পায়রা বন্দর নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের সদস্যদের কর্মক্ষম করতে প্রশিক্ষন

প্রকাশিত: ০১-০৯-২০২১, সময়: ১৪:৩৮ |
Share This

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা বন্দর নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের সদস্যদের কর্মক্ষম করতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিয়েছে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর ধারাবহিকতায় বুধবার বেলা ১০ টায় উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের কলাউপাড়া, বানাতীবাজার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্থ্য সদস্যদের অংশগ্রহনে পাইপ ফিটার বিষয়ক প্রশিক্ষণের কোর্স সমাপনি ও সনদ বিতরন করা হয়েছে।
পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ, নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের তত্ত্বাবধানে উন্নয়ন সংস্থা ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্যা রুরাল পূয়র (ডরপ) এর আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডরপ’র ডেপুটি টিম লিডার মো. মনিরুজ্জামান প্রিন্স প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলার চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এস এম রাকিবুল আহসান, বিশেষ অতিথি হিসাবে লালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস, বিশেষ অতিথি হিসেবে পায়রা বন্দরের উপ-প্রকল্প পরিচালক লেঃ কমান্ডার আদনান আবির নাঈম, সহকারী পরিচালক মুহাঃ আশরাফ উজ্জামান (বাপ্পী) প্রমূখ। তিন মাস মেয়াদী এ প্রশিক্ষণে দুটি শিফটে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের ৫০ সদস্য অংশ নেয়।
২০১৯ সালে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে উন্নয়ন সংস্থা ডরপ পায়রা বন্দর নির্মানে ক্ষতিগ্রস্থ্য চার হাজার দুইশ পরিবারের সদস্যদের ১০৬ টি ব্যাচে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করে। এ পর্যন্ত তিন হাজার ৪৯ সদস্য প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে নিজেদের নিয়োজিত করেছে বিভিন্ন আয়বর্ধক কাজে। এ পাইপ ফিটার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সবাই কাজের সাথে যুক্ত হয়ে আয় করতে শুরু করেছেন প্রশিক্ষন চলমান অবস্থায় গড়ে প্রতিমাসে ১৫০০০ টাকার বেশী আয় করতে সক্ষম হয়েছেন।

কলাপাড়ায় ফৌজদারী অপরাধে প্রাথমিকের নারী প্রধান শিক্ষিকা কারাগারে

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়া প্রতিনিধিঃপটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রাথমিকের নারী প্রধান শিক্ষিকা মোসা: দিলারা পারভিন (৪৮) কে ফৌজদারী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তার স্বামী সহ কারাগারে প্রেরন করেছেন বিজ্ঞ আদালত। বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বিজ্ঞ কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট শোভন শাহরিয়ার’র আদালত তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরনের এ আদেশ প্রদান করেন।এর আগে উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের মৃত হামজেদ আলী মৃধা’র স্ত্রী মোসা: ছালেহা বেগম জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তার পুত্র মোজাম্মেল মৃধাকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে দিলারা বেগম ও তার স্বামী শাহজাহান প্যাদা সহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে ৮ আগষ্ট মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকে জখমীর সনদ পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতে প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করেন। এরপর জখমীর সনদ পর্যালোচনায় আদালত দিলারা ও তার স্বামী সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন। বুধবার ওয়ারেন্টভুক্ত প্রধান শিক্ষিকা তার স্বামী সহ আদালতে জামিন চাইতে এলে আদালত চার জনের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে প্রেরন করেন। প্রধান শিক্ষিকা দিলারা পারভিন পাটুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। আদালতে আসামী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিজ্ঞ কৌশুলী অ্যাডভোকেট মো: সাইদুর রহমান ও অ্যাডভোকেট নাথুরাম ভৌমিক এবং বাদী পক্ষে অ্যাডভোকেট মো: নুরুজ্জামান সিকদার।আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো: ফেরদৌস মিয়া এ আদেশের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে