ডেস্ক রিপোর্ট : টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট হওয়া এবারের এশিয়া কাপে সুপার ফোরে ওঠাকেই বড় অর্জন হিসেবে দেখছিল তিনবারের ফাইনালিস্টরা। কিন্তু পর পর দুই ম্যাচেই হেরে গ্রুপ পর্ব থেকে শূন্য হাতে বিদায় নিয়েছে সাকিব নেতৃত্বাধীন দল। প্রথম ম্যাচে আফগানদের কাছে ৭ উইকেটে হারার পর বৃহস্পতিবার লঙ্কানদের কাছে টাইগাররা হেরেছে ২ উইকেটে। ম্যাচ হারের কারণ হিসেবে বোলারদের অনিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পাশাপাশি রিভিউ বিভ্রাটকেও দোষারোপ করা হচ্ছে।বিশেষ করে লংকান ব্যাটার কুশল মেন্ডিসের বেলায় একটি রিভিউ না নিয়ে তাকে জীবন পাইয়ে দেন সাকিব। ৩২ রানে ব্যাট করছিলেন মেন্ডিস তখন। আর সেই মেন্ডিসই ৬০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ম্যাচ জেতান।যে কারণে ওই রিভিউ না নেওয়ার আক্ষেপে পুড়তেই পারেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে কেন সেই রিভিউ নিলেন না সে প্রশ্ন উঠে। জবাবে সাকিব জানান, তাকে রিভিউ নেওয়ার কথা বলেনি কেউ। এ নিয়ে ম্যাচ শেষে হতাশা ঝরেছে অধিনায়কের কণ্ঠে।সাকিব বলেন, ‘কেউই শুনেনি আসলে। এখন কি বলব। আমি তো কাভারে ছিলাম, আমি শুনতে পাইনি। পয়েন্টে যে ছিল, শর্ট মিড উইকেটে যে ছিল কেউই বলেনি যে ভাই, নেন রিভিউটা। বা ভাই রিভিউটা নেওয়া যেত। বোলার থেকে শুরু করে কেউই বলেনি।
মূলত: রিভিউ নিলে সাজঘরে ফিরতেন মেন্ডিস। ৮ম ওভারের ৫ম বলে এবাদত হোসেনের ডেলিভারিটি খেলতে পারেননি মেন্ডিস। তা মুশফিকুর রহিমের কিপিং গ্লাভসে জমা পড়ে। মুশফিক প্রথমে আবেদন করেন। আম্পায়ার তাতে সাড়া দেননি। দৌড়ে এসে সাকিব নিশ্চিত হতে চান কোনো শব্দ শোনা গেছে কি না। ইশারায় মুশফিক জানান, বল ব্যাট বা গ্লাভসে লাগার মতো কোনো শব্দ তার কানে আসেনি। বোলার এবাদতও একই কথা জানান। যে কারণে রিভিউ নেননি সাকিব। পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, ঠিকই আউট ছিলেন মেন্ডিস।