শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট ফেরি চলাচল বন্ধ : অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার লঞ্চে

প্রকাশিত: ২১-০৮-২০২১, সময়: ১৫:৪৮ |
Share This

এ কিউ বুলবুল আহম্মেদ : পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে গত তিনদিন ধরে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে লঞ্চে দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীর চাপ বেড়েছে।শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় লঞ্চে স্বাভাবিকের তুলনায় যাত্রীর সংখ্যা অনেক বেশি দেখা যায়। ফলে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব উপেক্ষিত হচ্ছে। গাদাগাদি করে, অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার করছে লঞ্চগুলো। পদ্মার পানি বাড়ায় ও উত্তরাঞ্চলের বন্যার পানি পদ্মা নদীতে আসায় তীব্র স্রোতের দেখা দিয়েছে। ফলে দুর্ঘটনা এড়াতে বুধবার ২টা থেকে শিমুলিয়ায় ফেরি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)।এতে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার যাত্রী লঞ্চে করে পদ্মা নদী পার হচ্ছেন। প্রতিটি লঞ্চে ধারণক্ষমতার চেয়ে ২০ থেকে ৩০ জন বেশি যাত্রী তোলা হচ্ছে। সেখানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন লঞ্চ মালিকরা।
একাধিক যাত্রী বলেন, ঘাটে লঞ্চ ভেড়ামাত্রই সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রতিটি লঞ্চে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। পদ্মার তীব্র স্রোত আর ঢেউ থাকায় ঝুঁকি নিয়েই লঞ্চগুলো চলাচল করছে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) শিমুলিয়া নৌবন্দর কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমানে এ রুটে ৮৭টি লঞ্চ চলাচল করছে। ফেরি ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় লঞ্চে যাত্রীর চাপ বেশি।বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ বলেন, ঘাট এলাকায় কোনো গাড়ি অপেক্ষমাণ নেই। গত কয়েক দিনের তুলনায় পদ্মা নদীর পানি ও স্রোতের তীব্রতাও বেড়েছে। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফেরি চালু হওয়ার সম্ভবনা নেই।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে