আলহাজ্ব মোঃ শহিদুল ইসলাম : বরিশাল ভোলা সীমান্তের মহিষমারি গ্রামে চরের জমির দখন নিয়ে বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ ২৮ রাউন্ড গুলী বর্ষন করেছে। এতে ৩ পুলিশ সদস্য সহ অন্তত্য ৩০জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৩পুলিশ সদস্যকে ভোলা সদর হাসপাতালে এবং আহত ১২ গ্রাম বাসীকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিন জনের আঘাত গুরুতর। তবে এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনী পুলিশ।মহিষমারি গ্রামে ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম পলাশ জানান, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ভোলা জেলা সিমান্তে মহিষমারি গ্রামের চরের জমির দখল নিয়ে শ্রিপুর ও ভোলার ভেলুমিয়া এলাকার জনগনের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বিরোধ চলছিলো।বৃহস্পতিবার দুপুর দুটার দিকে ভোলার লোকজন এসে মহিষমারি গ্রামে হামলার চেস্টা করলে স্থানীয় গ্রামবাসি এক হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। খবর পেয়ে ভোলা সদর থানার চর চুটকিমারা ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যরা দু পক্ষকে ধাওয়া দিয়ে দূরে সরিয়ে দিতে চাইলে উভয় পক্ষ পুলিশকে লক্ষ করে ইট-পাটকেল ছুড়ে। এসময় পুলিশ শর্ট গানের ২৮ রাউন্ড গুলি বর্ষন করলে মহিষমারি গ্রামের ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। এসময় পুলিশের ৩ সদস্য তাদের ছোড়া ইট-পাটকেলে আহত হয়। আহত গ্রামবাসীকে দ্রুত বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা মোহাম্মদ কবির উদ্দিন জানান, আহতদের অবস্থা এখন সংকামুক্ত। তাদের চিকিৎসা চলছে।এদিকে এ ঘটনায় যথা যথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. আক্তারুজ্জামান।