সুমন ইসলাম বাবু, লালমনিরহাট : লালমনিরহাট পৌরসভার প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত সেন্ট্রাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। প্রতি শুক্রবার একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বসে সেন্ট্রাল ক্লিনিকে। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সকাল ৯ টা থেকে রাত১০ টা পর্যন্ত রোগী দেখেন। ২ জন রোগীর স্বজনের কাছে কথা বলে জানাযায়, ডাক্তারের ভিজিট আলাদাভাবে দিতে হয় এবং বিভিন্ন পরীক্ষা নিরিক্ষার জন্য বিল দিতে হয়। ডাক্তার রোগীকে যেনতেন দেখে নূন্যতম ২ হাজার টাকার টেস্ট লিখে দেয় ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকের সাথে যোগসাজশ করে। টেস্ট থেকে যে টাকা আসে সেই টাকার কমিশন নিয়ে থাকেন ডাক্তাররা। রোগীরা দুর দূরান্ত থেকে আসে ক্লিনিকে, রোগীকে ঘন্টার পর পর ঘন্টা বসায় রাখে তারপর ও ডাঃ এর স্বাক্ষাত মিলে না, যদি ডাক্তারের সাক্ষাত মিলে তাহলে ডাক্তার রোগীকে যেনতেন দেখে বিভিন্নরকম টেস্ট লেখে দেয়, নূন্যতম ৫/৬ টি টেস্টের নাম লিখে দেয় প্রিসকিপশনে।
একজন রোগীর স্বজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, ক্লিনিক মালিকের যেন কসাই খানা খুলেছে বলে আক্ষেপ করে বলেন পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের সজিত হোসেন। তিনি আরও বলেন, ক্লিনিক যেন নয়, কসাইখানা খুলেছে। ডাক্তার বিভিন্ন ধরনের টেষ্টের নাম লিখে দেয়। ফুলবাড়ি ইউনিয়ন থেকে রোগী সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রথমে ডাক্তারের ভিজিট ও টেস্টসহ ১৭০০ টাকা দিয়েছি। সঞ্জিত ২য় সপ্তাহে এসেছি ডাক্তারের ভিজিট ও টেস্টসহ ১৩০০ টাকা বিল হয়েছে আজকে। তিনি আরও বলেন, ক্লিনিকে আসায় বিড়ম্বনার শিকার হয়েছি। একদিকে ডাক্তারের সাক্ষাত নিয়ে ঝামেলা আরেক দিকে ডাক্তারের ভিজিট আলাদাভাবে ও বিভিন্ন রকম টেস্টের ঝামেলা এবং অতিরিক্ত টাকার ঝামেলা নিতে হয়, টাকা ছাড়া কোন কথাই শুনে না, ক্লিনিকের লোকজন স্বাস্থ্যসেবার নামে বিড়ম্বনা। সজীব তার মাকে সকাল ৯ টার সময় নিয়ে আসে ডাক্তারকে ভিজিট দেয় ৫ শত টাকা, টেস্ট লিখে দেয় ১৩০০ টাকার কিন্তু টাকা সাথে নিয়ে আসে নাই এত টাকা বারতি টাকার জন্য বাড়িতে ফোন করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা নিয়ে এসে ক্লিনিক থেকে রোগীকে নিয়ে যায়। ফুলবাড়ি থেকে সঞ্জীত রায় আসে সকালে, ডাক্তারের দেখা মিলে বিকালে, ডাক্তারের ভিজিট ৫ শত টাকা, ও বিভিন্ন ধরনের টেষ্ট দেয় ডাক্তার ১৫০০ টাকার অধিক।