ফিরোজ আহম্মেদ কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে উইকেয়ার ফেজ-১ এর আওতায় ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক (এন-৭) উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য পরিবেশ ও সামাজিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে কালীগঞ্জ পৌরসভার অডিটরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে প্রকল্প ব্যবস্থাপক তানিমুল হক, জমি অধিগ্রহণ পরামর্শক মোশাররফ হোসেন, পরিবেশ ও সামাজিক বিষয়ক টিম লিডার আসাদুজ্জামান চৌধুরি, সামাজিক বিশেষজ্ঞ ওয়াজেদ আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফরিদ উদ্দিনসহ সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা বক্তব্য রাখেন ।
সভায় ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের ৪৮ কিলোমিটার রাস্তা ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রসঙ্গে জনসাধারণের বক্তব্য গ্রহণ করা হয় এবং জমি অধিগ্রহণ কিভাবে করা হবে সে বিষয়েও আলোচনা করেন বক্তারা। এছাড়াও জমি অধিগ্রহনের ব্যাপারে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তারা। এই মহাসড়ক উন্নয়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা।মত বিনিময় সভায় পৌর মেয়র আশরাফুল আলম বলেন, ঝিনাইদহ থেকে যশোর মহাসড়ক (এন-৭) উন্নয়ন এটা একটা মেগা প্রকল্প। আর এসকল উন্নয়ন করা যার দ্বারই সম্ভব হয় তিনি হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। আমি স্বিকার করছি ছয় লেনের এই মহাসড়ক নির্মানের কারনে অনেক মানুষ বেকার হবে। ভাংতে হবে বড় বড় স্থাপনা তাতে ক্ষতি হবে মানুষের কোটি কোটি টাকা। পাশাপাশি যে জাতি উন্নত জীবন যাপন করতে চায় সে জাতিকে উন্নত জাতীকে উন্নত জীবনযাপন করার ব্যবস্থা করে দেওয়া দায়িত্ব রাষ্ট্রের। আমরা চাই উন্নয়ন সহজ যোগাযোগ কিন্তু উন্নয়ন আর যোগযোগ জনগনকে সাথে নিয়েই করতে হবে। জনগনই যদি না থাকে তাহলে উন্নয়ন করে কি হবে। তাই জনগনের স্বার্থও যাতে বর্জায় থাকে সেদিকটাও আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।প্রধান অথিতির বক্তব্যে এমপি আনার বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সব সময় দেশ ও জাতীর কল্যানে কাজ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কে ছয় লেনে উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি এই সড়কের পাশে যে সকল ইমারতের মালিক কর্মচারী আছে তাদের কথাও মাথায় রেখে এই কাজ সম্পন্ন করা হবে। এই মহাসড়কের জন্য যে সকল মালিকগন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন তাদের ক্ষতিপূরন দেওয়ার কথাও মাথায় রেখে কাজ করা হবে। এই মহাসড়কের উপওে যে সমস্থ ধর্মিও প্রতিষ্ঠান আছে সেগুলো স্থানান্তর করে আবার সেই রকমই স্থাপনা করে দেওয়া হবে। এই সড়ক নির্মান করা হলে উন্নত হবে এই অঞ্চলের যোগাযোগ এবং বানিজ্য ব্যবস্থা। এই সড়ক হবে ঝুকিমুক্ত নিরাপদ একটি সড়ক যা উপভোগ করবে আগামী প্রজন্ম।