বাগেরহাটে ধর্ষণকান্ডে পারভীন আহমেদের মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদিকার পদ স্থগিত

প্রকাশিত: ০৬-০৯-২০২১, সময়: ১৯:২১ |
Share This

বাগেরহাট প্রতিনিধি : সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, মারধর করে জোরপূর্বক গর্ভের সন্তান অপসারণের চেষ্টার অভিযোগে স্বামী-সন্তানসহ এ্যাডভোকেট পারভীন আহমেদের নামে মামলা দায়ের পর তার বাগেরহাট মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদিকার পদটি স্থগিত করেছে সংগঠনটি। কেন্দ্রীয় মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দের নির্দেশে রবিবার রাতে সংগঠনটির জরুরী সভায় এ্যাডভোকেট পারভীন আহমেদকে বাগেরহাট মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদিকার পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সাথে বাগেরহাট মহিলা পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদিকা ফাতেমা আহমেদ পারুলকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদিকা করা হযেছে। বাগেরহাট মহিলা পরিষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট সীতা রানী দেবনাথ এতথ্য নিশ্চিত নিশ্চিত করেছেন।
গত ৩০ আগস্ট সকালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা বাগেরহাট সদর থানায় তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, মারধর করে জোরপূর্বক গর্ভের সন্তান অপসারণের চেষ্টার অভিযোগে বাগেরহাট শহরের রেলরোডস্থ রেদওয়ান আহমেদ রাতুল (২৯), রাতুলের বাবা ফারুক আহমেদ মনি (৫৮) এবং রাতুলের মা বাগেরহাট মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদিকা ও বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট পারভীন আহেমদের (৫০) নামে মামলা দায়ের করেন। মামলার বিষয়টি প্রথমে গোপন রাখা হলেও পরে বিষয়টি নিয়ে শহরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রথম শ্রেনীর জাতীয় পত্রিকা ও টেলিভিশনে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রচারের পর কেন্দ্রীয় মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দের নির্দেশে রবিবার রাতে সংগঠনটির জরুরী সভায় এ্যাডভোকেট পারভীন আহমেদকে বাগেরহাট মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদিকার পদ স্থগিত করা হয়। বর্তমানে দেশব্যাপী আলোচিত এই মামলায় নারীনেত্রী পারভীন আহেমদ তার স্বামী-সন্তানসহ সবাই পলাতক রয়েছেন।

উপরে