সাংবাদিকতায় হতাশা ও অবক্ষয় নিয়ে মত প্রকাশ করলেন বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ

প্রকাশিত: ২৬-০৮-২০২১, সময়: ০৯:৩৯ |
Share This

আওরঙ্গজেব কামাল : কুলশিত গণমাধ্যম অপমানিত,লাঞ্চিত বাংলদেশ প্রতিদিনের ইনভেষ্টিগেটিব রিপোর্টিং সেল এর চীপ সাঈদুর রহমান রিমন সহ তার সহযোদ্ধারা। যাকে বলা হয় চুরি, ডাকাতি, খুন, রাহজানি, হত্যা, ধর্ষন, লুটপাট,কালোবাজারি লুটেরা ও মাদক সহ অন্যায় অবিচার ভূমিদস্যুতার আদলে থাকা চেহারাগুলিকে জাতির সামনে আনা এক ক্লিনার কান্ট্রি ম্যান। সব সময় যে নানা বিধ অপরাধের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে। যিনি দেশ সমাজ রাষ্ট্রের দর্পন, দেখান প্রতিদিন নতুন বাংলাদেশের মূখ। আজ সে স্ব-শরিরে রাজপথে কেন? কেন দাড়িয়েছেন? নিজের কোন দাবী নিয়ে না। অপরাধের মূখোশ উন্মোচন করার কারণে। চট্টগ্রামের একজন হুইপ সামসুল আলম চৌধুরী তিনি বহুল প্রকাশিত বাংলাদেশ প্রতিদিন এর সাঈদুর রহমান রিমন সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকার মানহানী মামলা করেছে। এটাই তার প্রাপ্য, কারন ৩৫ বছর সাংবাদিকতা জীবনে বিলাসবহুল গাড়ি বাড়ি ব্যাংক ব্যালেন্স বলতে কিছুই নেই। এক মেয়ে নিয়ে আজও থাকেন বসুন্ধরার ভারা বাসায় । হায় জাতি বিনিময় না দিতে পারো সন্মানটুকু কি চাওয়া অপরাধ? কি দিলে তাকে? কি পেলো সে? আমি লজ্জিত, আমি কলঙ্কিত, আমি বিস্মিত, আমি অবাক,আমি হতাশ হে বাংলাদেশ। তুমি নির্বাক কালের সাক্ষী হয়ে আর কত সইবে? কথাগুলো ফেসবুকে লিখেছেন এক কলম সৈনিক বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাবের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক দৈনিক অন্য দিগন্ত পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ আনিছুর রহমান। তার এই লেখা দেখে আমি নিজেই হতবাক আসলেই আমার এই সাংবাদিকতার ৩০ বছর জীবনে সত্যি কি পেলাম এখন নিজের কাছে প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।আজ দেখা যাচ্ছে সারাদেশে সাংবাদিক সংগঠনগুলোর তাদের বিভিন্ন দাবি আদায়ের জন্য সর্বদা আন্দোলন করে চলেছে।আমরা দীর্ঘদিন থেকে লক্ষ্য করে দেখেছি সাংবাদিকরা কোন অপরাধীর বিরুদ্ধে কিংবা কোন শক্তির বিরুদ্ধে কিছু লিখলেই তাকে হতে হয় হয়রানির শিকার এবং মামলা ও হামলার শিকার কিন্তু কখনো কেউ কি ভেবে দেখেছেন সাংবাদিকটি যে প্রতিবেদন তৈরি করেছে তার সত্যতা সত্যতা কতটুকু সেকি সত্য লিখেছে না মিথ্যা লিখেছে কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি সাংবাদিকরা কারো বিরুদ্ধে কোন সংবাদ প্রকাশ করলে তারা ছুটে যায় থানা বা আদালতে যে ওই সাংবাদিক এর বিরুদ্ধে পরে একটি চাঁদাবাজি অথবা মানানি অথবা তথ্য অধিকার আইনে মামলা আর এই সুযোগে পুলিশ প্রশাসন ও আদালতে রযু হয়ে যায় একটি মামলা হলে ওই নির্ভীক সাংবাদিক তার সত্য পথে থেকে সরে আসতে বাধ্য হয় অনেক সময় লক্ষ্য করা গেছে অনেক সাংবাদিক কে থানায় নিয়ে নির্বিচারে প্রহার করা হয়েছে অনেক সাংবাদিককে রিমান্ডে আনা হয়েছে অনেক সাংবাদিককে গুম ও হত্যা করা হয়েছে কিন্তু আমরা কি একটিবার তদন্ত করে দেখেছি ওই সাংবাদিকের অপ্রাপ্ত কতটুকু সে কি এই ধরনের হয়রানি শিকার অকারনে কেন হচ্ছে তাই আজ বাংলাদেশ প্রতিদিন নামিদামি পত্রিকা নামে যখন মামলা বা অভিযোগ দায়ের হয় তখন মাঝে মাঝে আন্দোলনের ঝড় ওঠে কিন্তু আজ অবধি কেউ কি দেখেছেন মফস্বলের কোন সাংবাদিক নির্যাতন বা হয়রানির শিকার হলে কোন সংগঠনের পক্ষ থেকে সোচ্চার হতে বর্তমানে সাংবাদিকদের নামে করা মামলায় পিবিআইতে তদন্ত চলছে যদি সাংবাদিকতায় এত প্রতিবন্ধকতা হয় তাহলে উদীয়মান যুবকরা এই পেশায় কি কখনো আসবে তাহলে কিভাবে জাতির বিবেক টিকে থাকবে এ প্রশ্ন এখন সাংবাদিকদের মধ্যে দানা বেঁধছে। কালে কালে দেশে তৈরি হয়েছে অনেক পত্রিকা ও ইলেকট্রিক মিডিয়া এখন আবার অনলাইন মিডিয়ার প্রসার ঘটেছে এছাড়া প্রতিনিয়ত সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে কিন্তু তাতে বাস্তবিক সাংবাদিকদের কি উপকার হচ্ছে এ প্রশ্ন এখন প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাংবাদিকদের এসব বিষয়ে কথা হয় বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাবের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার হোসেন ভূঁইয়া সাথে তিনি বলেন সাংবাদিকঃ জাতির বিবেক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ একটি ষ্ণলে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা থাকার প্রয়োজন রয়েছে তাদের নিরাপত্তা দায়দায়িত্ব সরকারের এ সময় তিনি আরো বলেন সাংবাদিকদেরও উচিত রাষ্ট্রের ক্ষতি হয় এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে  বিরত থাকা। এ বিষয়ে কথা হয় ঢাকা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী ফরিদ আহমেদের সাথে তিনি বলেন আমরা খুব অসহায় এর মধ্যে রয়েছি এখন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করতে হলে নিজের ও নিজের পরিবারের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে অধিকাংশ সময় লক্ষ্য করছি এক শ্রেণীর লোক সাংবাদিক পেশাকে কলুষিত করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে তাই আমাদের উচিত সকল সাংবাদিকদের ঐক্য  বদ্ধ হয়ে কাজ করা। এ বিষয়ে এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার ও আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খান লিটন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন এখন সাংবাদিকতা করা অনেক কষ্টের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিনিয়ত অপরাধী ও বুর্জোয়া শ্রেণীর সাথে লড়াই করতে হচ্ছে যেমন কিছুদিন আগে আমি কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে হুমকি এবং লাঞ্ছনার শিকার হয়েছে এমনিভাবে এখন সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছে আমাদের এটার প্রতিকারের প্রয়োজন রয়েছে।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে