আওরঙ্গজেব কামাল : ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, এ মহাবিশ্বে যিনি বা যারা নেতা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছেন তাঁদের এমন কিছু বিশেষ গুণাগুণ ছিল যা তাঁদেরকে অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র করে তুলেছে।সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত এ বিশেষ গুণাগুণের মাধ্যমেই তাঁরা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে তাঁদের নিজেদের নাম লিখিয়েছেন । শোষিত মানুষের নেতা ‘নেলসন ম্যান্ডেলা’ কিংবা বাংলাদেশী রাজনীতির মডেল জাতির জনক ‘বঙ্গবন্ধু’র জীবনী বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে , নিজ কর্মদক্ষতার বলেই তাঁরা তাঁদের স্ব স্ব স্থানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন । মুক্তবুদ্ধি সম্পন্ন অসাম্প্রদায়িক চেতনা পুষ্ট সমাজ গড়ার লক্ষ্যে ভারতের অবিসংবাদী নেতা ‘মহাত্মা গান্ধী’ কিংবা কিউবার কালজয়ী নেতা ‘ফিদেল কাস্ট্রো’রা সবসময়ই প্রস্তুত ছিলেন । নেতাকে বিশ্লেষণী মনের অধিকারী হতে হবে, নিজের বুদ্ধি-বিবেচনা প্রয়োগের সামর্থ্য থাকতে হবে, পরিস্থিতি সামলাবার মতো মনের জোর, সাহস ও প্রজ্ঞা এবং সর্বোপরি দৃঢ়চেতা হতে হবে।এই হচ্ছে একজন সার্থক বা সফল নেতা কিংবা নেতৃত্বের । নেতৃত্বের যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার ক্ষমতা না থাকে, প্রজ্ঞা ও সাহস না থাকে তাহলে সংকট তীব্র পর্যায়ে যায় । নেতৃত্ব যদি অর্বাচীনের মতো কারও পাতা ফাঁদে পা দেয় তাহলে তো তার পরিণাম ভয়াবহ হতে বাধ্য। নেতা জনগণকে নেতৃত্ব দেবে নাকি জনগণের নির্দেশ মতো চলবে এ এক বিতর্কই বটে!তবে যা সত্য তা এই যে, নেতৃত্বকে জনকল্যাণমুখী, ত্যাগী, সাহসী, বিচক্ষণ এবং দূরদর্শী হতেই হবে। তা না হলে বিপদ পদে পদে ঘনীভূত হবে। পৃথিবীতে যত রকমের কঠিন কাজ আছে সেগুলোর মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়াকে একটি গণ্য করা হয়। একজন নেতা তখনই সফল হিসেবে বিবেচিত হন যখন তিনি তাঁর অধীনস্থ লোকদের ওপর ইতিবাচক ও প্রত্যাশিত উপায়ে প্রভাব বিস্তার করে নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হন। আদর্শ দেশ গড়ার মত নিবেদিত নেতা আছে তাই দেশ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যহত রয়েছে।যার বাস্তব উধারন বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা । যিনি বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে এখনো উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যহত রেখেছে। একটা রাজনৈতিক দলের জন্য অবশ্যই একজন আদর্শ নেতার প্রয়োজন রয়েছে। দেশে এখনো অনেক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নিবেদিত প্রাণ নেতা রয়েছে। তাদের একজন এ্যাড.মোঃ মোতাসিম বিল্লাহ। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নিবেদিত প্রাণ রাজনৈতিক নেতা ও সমাজ সেবক এবং একজন কলম সৈনিক। মেধা ও মননশীলতায় তারুন্যের জয়ধ্বনিতে উচ্চারিত হয় যার নাম । তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন, ছাত্রসমাজের সাথে তার অনুরাগ ভালোবাসা, কমিটমেন্ট, একটি জনপদের পশ্চাৎপদ ছাত্রসমাজের ভাগ্যর উন্নয়নে নিজের সম্পৃক্ততা তাকে নানা মুখী কর্মস্রোতে সম্পৃক্ত করেছে। এই আবেগ এবং ত্যাগ তাকে যেমন মানুষ প্রেমে উজ্জীবিত করেছে পাশাপাশি নিত্য নতুন সৃষ্টিতে তাঁকে তাড়িত করেছে । জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নিবেদিত প্রাণ একজন কলম যোদ্ধা ও সাবেক ছাত্র নেতা এবং বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এ্যাড.মোঃ মোতাসিম বিল্লাহ কে রুপনগর থানার সাধারন সম্পাদক হিসাবে দেখতে চাই এলাকার জনসাধারন ও নেতা কর্মীরা। এ্যাড.মোঃ মোতাসিম বিল্লাহ দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ঢাকা প্রেস ক্লাবের উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সদস্য,বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাবের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান,অধিকার ডেভালপ্টমেন্ট সোসাইটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান,দক্ষিণ অঞ্চল সাংবাদিক ইউনিয়নের উপদেষ্ঠা হিসাবে সুনামের সাথে কাজ করে চলেছেন। এছাড়া তিনি খুলনা থেকে প্রকাশিত খুলনা বার্তা পত্রিকা ও ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সময়ের বাংলাদেশ পত্রিকার যুগ্ন-সম্পাদক হিসাবে সুনামের সাথে কর্মরত রয়েছেন। তিনি শিক্ষা সংগঠন বাংলাদেশ স্টুডেন্টস্ ওযেলফেয়ার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্ঠা হিসাবে রযেছেন। তিনি সর্বদা নিজেকে রাজনীতির পাশাপাশি সমাজের সমস্য নিয়ে সব সময় কাজ করে চলেছেন।তিনি নির্ভীক একজন সফল নেতা ও মোহনীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী তার আচরনে সবাইকে মুগ্ধ। তিনি সুদূরপ্রসারী কল্পনাশক্তির অধিকারী, লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিকল্পনামাফিক একজন নেতা। সংগঠনের সকলের সাথে ও সংশ্লিষ্ট সমাজের সাথে উত্তম যোগাযোগ ব্যবস্থা রযেছে তার । লেখাপড়ার পাশাপাশি গ্রগতিশীল ধ্যান-ধারণার ব্যক্তিত্বে তিনি সবসময় রাজনীতি সচেতনার মাধ্যমে নিজেকে আজ একটি পর্যায়ে নিয়ে দাঁড়িয়েছেন । তিনি লেখাপড়া ও ছাত্ররাজনীতিকে একসূত্রে বেঁধেছেন অত্যন্ত সুনিপুণভাবে। ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতি নিয়েও প্রচুর অধ্যয়ন করেন সবসময় । এ বিষয়ে তার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বসী। দলীয় সিন্ধান্ত আমি মেনে নিতে সবসময় প্রস্তুত।