বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে খুনিরা এদেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্থ করতে চেয়েছিল

প্রকাশিত: ১৪-০৮-২০২১, সময়: ১০:৪৯ |
Share This

খুলনা থেকে শেখ আব্দুল মজিদ: খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডি এ বাবুল রানা বলেছেন, ক্ষণজন্মা বঙ্গবন্ধু ৫৫ বছরের জীবনে ১৩ বছরই অধিকার আদায়ের সংগ্রামের জন্য কারাগারে ছিলেন। তিনি বাংলার মাটি ও মানুষকে অসম্ভব ভাল বাসতেন এবং মানুষের মনের কথা বুঝতে পারতেন বলেই তিনি জাতির পিতা হতে পেরেছিলেন। বঙ্গবন্ধু দেশ ও মানুষকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন, স্বপ্ন পূরণে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু তার স্বপ্নের বাস্তবায়ন দেখে যেতে পারেননি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে।তারা শুধুই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি, তাকে হত্যা করে এদেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ করেছে, চেয়েছিল একটি দেশকে হত্যা করতে। খুলনা মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক মীর বরকত আলী’র সভাপতিত্বে শনিবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১ টায় খুলনা দলীয় কার্যালয়ে শোকাবহ ১৫ আগস্ট উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ খুলনা মহানগর আয়োজিত শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্গজনক অধ্যায় আগস্ট মাস। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে খুনিরা এদেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্থ করতে চেয়েছিল। তবুও বলব আমরা সৌভাগ্যবান। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নীল বাংলাদেশ আজ স্বপ্ন নয়, দৃশ্যমান বাস্তবতা। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সমৃদ্ধির দ্বারপ্রান্তে। যেন পিতার স্বপ্নের পূর্ণতা কন্যার হাত ধরে। এই অগ্রযাত্রার ইতিহাসে পাতায় পাতায় চিরভাস্বর হয়ে আছে স্বপ্নীল বাংলাদেশের রূপকার বঙ্গবন্ধু। শোক’কে শক্তিতে পরিণত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ণে গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।খুলনা মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য সচিব এম.এ. নাসিম’র পরিচালনা আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জামাল উদ্দীন বাচ্চু, মহানগর আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক ও খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, মহানগর কৃষক লীগের আহবায়ক এ্যাড. একেএম শাহজাহান কচি, শেখ মাসুমবিল্লাহ, মোঃ জিলহজ্জ হাওলাদার, মোঃ কামরুল ইসলাম, অধ্যাপক গাজী মোফাজ্জেল হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান কামাল, আশরাফুল আমল বাবু, এসএম হোসেনুজ্জামান হোসেন, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, নজরুল ইসলাম নবী, ইসমাঈল হোসেন ইমন, শফিকুল ইসলাম অভি।শোক সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আলমগীর কবির, কাজী কামাল, শেখ রায়হান উদ্দীন, আমিরুল ইসলাম বাবু, মোঃ নাজমুল হক, জাইমুল ইসলাম বাবু, সুমন দত্ত, সাজাহান সিকদার, রাহাত আলী মোড়ল, আজগর আলী, রফিকুল ইসলাম খোকন, আনন্দ সরকার, মোঃ সোহেল মিয়া, ময়না গাজী, আব্দুল গফ্ফার, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মারুফ চৌধুরী রিমন, আনোয়ার হোসেন, ইমরান শিকদার, রফিকুল ইসলাম কাজল, হানিফ শেখ, শেখ সাহিদ, মোঃ ইকবাল হোসেন, হিজল খান, মোঃ রফিক খান, শেখ মুরাদ হোসেন, মোঃ জাহিদ, রিহান মোল্লা প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।সভা শেষে শোকাবহ ১৫ আগস্টে শাহাদত বরনকারী সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ আশিকুর রহমান।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে