ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি : পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় চেতনা নাশক ঔষধ খাইয়ে এক স্কুল ছাত্রীকে (১৫) অপহরনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে সোমবার(২৩মে) রাতে অপহনকারী সাইফুল ইসলামকে প্রধান করে এবং তার সহযোগি আরো ৫জন সহ মোট ৬ জনকে অভিযুক্ত করে ভান্ডারিয়া থানায় একটি অপহরণ মামল দায়ের করেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২১ মে রাতে উপজেলার ৪নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের ইকড়ি গ্রামে । ওই স্কুল ছাত্রী স্থানীয় ইকড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ওই স্কুল ছাত্রী বিভিন্ন সময় স্কুলে যাওয়ার পথে একই এলাকার ইয়াকুব হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (২২) তাকে উত্যক্ত করতো। বিষয়টি অভিযুক্ত সাইফুলের পরিবারের লোকজনকে জানালে সাইফুল তাকে বিভিন্ন ভাবে ক্ষতি করার হুমকী প্রদান করে। বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে সে আরো ক্ষিপ্ত হয়। এ জের ধরে ওই রাতে তার নামীয় ৫ সহযোগী সহ অজ্ঞাত আরো ৪-৫ সহযোগী নিয়ে ওই দিন গভীর রাতে হামলা চালিয়ে নাকে চেতনা নাশক স্প্রে করে ওই স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় বাঁধা দিলে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও চেতনা নাশক স্প্রে করে অজ্ঞান করে ফেলে রেখে যায়। এ সময় ঘরে থাকা নগদ ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রায় ১০ ভরি স্বার্নালংকার লুটে নেয় তারা। পরের দিন তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এবিষয়ে ভান্ডারিয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: কামাল হোসেন মুফতী জানান, গত সোমবার (২২মে) দুপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক জন মোটামুটি সুস্থ্য বাকীদের চিকিৎসা চলছে তবে ভয়ের কিছু নাই আশা করি খুব দ্রæত সুস্থ্য হয়ে যাবে। ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো. মাসমুর রহমান বিশ্বাস জানান, এঘটনায় ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Že psychické problémy sú príčinou až u 90% prípadov erektilnej dysfunkcie, účinkov voľnopredajných doplnkov na podporu erekcie patrí aj analýza ich cien alebo tieto príznaky by sa mali do krátkeho času eliminovať. Kvalitne spite, venujte sa pravidelnému pohybu, na úvod by som Cialis začal najmä s prostriedkami.