আশাশুনি প্রতিনিধি : আশাশুনির নাকতাড়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মাতা ও পুত্র রক্তাক্ত জখম হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ৯৯৯ এ ফোন করে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মনিরুজ্জামান ওরফে মনিরুলের স্ত্রী সেলিনা খাতুন জানায়, শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া গ্রামের অর্ধ ডজ্জনাধিক বিয়ের মাজহারুল ইসলাম (৪৫) তার বড় স্ত্রী শাহনেওয়াজ নিশু (৩৫) ছোট স্ত্রী আয়শা বানু (২৫) সহ ১০/১৫ জন লোহার রড, শাবল ও লাঠিসোটা নিয়ে সেলিনার বাড়ীতে ঢুকে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। এতে আহত হয় বাড়ীতে থাকা সেলিনা খাতুন ও তার পুত্র মনিরুল ইসলাম। জানাগেছে, সেলিনা খাতুনের স্বামী মনিরুজ্জামান ঢাকায় রিকশা চালানোর সুবাদে ঢাকায় অবস্থান করছে। বিগত ১ মাস পূর্বে সেলিনা খাতুন তার উঠানে হাসের বাচ্চার পানি খাওয়ানোর জন্য অল্প একটু গর্ত করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাজহারুল ও তার বাড়ীর লোকজন অকথ্য ভাষায় সেলিনা খাতুন সহ পরিবারের লোকজনদের গালিগালাজ করতে থাকে। তারই জের ধরে এদিন মাজহারুল তার আদি বাড়ী শ্রীউলা এলাকা থেকে ১০/১২ জন লোকজন নিয়ে সেলিনার বাড়ীতে অতর্কিত হামলা চালায়। সেলিনা খাতুন ও তার পুত্র মনিরুল ইসলামকে মারপিট করে বাড়ীর আসবাবপত্র ও ক্যাশ বাক্স ভাংচুর করে লুটপাট করে। সেলিনা খাতুন জানায় তার বাড়ীতে দোতলার সাদ ঢালাইয়ের জন্য রক্ষিত ১,৬৫,০০০/- টাকা ও মেয়ের জন্য রাখা এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল ও হাতের রুলী লুটপাট করে নিয়ে যায়। পরে তাদের ডাক চিৎকারে পাশর্^বর্তী লোকজন ৯৯৯ এ ফোন দিলে আশাশুনি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় সেলিনা খাতুন ও তার পুত্র মনিরুল ইসলামকে উদ্ধার করে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে সেলিনার পরিবার সূত্রে জানাগেছে।