মোঃ শাহাদত হোসেন বকুল রংপুর প্রতিনিধিঃ ধুমপান স্বাস্থ‍্যের জন‍্য ক্ষতিকর, ধুমপানের কারনে মৃত্যু হতে পারে। তাছাড়াও এই ধুমপানের কারনে আমাদের মানবদেহে ক‍্যান্সারের মত মরনব‍্যাধি বাসা বাঁধতে পারে। এমনিতেই ধুমপান একটি মারাত্মক ব‍্যাধিতে রুপান্তরিত হতে পারে, তারপর ধুমপানের বস্তুটি যদি নকল ও নিম্নমানের হয় তাহলে তো মরার উপর খরার মত ঘটনা হয়। সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন জায়গায় এসব ধুমপানের দ্রব‍্যগুলো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এসব তৈরী করে। তার মধ‍্যে কিছু নামিদামি প্রতিষ্ঠান এবং কিছু বেনামী প্রতিষ্ঠান ও এসব দ্রব‍্য তৈরী করছে। এসব ধুমপান দ্রব‍্য তৈরি করতে বাংলাদেশ সরকার কে যে পরিমাণ শুল্ক দিয়ে হয় তা না দিয়ে কিছু কিছু শিল্প প্রতিষ্টানেে তৈরী হচ্ছে এসব কমদামি নিম্নমানের দ্রব‍্য। যা একদিকে মানবদেহে না প্রকার রোগের সৃষ্টি করছে আবার অন‍্যদিকে কোটি কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে এসব কোম্পানির মালিকেরা। ফলে রাতারাতি টাকার পাহাড় তৈরীতে ব‍্যস্ত সময় পার করছেন কিছু বেনামী কোম্পানি। সারা দেশ জুড়ে এসব নকল ও ভেজাল কোম্পানির ধুমপান সামগ্রী জনজীবন বির্পযস্ত করে দেশটাকে এক অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করছে। উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে বৃহত্তম রংপুর অঞ্চলে শত শত বিড়ি, গুল, জদ্দা, সিগারেট সারাদেশে সরবরাহ করে থাকে বিভিন্ন প্রতিনিধির মাধ‍্যমে। কিছু কিছু কোম্পানি নামে মাত্র একটি ট্রেড লাইসেন্স বানিয়ে একটি ব‍্যান্ডের নামে বড় বড় কোম্পানির ট্রেড নামে ধুমপানের এসব দ্রব‍্য তৈরি করে রাতারাতি কোটি টাকার মালিক হয়ে যাচ্ছে। অনেক কোম্পানীর দ্রব‍্য তৈরী করার মত পরিবেশ বান্ধব একটি গোডাউন ঘর পযর্ন্ত নেই, তারা নকল ব‍্যান্ডল, নকল লেভেল এবং নিম্নমানের মেটারিয়াল দিয়েই তৈরি করছে এসব মরনঘাতী ধুমপানের বস্তুগুলো। বাংলাদেশ সরকারের প্রায় প্রত‍্যেকটি উপজেলা, জেলায় যদিও কাষ্টম অফিস আছে তথাপিও এসব নকল বিড়ি, গূল, জদ্দা, সিগারেট তৈরী বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না এসব কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঠিক তত্ত্বাবধায়ক মনিটরিং এর অভাবে। এসব কর্মচারী কর্মকর্তাদের উদাসিনতা ও অবহেলায় আজ বাংলাদেশের ধুমপায়ীরা সঠিক মুল‍্য পরিশোধ করেও পাচ্ছে নকল ধুমপানের জিনিসটি। অজানা থেকেই যাচ্ছে ধুমপায়ীদের যে সে আসল ধুমপান করলো না নকল দ্রব‍্য পান করল। আমাদের প্রতিনিধি একটি বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করতে যেয়ে সরেজমিনে দেখতে পায় বাজারে আসল ধুমপানের দ্রব‍্যের পিছনে লুকিয়ে আছে শত কোটি টাকার এসব নকল ও নিম্নমানের ধুমপান দ্রব‍্য। এ ব‍্যাপারে রংপুর জেলার কামাল কাছনা কাষ্টম অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা আস্থথ‍্য করে বলেন যে আমাদের নকল বিরোধী কার্যক্রম অব‍্যাহত রয়েছে, আমরা সর্বাত্বক চেষ্টা করছি এসব নকল ব‍্যান্ডেল, লেভেল ও রমেটেরিয়াল জব্দ করার জন‍্য, আমরা আশাবাদী যদি রংপুরের হারাগাছ সাব কাষ্টম অফিস আমাদের তথ‍্যগুলো দ্রুত দিতে পারে তাহলে অতি শ্রীঘ্রই এসব নকল নিম্নমানের ধুমপান দ্রব‍্য ঠেকাতে পারব বলে আমাদের বিশ্বাস। এখানে উল্লেখ্য যে সারা বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলেই হারাগাছে তৈরী বিড়ি, জদ্দা, গুল, সিগারেট সরবরাহ হয়ে থাকে। আর এরই জন‍্য হারাগাছ বিড়ি, জদ্দা, গুল তৈরি ব‍্যাপকভাবে পরিচিত হয়েছে এই বাংলায়। নিজের ব‍্যান্ডের আড়ালে অন‍্য ব‍্যান্ডকে নকল বানানো যেন হয়ে উঠেছে একটি টেডিশনাল ও প্রফেশনাল কাজ। যার কারনে বাংলাদেশ সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির ফাঁদে আর ক্রেতারাও প্রতারিত হচ্ছে হরহামেশাই। অপরদিকে এক শ্রেনীর অসাধু ব‍্যবসায়ী রাতারাতিই আঙ্গুর ফলে কলাগাছ হয়ে নিজেদের বিত্তবান বানাচ্ছে। এসব নকল ও ভেজাল ধুমপান যদি এভাবে তৈরী হতে থাকে তাহলে এক সময় নকলের ভিড়ে আসল দ্রব‍্যগুলো চিরতরে হারিয়ে যাবে বলে মনে করেন সুশীল সমাজের মানুষ। তাই বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আর্কষন করছি, আপনি আপনার নিয়োগ প্রাপ্ত কাষ্টম অফিসারদের সরাসরি হস্তক্ষেপে এসব নকল ও ভেজাল ধুমপান দ্রব‍্যগুলো যাতে তৈরী করতে না পারে সে বিষয়ে অনুরোধ করেছেন ভুক্তভোগী কোম্পানীর মালিকেরা।