সুমন ইসলাম বাবু, লালমনিরহাট : জাতীয় পার্টীর চেয়ারম্যান ও লালমনিরহাট ৩ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের নির্দেশনায় আজ ১৩ জুন সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ধরলা ও রতনাই নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা জাতীয় পার্টীর সদস্য সচিব জাহিদ হাসান।
এ সময় লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল কাদের, কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান ইদ্রিস আলী, পৌর জাতীয় পার্টীর সাধারন সম্পাদক পৌর সাধারন সম্পাদক, আলমগীর চৌধুরি, সৈনিক পার্টীর আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, ইউপি সদস্য জোবেদ হোসেন,আবু বক্করসহ জেলা জাতীয় পার্টীর নেত্রীবৃন্দ ও স্থানীয় গর্ণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।জেলা জাতীয় পার্টীর সদস্য সচিব জাহিদ হাসান বলেন,জাতীয় পার্টীর চেয়ারম্যান ও লালমনিরহাট ৩ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মাদ কাদের স্যারের নির্দেশনায় আমরা ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করছি। এবং সকল বিষয়ে স্যারকে যানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে ভাঙ্গন রোধে জিও ব্যাগ ফেলানো হচ্ছে।উল্লেখ্য গতকাল ১২ জুন হারাটি ইউনিয়নের টাংরুরবাজার সংলগ্ন গোবিন্দ রায়ের বাড়ীর ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হলে সদস্য সচিব জাহিদ হাসান সরেজমিন পরিদর্শন করে রাতের মধ্যেই জিও ব্যাগ পৌছে দিয়ে ভাঙ্গন হতে বাড়ীঘর রক্ষা করেন।

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্ভাবনী উদ্দ্যোগ বিষয়ক কর্মশালা

সুমন ইসলাম বাবু,লালমনিরহাট : লালমনিরহাটের আদিতমারীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্ভাবনী উদ্দ্যোগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে সকালে আদিতমারী উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ আবু জাফর।আদিতমারী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও গর্ভনেন্স ইনোভেশন ইউনিট,প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সহযোগিতায় কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জি,আর সারোয়ার। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রওশন আলী মন্ডলের সঞ্চালনে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোশারফ হোসেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্ভাবনী উদ্দ্যোগ বিষয়ক অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক ইমরুল কায়েস। এসময় উপস্থিত ছিলেন ওসি মোক্তারুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ ভাইসচেয়ার চিত্ত রঞ্জন সরকার, মহিলা ভাইসচেয়ার জেসমিন আক্তার প্রমুখ।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সরকারী কর্মকর্তা, বীরমুক্তিযোদ্ধা, ইউপি চেয়ারম্যান, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক,ইমামদের নিয়ে ৮টি গ্রুপে বিভক্ত করে তাদের সুচিন্তিত মতামত লিপিবদ্ধ করা হয়। এসব মতামত সরকারের উচ্চমহলে পাঠানো হবে। শেষে ৮টি গ্রুপের গ্রুপ প্রধানরা তাদের মতামত উপস্থাপন করেন।