মীর জেসান হোসেন তৃপ্তী : আমি এখনো সাধারণ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। এফডিসিতে নিপুণ বহিরাগত ছেলেদের নিয়ে এসে গায়ের জোরে সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসেছেন, এ কারণে আমি আইনি প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছি। ১৭৬ জন ভোটার আমাকে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। এর সম্মান আমাকে রাখতেই হবে।রবিবার এক প্রতিক্রিয়ায় এ সব কথা বলেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। এদিকে
শপথ গ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শিল্পী সমিতির ২০২২-২০২৪ মেয়াদের দায়িত্ব বুঝে নিলেন সভাপতি পদে জয়ী ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক নিপুণ। আজ রবিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় এফডিসিতে উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে তাকে শপথ পাঠ করিয়েছেন সংগঠনটির প্রাক্তন সভাপতি মিশা সওদাগর। এরপর নিয়ম অনুযায়ী সমিতির অন্যান্য নির্বাচিত নেতাদের শপথ পাঠ করিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।কেউ কেউ মনে করছেন- শপথ অনুষ্ঠানে মিশা সওদাগর যোগ দিয়ে কার্যত কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলকে সমর্থন দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। তিনি বলেছেন, ‘তার অন্তত আমার সাথে যে অন্যায় হয়েছে সেটা নিয়ে বলা উচিত ছিল।
জায়েদ খান বলেছেন, এফডিসিতে বহিরাগত ছেলেদের নিয়ে এসে নিপুণ গায়ের জোরে সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসেছেন দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘গত দুই দিন এফডিসিতে শত শত বাইরের মানুষ আনা হয়েছে। পেশিশক্তি দেখিয়ে নিজেকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করলেই কি সেটাই কার্যকর হয়ে যাবে? এফডিসিতে সৃজনশীল কাজ হয়। সিনেমা, শিল্পের কাজ হয়, এখানে এত বহিরাগত ছেলে, ওরা কারা?’ঘোষণার আগের রাতেই রাজধানীর বনানীর একটি রেস্তোরাঁয় নীলনকশা করা হয়েছে দাবি করে জায়েদ খান বলেন, অবৈধভাবে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে যেন শপথ না করানো হয় এ জন্য আমি সোহানুর রহমান সোহান ও মোহাম্মদ হোসেনকে আজকেও (রবিবার) আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে। তাঁরা কেউ আইন মানছেনই না। এখন আমার একটাই পথ, আইনি প্রক্রিয়ায় লড়াই চালিয়ে যাওয়া।