বাগেরহাটে সেই আত্মসমর্পণকারী বনদস্যুদের চাহিদা অনুযায়ী ঘর-নৌকা-গবাদিপশু হস্তান্তর

প্রকাশিত: ০১-১১-২০২১, সময়: ১০:১৪ |
Share This

সৈয়দ শওকত হোসেন,বাগেরহাট: সুন্দরবনের আত্মসমর্পণকারী জলদস্যুদের
পুনর্বাসন করতে ঘর, মুদিখানার দোকান , নৌকা ও জাল সহ গবাদিপশু হস্তান্তরকরা হয়েছে। দস্যুমুক্ত সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে সোমবার (১ নভেস্বর) বেলা১২টায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মাঠেস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আনুষ্ঠানিকভাবে এসব পুনর্বাসনউপহার বিতরণ করা হয়।এসময়, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, সরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ সামসুল হক টুকু, এমপি,সদস্য পীর ফজলার রহমান,খুলনা ২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাউদ্দিন,সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য গ্লোরিয়া ঝর্না সরকার, সরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. বেনজির আহমেদ, র‍্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আলমামুন, র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল কে এম আজাদ।এদিন, ১০২ টি ঘর, ৯০ টি মুদিদোকান (মালামালসহ), ১২টি জাল ও মাছ ধরারনৌকা, আটটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা এবং ২২৮ টি গবাদিপশু (বাছুরসহ) প্রদান করাহয় স্বাভাবিক জীবনে ফেরা দস্যুদের মধ্যে।সম্প্রতি পুনর্বাসন চাহিদা সমীক্ষা চালিয়ে আত্মসমর্পণ করা জলদস্যুদের একটি তালিকা তৈরি করে র‌্যাব। আত্মসমর্পণকারীদের চাহিদা অনুযায়ী এসবসহায়তা দেওয়া হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকামাল। বিশেষ অতিথি রয়েছেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুলখালেক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শামসুল হক টুকু, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. হাবিবুর রহমান ওস্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পীর ফজলুররহমান। এছাড়াও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামালউদ্দীন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমদ।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস)কর্নেল কে এম আজাদ।বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন। এর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবেজড়িয়ে রয়েছে উপকূলীয় অধিবাসীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের জীবন ও জীবিকা।জীবিকা নির্বাহের ক্ষেত্রে ২০১৮ সালের আগে তাদের বড় আতঙ্ক ছিল জলদস্যু ওবন দস্যুদের উৎপাত। একই বছর র্যাবের কাছে সর্বমোট ৩২টি দস্যু বাহিনীর ৩২৮জন আত্মসমর্পণ করেন। এসময় ৪৬২টি অস্ত্র, ২২ হাজার ৫০৪ রাউন্ড গোলাবারুদজমা দেয় জলদস্যুরা।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে