সৈয়দ শওকত হোসেন,বাগেরহাট প্রতিনিধি : বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে নিহত ও নিখোঁজ ৬ জেলের পরিবারকে আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবা দুপুরে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অসহায় পরিবারের হাতে নগদ টাকার চেক ও খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন কচুযা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার। নিহত প্রত্যেক পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ হাজার ও বাগেরহাট-২ আসনের এমপি শেখ সারহান নাসের শেখ তন্ময়ের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়।
বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবরে পড়ে নিহত জেলে মো. শহিদুল ইসলামের স্ত্রী অহিদা বেগম, মো. ইয়াকুব বাওয়ালীর স্ত্রী কাকলী আক্কার, মহিদুল ইসলামের স্ত্রী মোর্শেদা বেগম, মো. আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাশিদা বেগম, মো. রুহুল আমিন হাওলাদারের স্ত্রী মোসা. রুমিচা বেগম এবং নিখোঁজ আবু বক্কর মোল্লার স্ত্রী লামিয়া বেগম নগদ টাকার চেক ও খাদ্য সহায়তা গ্রহন করেন।
অনুদান বিতরন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিনাত মহল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম খোকন, আওয়ামী লীগ নেতা শিকদার কামরুল হাসান কচি, কচুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাজরা সেলিম রেজা, কচুয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার হাদিউজ্জামান, ধোপাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. মকবুল হোসেন, কচুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইদুজ্জামানসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় আকষ্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে ২৫টি ট্রলার ডুবে ২৭ জেলে নিখোঁজ হয়। বুধবার দুপুর পর্যন্ত ৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ৬ জেলে নিখোঁজ রয়েছে। নিহত জেলেদের মধ্যে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের নিহত ৪ জন, মঘিয়ার আন্ধারমানিক গ্রামের ১ জন জেলেসহ ৮ জেলের লাশ উদ্ধার হয়েছে। এখনো কচুয়ার বগা এলাকার ১ জেলে নিখোঁজ রয়েছে।