রংপৃর থেকে শাহাদাত হোসেন বকুল : বতর্মান সময়ের একটি আতংকের নাম হলো সড়ক দুর্ঘটনা। যে কোরনে প্রতিনিয়ত অসংখ্য তাজা প্রাণ ঝরে যাচ্ছে অকালে। সড়ক র্দরঘটনা প্রতিরোধে অনেক সংগঠন সোচ্ছার থাকলেও কোন প্রতিকার হচ্ছে না বলে অভিযোগ সর্বসাধারনের। বর্তমানে রংপুর-কুড়িগ্রাম রোডের কিছু কিছু টার্নিং পয়েন্ট হয়ে উঠেছে দুর্ঘটনা জনিত মৃত‍্যুর মরণ ফাঁদে। তারমধ‍্যে যদি কাউনিয়া উপজেলা থেকে ধরা যায় প্রথমেই তিস্তা ব্রীজের পশ্চিম পাড়ের রাজেন্দ্র বাজারের নাম উঠে আসে, এই তো কিছদিন পুর্বের ঘটনা বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর এক চৌখস কন্সটেবল এর মর্মস্পর্শি মৃত‍্যুর মানবজাতির চোখের পানি আড়ালের আগেই, পীরগাছা উপজেলার নব্দীগন্জ্ঞ এলাকায় আবারও ঝড়ে গেল কয়েকটি প্রান। তার কিছুদিন পরেই আবারও মীরবাগ বাস স্টান্ডের দুর্ঘটনা জাতীকে আরও ভাবাতে শুরু করেছে। কারো হাতের মেহেন্দীর লাল রং মিশিয়ে যাওয়ার আগেই এভাবেই ঝড়ে যাচ্ছে অনেক প্রান, নব বধু বসে আছে তার সবচেয়ে আপন জন আসছে প্রিয়জনের কাছে কিন্তু দুর্ঘটনা নামক মরণ কামরের স্বীকার এই সব মানুষের প্রান যাচ্ছে হরহামেশাই কিছু বেপরোয়া যান চলাচলের কারনে, চালক ও হেলপারের উদাসীনতা, অসাবধানতাবশত মানুষের শরীরের উপর দিয়ে চালিয়ে মহা মানব সাজতে ব‍্যস্ত এসব আন কোয়ালিফাইড ড্রাইভার। যাদের একটু অসাবধানতার জন‍্য প্রায় প্রতিদিনই খালি হয়ে যাচ্ছে কোন না কোন পথ চেয়ে থাকা মা, বাবার কোল। এরই প্রতিবাদে ২৩/০২/২২ ইং তারিখে মীরবাগ বাসস্টান্ডে এক প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধ
অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা, বাদল, মিঠু, মীম সহ অনেকে । মানব বন্ধনে অংশগ্রহণ কালে সকলের একটাই দাবী আর একটি প্রান ঝড়ে যাওয়ার আগেই সকলকে এই দুর্ঘটনা ঘাতকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে জনমনে সচেতনতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা সকলেই দুর্ঘটনার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলি। আর কোন প্রান ঝড়ে যাওয়ার আগেই সচেতন হই। নিরাপদ সড়ক ও নিরাপদ গতিতে গাড়ি চালিয়ে বাংলাদেশ সরকার কে সহযোগিতা করি।