খুলনা থেকে আব্দুল মজিদ : খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের বৃহত্তম, সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দল। এ দলটির নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ দেশের বেশির ভাগ মানুষ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে এবং ৫০-৬০ ভাগ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত। এই আওয়ামী লীগকে বাদ নিয়ে জাতীয় সরকার করবে বিএনপি, সেটি কী জাতীয় সরকার হবে? এটি হবে রাজাকার, আলবদর, বিএনপি, জামায়াতসহ বাংলাদেশ বিরোধী ও বাংলাদেশের শত্রুদের সরকার।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতকে এদেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে, দূরে ঠেলে দিয়েছে। জাতীয় সরকার, রাজাকার-আলবদরের সরকার, বিএনপি-জামায়াতের সরকার বাংলাদেশে হবে না। জনগণের ভোটে যারা সংসদে বেশি আসন পাবে, তারাই দেশে সরকার গঠন করবে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে পৃথিবীর কোন দেশে জাতীয় সরকার হয় না। যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ জরুরি পরিস্থিতিতে এটি গঠিত হয়। কাজেই বাংলাদেশে কোনদিন জাতীয় সরকার হবে না।তিনি আরো বলেন, জনগনকে সাথে নিয়ে বিএনপি-জামায়াত চক্রের দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করা হবে। তারা যদি তথাকথিত আন্দোলনের নামে এদেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় এবং আবারও ২০১৩-১৪-১৫ ও ২০১৮ সালের মতো অগ্নিসন্ত্রাস ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সংঘটিত করতে চায়, তাহলে তাদেরকে ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। তাদের এসকল নৈরাজ্য ও অপতৎপরতা বাংলাদেশের জনগন মেনে নেবে না। দেশের মানুষ বিএনপির মতো দলকে আর চায় না। তারা বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব চায়। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকেন। তাই আগামী নির্বাচনে আবারো শেখ হাসিনার নৌকাকে বিজয়ী করবে দেশের জনগণ।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় শহীদ হাদিস পার্কে বিএনপি-জামায়াত চক্রের দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র, অপতৎপরতা ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে খুলনা সদর ও সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তৃতা করেন সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ^াস। সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, মো. আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ কামাল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফারুক হাসান হিটলু, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. তারিক মাহমুদ তারা, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো. সফিকুর রহমান পলাশ, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এম এ নাসিম, সোনাডাঙ্গা থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর জাহান রুমি, সদর থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরিনা রহমান বিউটি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ হাওলাদার। সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা কাজী এনায়েত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাডঃ রজব আলী সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মো. শাহাজাদা, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, কামরুল ইসলাম বাবলু, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মদ, মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, মনিরুল ইসলাম বাশার, কাউন্সিলর আনিসুর রহমান বিশ্বাষ, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, এস এম আকিল উদ্দিন, এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুল, কাউন্সিলর মোজাফফর রশীদী রেজা, কাউন্সিলর কাজী আবুল কালাম বিকু, কাউন্সিলর আরিফুর রহমা মিঠু, আমির হোসেন, এস এম কবির উদ্দিন বাবলু, টি এম আরিফ, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, কাউন্সিলর কণিকা সাহা, এ্যাড. কে এম ইকবাল হোসেন, শেখ নুর ইসলাম, চ ম মুজিবুর রহমান, শেখ জাহিদুল হক, মুন্সি আইয়ুব আলী, শেখ মোঃ আবিদ উল্লাহ, শেখ আঃ আজিজ, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, জামিরুল হুদা জহর, চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান সজল, মঈনুল ইসলাম নাসির, ফেরদৌস হোসেন লাবু, আব্দুল হাই পলাশ, এ্যাড. মো. ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম তালুকদার, শেখ হাসান ইফতেখার চালু, হাজ্বী মোতালেব মিয়া, সরদার আঃ হালিম, ইউসুফ আলী খান, জাকির হোসেন, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মীর মোঃ লিটন, শেখ রুহুল আমীন, আজম খান, ওহিদুল ইসলাম পলাশ, মো. সিহাব উদ্দিন, মোক্তার হোসেন, কামরুজ্জামান, এ্যাড. এনামুল হক, এস এম হাফিজুর রহমান হাফিজ, মোঃ রুহুল আমীন খান, আলী আকবর মাতুব্বর, এডঃ শামীম আহম্মেদ পলাশ, খাজা মঈনউদ্দিন, মেহজাবিন খান, মোস্তাক আহমেদ টুটুল, শওকত হোসেন, এম এম সিপার হায়দার, এম এম আল মামুন চৌধুরী, শ্রমিক নেতা মো. সেলিম শেখ, জাকির হোসেন বিপ্লব, ছাত্র নেতা মাহমুদুর রহমান রাজেস সহ আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।