জলঢাকায় পিতৃ পরিচয়ের দাবিতে যুবকের অনশন

প্রকাশিত: ২৫-০৮-২০২১, সময়: ১৬:৫৬ |
Share This

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃনীলফামারীর জলঢাকায় ২৯ বছর পর পিতৃ পরিচয়ের দাবিতে যুবকের অনশনমঙ্গলবার বিকেলে পৌরশহরের মনিহারি পট্টিতে পিতৃ পরিচয়ের দাবীতে বাবার দোকানের সামনে অনশন করেছে এক যুবক  ।অনশন অবস্থানরত যুবক জসিয়ার রহমান জানায়, ১৯৯১ সালে আমার জন্ম হয়। জন্মেরপর বাবাকে দেখিনি।পরে যখন জানতে পারি, জলঢাকা পৌরসভার উত্তর কাজিরহাট মফিজ উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলাম  এবং খালিশা চাপানী মেম্বার পাড়া মা’ জোসনা বেগমের সাথে বিয়ে হয়। আমার জন্মের ১বছর পর বাবা মায়ের ডিভোর্স হয়েছে। যখন থেকে বুজতে ও জানতে শিখেছি, তখন  থেকে আমি আমার বাবা’র সন্ধান করতে শুরু করি। ১০ বছর বয়সে খুজে পাই বাবা’কে। তিনি আমার পরিচয় পেয়ে দুরদুর করে তারিয়ে দেন। 
১৬ বছর বয়সে আবারও এসেছিলাম বাবার কাছে।এরপরেও আমার প্রতি মায়া জন্মেনি বাবার। এবার এসেছি ২৯ বছর বয়সে। সঙ্গে করে নিয়ে এসেছি আমার ২ শিশু সন্তান ও স্ত্রীকে। 
আমাদেরকে দেখে বাবা ঝটপট দোকান বন্ধ করে কেটে পরে। তাই আমরা দোকানের সামনে অবস্থান করছি পিতৃ পরিচয়ের দাবিতে।জসিয়ার বলেন আরোও বলেন,“বাবার জমি চাইনা-জায়গা চাইনা,ঘর চাইনা- বাড়ী চাইনা,শুধু পিতৃ পরিচয় চাই!”
এবিষয় জসিয়ারের মামা মাওলানা মাহবুবার রহমান বলেন, আমি ও নজরুল ইসলাম আমরা এক সঙ্গে আলিম, ফাজিল এবং কামিল পাশ করেছি। বন্ধুত্বের সুত্র ধরে তার সাথে আমার বোনকে প্রায় ৩২ বছর পূর্বে বিয়ে দিয়েছিলাম। 
বেশ কিছুদিন পর তাদের মধ্যেবিবাদ- কলহ সৃষ্টি হলে,বোনের শারিরীক অবস্থার অবনতি ঘটে।
সে কারণে ৮ মাসের গর্ভাবস্থায় বোনকে আমাদের বাড়ীতে নিয়ে আসি।
বাচ্চা হওয়ার পর প্রায় একবছর পরে তাদের ডিভোর্স হয়।আমরা আমাদের পরিচয়ে ভাগিনাকে মানুষ করেছি ও বিয়েসাদী দিয়েছি।বিয়ের পরে সে শ্বশুরালয়ে থাকে।এদিকে,  বিয়ের কথা স্বীকার করলেও অস্বীকার করেন সন্তানের কথা নজরুল ইসলাম।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে