শপথ নেওয়ার জন্য জায়েদ খান ছলনার আশ্রয় নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন। তবে ইলিয়াস কাঞ্চন ভুল বুঝছেন বলে মনে করেন জায়েদ খান।
সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসিতে) এক সংবাদ সম্মেলনে শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারির পুরনো একটি রায়ের সত্যায়ন কপিকে দেখিয়ে জায়েদ সাধারণ সম্পাদকের পদে শপথ নিয়েছেন। এমন ছলনা করায় জায়েদ খানের শপথ বাতিল করা হবে।এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে চিত্রনায়ক জায়েদ খান বলেন, ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই ভুল বুঝছেন। আমি প্রতারণার আশ্রয় নেইনি, প্রশ্নই ওঠে না। কী কারণে নেব? রায় তো আমার পক্ষে। এটা সবাই জানে। পত্রিকায় রায়ের নিউজও হয়েছে। তিনি বলেন, এখন কথা হচ্ছে, রায়ের কপি আদালত থেকে বের হতে সময় লাগে। নিয়ম অনুযায়ী, রায় পাওয়ার পর যে কেউ তার আইনজীবীর কাছ থেকে ল ইয়ার সার্টিফিকেট নিতে পারেন। আদালতের রায় হয়ে গেছে সবাই জানেন। আমি ল ইয়ার সার্টিফিকেটও জোগাড় করেছি। এটা বৈধ। আমি যদি ভুয়া কাগজ জোগাড় করে শপথ নিই, তাহলে নিপুণ কি ভুয়া কাগজ দেখিয়ে আপিল করলেন? রায় হয়েছে বলেই তো সেটার প্রমাণ দেখিয়ে আপিল করেছেন তিনি। হাইকোর্টে আমি মামলাটা জিতেছি। কাঞ্চন ভাই সেই কাগজ পড়েই আমাকে শপথ পাঠ করিয়েছেন। এখানে প্রতারণা বা ছলনার কথা আসছে কোথা থেকে, বুঝতে পারছি না।জায়েদ খান আরও বলেন, আপিলের কপি তো অনলাইনে পাবলিস্ট হয়েছে। সেই কাগজটাই আমি দিয়েছি। কিন্তু এটা নিয়ে এভাবে সংবাদ সম্মেলন করবেন ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই, আসলে আমি ভাবতেই পারিনি। তার সব অভিযোগই অস্বীকার করছি। কারণ, কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। তিনি অনেক সম্মানিত মানুষ। আমি ও আমার ল ইয়ার কাঞ্চন ভাইয়ের অফিসে গিয়ে বিষয়টি বিস্তারিত জানিয়েছি। তিনি বলেন, এমনিতে আমাদের শিল্পী সমিতির জন্য শপথ জরুরি না, বরং সেদিন আমাদের সভা বৈধ। সেখানে কোরাম পূর্ণ হয়েছিল।