নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় মহিলা আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত: ০৩-০৩-২০১৭, সময়: ১৪:২২ |
Share This

প্রায় ১৪ বছর পর আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন। ফলে নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছে সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন করার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি আশরাফুন্নেসা মোশাররফ।

রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শনিবার সকাল ১১টায় আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। তিনিই (প্রধানমন্ত্রী) প্রধান অতিথি থাকবেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পীনু খান।

এর আগে ২০০৩ সালের ১২ জুলাই মহিলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সম্মেলনে আশরাফুন্নেসা মোশাররফ সভাপতি ও পিনু খান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিল। দীর্ঘ দিন ধরে নেতৃত্বের পরিবর্তন না আসায় সংগঠন ঝিমিয়ে পড়েছে বলেও অভিযোগ করে আসছেন একাধিক নেত্রী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের এক নেত্রী বলেন, ১৪ বছর ধরে ওনারাই নেতা। তাহলে কিভাবে অন্যরা সংগঠন করতে উৎসাহ পাবে। নেতৃত্বের পরিবর্তন না আসায় সংগঠন ঝিমিয়ে পড়েছে। সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলছে মহিলা আওয়ামী লীগ। তবে এই সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনের স্বার্থে নতুন নেতৃত্ব আসবে বলে আশা করছি।

এই সম্মেলন নিয়ে শুক্রবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ১১তম জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা এগুচ্ছি। আধুনিক একটা সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়ে আমরা নির্বাচনী লড়াইয়ে যে অংশ নিতে পারি এমন পরিকল্পনার অংশ হিসাবেই, আমাদের যে সব সহযোগী সংগঠনের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তার সম্মেলন করতে যাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, প্রথমে আগামীকাল হবে মহিলা আওয়ামী লীগের আর ১১ মার্চ যুব মহিলা লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ বছরের মধ্যে আমরা আমাদের অসমাপ্ত সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন এবং দলের নিম্ন পর্যায়ের যেসব কমিটি এখনও পূর্ণাঙ্গ হয়নি সেগুলো সমাপ্ত করবো।

সংগঠনটির সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে  বলেন, সারা দেশে মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থা বেশ দুর্বল। এ অবস্থায় ভাল নেতৃত্ব আসবে এটাই আশা করি, যারা সংগঠনকে শক্তিশালী করে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহায়কের ভূমিকায় কাজ করবে।

সম্মেলন নিয়ে মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পিনু খান  বলেন, নেত্রী (শেখ হাসিনা) আমাকে সংগঠনের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আমি সংগঠনের জন্য কাজ করেছি। কাদের হাতে পরবর্তী নেতৃত্ব আসবে সেটা নেত্রী ভালো জানেন। আমরা সম্মেলন প্রস্তুতির সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।

সারা দেশ থেকে প্রায় ছয় হাজার নেতাকর্মী সম্মেলনে আসবেন জানিয়ে তিনি বলেন, কেআইবিতে জায়গা সংকুলনের কারণে আমরা অর্ধেক হয়তবা ভিতরে প্রবেশ করতে দিতে পারবো।

Leave a comment

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে