নিজস্ব সংবাদাতাঃ নারায়ণগঞ্জের বন্দরে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয় ইউপি মেম্বার ও তার লোকজন। ২৫ এপ্রিল সোমবার সকালে উপজেলার মুসাপুর ইউনিয়নের চর ইসলামপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হচ্ছেন মোঃ আসাবুদ্দিন(৫৫) ও তার স্ত্রী পারভীন বেগম(৪০)। আহতদের মধ্যে আসাবুদ্দিন মিয়াকে গুরুতর অবস্থায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আহত আসাবুদ্দিন বাদী হয়ে সোমবার দুপুরে ইউপি মেম্বার মাহাবুবসহ ৮জনকে আসামী করে বন্দর থানায় একটি লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চর ইসলামপুর গ্রামের মৃত সোহরাব আলী প্রধানের ছেলে আসাবুদ্দিন মিয়ার সঙ্গে স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাহাবুব মেম্বার গংয়ের দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তা নির্মাণ সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সোমবার সকালে আসাবুদ্দিন তার নিজ জমিতে ঘর নির্মাণকালে মাহাবুব মেম্বারের নির্দেশে তারই চাচাতো ভাই নুরুল আমিন মিয়ার ৩ ছেলে যথাক্রমে এনায়েতউল্লাহ,হাবিবুল্লাহ ও আমানউল্লাহ এবং একই এলাকার রহমউদ্দিনের ছেলে খোরশেদ ও সলু প্রধানের ছেলে আবুল কাশেম ওরফে কাশু মৃত লতিফ মাষ্টারের ছেলে ইয়ানবী সংঘবদ্ধ হয়ে আসাবুদ্দিনের ঘর নির্মাণ কাজে বাধা দেয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি থেকে হাতাহাতিতে রূপ নিলে এক পর্যায়ে মাহাবুব মেম্বারের নির্দেশ ১নং বিবাদী এনায়েতউল্লাহ তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আসাবুদ্দিনের মাথায় কোপ দিলে আসাবুদ্দিন রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাকে উদ্ধারে স্ত্রী পারভীন বেগম এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাকেও বেদম মারধর করে তার গলায় থাকা ১ভরি ওজনের একটি স্বার্ণের চেইন ও হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেয়। পরে আহতদের ডাক চিৎকারে আশ পাশের লোকজন ছুটে হলে হামলাকারীরা দ্রুত সটকে পড়ে। সম্পত্তি ফিরে পেতে ও

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মুসলিম খানের থানায় অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদাতাঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার হাজীপুর এলাকার মৃত মুসলিম খানের পরিবারের জায়গা সম্পত্তি ফেরত পেতে ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের
করেন, নিঃসন্তান মুসলিম খান’র ছোট ভাই দুলাল খান’র স্ত্রী শাহানাজ বেগম
(৫৫)। জানা যায়, গত ৯ অক্টোবর ২০১৯ ইং সনে মুসলিম খানের
দুঃসম্পর্কের মামাতো ভাই কবির হোসেন ১টি মামলা দায়ের করেন সোহেল গংয়ের
বিরুদ্ধে এতে ৩ নং বিবাদী করা হয় সোনিয়া আক্তারকে। উক্ত মামলার পিবিআই’র
তদন্তের রিপোর্টে বলা হয়, মুসলিম খানের শারীরিক সমস্যা আছে। রিপোর্টে আরো প্রকাশ পায়, মুসলিম খান তার শারীরিক অক্ষমতার চিকিৎসা করার পরও কোন আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় বিবাহের ৪ মাস পর সৌদি আরব চলে যায়। এর ৫ বছর পর ২০১৯ সালে দেশে আসে মুসলিম খান। প্রায় ২ সপ্তাহ অবস্থান করার পর সোনিয়া আক্তার উপলব্ধি করে তার শারীরিক অক্ষমতা সুস্থ হয়নি, এ নিয়ে মুসলিম খান ও সোনিয়ার মাঝে ঝগড়া বিবাদ ঘটে, ঝগড়া বিবাদের এক পর্যায়ে ক্ষোভে সোনিয়া তার নানির বাড়ি চলে যায়। এ ব্যাপারে স্থানীয় ভাবে কয়েক দফা সালিশ দরবার হলেও কোন সুরাহা করতে পারেনি স্থানীয় মাদবরগন। অতঃপর সোনিয়া অক্ষম মুসলিম খানকে ৫ এপ্রিল ২০২০ সালে কাজী অফিসে গিয়ে রেজিঃ করে একতরফা ভাবে তালাক প্রদান করেন। দুঃখে কষ্টে গত বছর ৪ জানুয়ারী সৌদি আরবে কর্মরত অবস্থায় মুসলিম খান মৃত্যুবরণ করেন। (এই লাশ এখনো সৌদি আরব হিমাগারে রক্ষিত আছে) অত:পর মুসলিম খানকে তালাক দিয়ে বগুড়া নিবাসী মো. মিলন (৩৫) নামের একজন ব্যাক্তিকে বিয়ে করে ঘর সংসার করেন। বিয়ের পর সোনিয়া এবং মিলনের সংসারে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল এক কন্যাসন্তান
জন্মগ্রহণ করে, তার নাম ওমাইয়া বর্তমানে তার বয়স ১৩ মাস। সোনিয়া আক্তার মুসলিম খানকে স্বেচ্ছায় তালাক দিয়ে অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে অন্যের সন্তানকে মুসলিম খানের সন্তান দেখিয়ে তার সম্পত্তি নিজ নামে খারিজ করিয়ে নেন। বর্তমানে উক্ত মুসলিম খানের জায়গা সম্পত্তি দখল করার জন্য বিভিন্ন মহলে দৌড় ঝাপ শুরু করছেন এবং বিভিন্ন
সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন নিয়ে মুসলিম খানের পরিবারের ওয়ারিশদের গ্রাম
ছাড়া করার এবং মামলা-মোকাদ্দমা দেওয়ার হুমকি প্রদান করায় মুসলিম খানের
আত্মীয়-পরিজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।এ ব্যাপারে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যাহার নং ৭৯৬ তাং ১৯/৪/২২ইং