন্ময় করে নিতে হবে। কুষ্টিয়া শহরের কার্টপাড়ার বাসিদা এক অভিভাবক খন্দকার রুমল হাসানের অভিযোগ, সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতই সরকারী নির্দশনা মানছেন না। সরকারি বালিকা উচবিদ্যালয়র নবম শ্রনীতে আমার মেয়ের টিউশন ফি দিতে গিয় রীতিেতো বিড়ম্বনায় পড়তে হয়ছিলো। গত বছরের এপ্রিলেথেকে শুরু করে চলতি বছরের আগষ্ট পর্যন্ত ১৭ মাস বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও টিউশন ফির সাথে কম্পিউটার ল্যাব খাত শিক্ষার্থী প্রতি ২০টাকা কর আদায় করছেন বিদ্যায়লয় কর্তপক্ষ। একই ভাব অভিন অভেযোগ উঠেছে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের শিক্ষার্থী অভিভাবকদের পক্ষেথেকেও।কুষ্টিয়া জলা শিক্ষা অফিস সূত্র মত, জিলা স্কুল ও সরকারী বালিকা উচবিদ্যালয়ে প্রভাতী ও দিবা শাখায় মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা যথাক্রের ২৩৫৯জন এবং ২২৭৪জন শিক্ষর্থীসহ মাট শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪হাজার ৬শ ৩৩জন। এদর মধ্য (৬ষ্ঠ থক ১০ম শ্রনী পর্যÍ) মোট ২হাজার ৮শ ৯৫জন।অভিভাবকদর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য মত, জিলা স্কুল ও সরকারী বালিকা উচবিদ্যালেয় দুটি প্রতিষ্ঠানের (৬ষ্ঠ থক ১০ম শ্রনী পর্যÍ) মোট ২হাজার ৮শ ৯৫জন শিক্ষার্থীর প্রতি জনের কাছেথেকে প্রতি মাস কম্পিউটার ও আইসিটি খাতর নাম ২০ টাকা হিসবেেমোট ৫৭হাজার ৯শ টাকা আদায় করা হয়েছে। হিসব মতে, বিদ্যালয় বন্ধর ১৭মাস ৯লক্ষ ৮৪হাজার ৩শ টাকা বিধি বহির্ভুত ভাব বিদ্যালয় কর্তপক্ষ আদায় করছেন এমন অভেয়োগ তুলে ঘটনার সুষ্ঠু তদÍসহ ন্যায় বিচারর দাবি অভিভাবকদের।অভিযোগর সত্যতা স্বীকার করে জিলা স্কুল প্রধান শিক্ষক ইফতখায়রুল ইসলাম বলেন, এটা সরকারী প্রতিষ্ঠান, এখান সরকারী নিয়েের বাইর কান ফি আদায় করা হয়নি স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব সংরক্ষনর দায়িত্ব বিদ্যালয়ক নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করেে হবে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আইসিটি খাতে আদায়কৃত টাকা কম্পিউটার ল্যব রক্ষণাবক্ষনের কাজ ব্যয় করা হয়।সরকারী বালিকা উচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাম্মল হকও অভিন্ন সুরে জানালেন, আইসিটি বা কম্পিউটার খাত সরকারী কান বরাদ্দ নই। আমরা এর খরচ চালাত টাকা পাবা কাথায় ? এতাদিন ধর স্কুল বন্ধ থাকেলও কম্পিউটার সব রকম কাজ করত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কাজ ব্যবহৃত আইসিটি খাতর খরচটাও তা শিক্ষার্থীদরই বহন করত হব।কুষ্টিয়া জলা শিক্ষা অফিসার মা: জায়দুর রহমান বলন, মাউশির ওই প্রজ্ঞাপন টিউশন ফি ব্যাতিত অন্যান্য ফি না নেয়ার জন্য সব খাতর উল্লখ করা হয়েছে, তার মধ্য আইসিটি খাত থেকে কোন ফি নেয়া যাবে না এমন কথা বলা হয়নি।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে