আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনি সরকারি কলেজে অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা’২২ বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে আশাশুনি সরকারি কলেজের হলরুমে প্রভাষক জাকির হোসেন ভূট্ট্রে পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. আবুল কালাম আজাদ। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মু. মমিনুল ইসলাম মমিন পিপিএম। অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দাবা, লং জাম্প, হাই জাম্প, ভার উত্তোলন, চেয়ার সিটিং, নিক্ষেপসহ বিভিন্ন ইভেন্টে ৪৭ জন বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। নির্ধারিত বক্তব্য, উপস্থিত বক্তৃতা, উচ্চ মাধ্যমিক প্রস্তুতি পরীক্ষা মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারীদের ৭জনকে ও এছাড়া উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ রোভার শিক্ষকসহ ৬ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার বিতরণ শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ ও প্রভাষক শিরিন বাহার যুথি, কবিতা আবৃত্তি করেন থানা অফিসার ইনচার্জ মমিনুল ইসলামসহ শিক্ষার্থীবৃন্দ। #
ক্যাপশান: আশাশুনি সরকারি কলেজে পুরস্কার বিতরন করছেন অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ ও ওসি মমিনুল ইসলাম।আশাশুনির খাজরা ইউপি’র ভারপ্রাপ্ত সচিবের বিরুদ্ধে অনিয়ম,দূর্নীতি ও জনগুরুত্বপূর্ণ কাজে বাঁধাসহ নানা অভিযোগ
আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সচিব জলিল উদ্দীনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতি ও জনগুরুত্বপূর্ণ কাজে বাঁধাসহ নানা প্রকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ ডালিম বাদী হয়ে রোববার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর (স্মারক নং-৬৩৭/সি) লিখিত অভিযোগে জানাগেছে, কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জলিল উদ্দীন গত ২০ ফেব্রæয়ারি থেকে খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্বে আছেন। শুরু থেকেই তিনি ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন করতে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আত্মসাৎ, নিয়মিত পরিষদে না আসা ও জন্ম নিবন্ধনের পাসওয়ার্ড বন্ধ রেখে শতশত সেবা গ্রহীতাকে হয়রানির শিকার হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান নিষেধ করায় গত ৯ জুন থেকে সচিবের নিজ নামীয় পাসওয়ার্ডটি বন্ধ রেখেছেন। ফলে ছেলেমেয়েরা স্কুলের জন্য জন্ম নিবন্ধন সুবিধা একবারেই বঞ্চিত হচ্ছে। প্রসঙ্গত. সরকারি গেজেট অনুয়ায়ী ৪৫ দিনের শিশুদের বিনামূল্যে, ৫ বছরের নিচে ২৫ টাকা ও ৫ বছরের উপরের ব্যক্তি ৫০ টাকা করে সরকারি ফি নির্ধারন করা হলেও তিনি ৮০ টাকা নিয়ে উদ্যোক্তাকে ২০ টাকা করে দিয়েছেন। হিসাব অনুযায়ী নতুন জন্ম নিবন্ধন আনুমানিক ৩ হাজার ১৮০ ও ৩০০টির মতো জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করা হয়েছে। এ থেকে তিনি অতিরিক্ত ১ লক্ষ ৩৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম বলেন, ইউপি সচিব দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে জন্ম নিবন্ধন করতে আসা সকলের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত টাকার অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন। আমি নিষেধ করায় ৯ জুন থেকে তিনি নিজের পাসওয়ার্ডটি বন্ধ রেখেছেন। সাধারণ জনগণের কষ্ট লাঘবের জন্যে আমি তার বিহীত ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক ববাবর আবেদন করেছি। উদ্যোক্তা ইকবাল হোসেন জানান, জন্ম নিবন্ধনের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের নামে আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড থাকে। আমাদের শুধুই অনলাইনে আবেদন করতে হয়। সচিব আমাকে দিয়ে জন্ম নিবন্ধন রেজিষ্ট্রারের কাজ করিয়ে নেন। আবেদন প্রতি ১০০টাকা নিয়ে আমাকে ২০ টাকা দিয়ে বাকী ৮০ টাকা তিনি নিজে রেখে দেন। এ ব্যাপারে সচিব জলিল উদ্দিন বলেন, জন্ম নিবন্ধন বাবদ গড়ে ৮০ টাকা করে নিয়েছি। অতিরিক্ত টাকা আদায় করিনি। জেলা ডিডিএলজি স্যারের সাথে কথা হয়েছে কোন সমস্যা নেই।