অবশেষে ফেরি চলাচলের অনুমতি দিলো বিআইডব্লিউটিসি

প্রকাশিত: ১০-০৫-২০২১, সময়: ১৪:২৬ |
Share This

ডেস্ক রিপোর্ট : ঈদের আগে প্রতিটি ঘাটে উপচে পড়া ভিড়ের মধ্যে অবশেষে যাত্রী নিয়ে ফেরি চলাচলে অনুমতি দিল সরকার। গণমাধ্যমকে সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) পাটুরিয়া ঘাটের উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জিল্লুর রহমান। সরকারি নির্দেশ আসা মাত্র সবগুলো ফেরি চালু করে দিয়েছে পাটুরিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি। ঘরমুখী মানুষের বিড়ম্বনা এড়াতে দিনেও ফেরি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। সোমবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিসির মহাব্যবস্থাপক আশিকুজ্জামান।তিনি বলেন, ‌এখন থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক। ঘাটে আটকে পড়া কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করে দিয়েছে। এখন সব ধরনের ফেরি চলাচল করবে। তাই ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের আর বিড়ম্বনা পোহাতে হবে না।এর আগে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ রবিবার রাতভর ১৬টি ফেরি দিয়ে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যানবাহন পারাপার করে। কিন্তু সোমবার ভোর থেকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় ফেরি কর্তৃপক্ষ।এর আগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফিরোজ শেখ বলেছিলেন, দিনে ফেরি বন্ধ। শুধু জরুরি পরিসেবায় বহরের ১৬টি ফেরির মধ্যে দুটি দিয়ে কিছু যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। তাও অ্যাম্বুলেন্স ও রোগী ছাড়া ফেরিতে উঠতে পারবে না। তবে রাতে পণ্যবাহী পরিবহন পারাপারের জন্য সব ফেরি সচল রাখা হবে।রবিবার ঘাটে আটকা পড়া যাত্রীদের পারাপার শেষে সোমবার সকাল থেকে ফেরি বন্ধ থাকার কথা থাকলেও সাড়ে ৮টার দিকে শিমুলিয়া ঘাট থেকে একটি ফেরি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। যাত্রী পারপারে লঞ্চ, স্পিডবোটের পাশাপাশি দিনের বেলা ফেরি বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ঘরমুখী যাত্রীদের। ঘরমুখী মানুষের চাপে অনেক সময় বাধ্য হয়ে ছাড়তে হচ্ছে ফেরি।

উপরে