চলাচলের অনুপযোগী রাজাপুর সদরে বেইলি ব্রিজটির বিষয়ে কোন দপ্তরের কেউ জানেন না

প্রকাশিত: ১৩-১০-২০২১, সময়: ০৩:৫৩ |
Share This

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :  ঝালকাঠির রাজাপুর সদরে প্রবেশের একমাত্র মাধ্যম বাগরি বেইলি ব্রিজটির মালিকানা কোন দপ্তরের জানেনা কেউ। দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কারের অভাবে পড়ে থাকা এ বেইলি ব্রিজটি চলাচলের প্রায় অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে।অথচ এই ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন কয়েকহাজার লোকে ঝুকি নিয়ে যাতায়াতসহ যানবাহন চলাচল করে।প্রায় বছর ধরে এ বেইলি ব্রিজটি সংস্কার বিহীন পড়ে থাকলেও কোন দপ্তর সংস্কারে এগিয়ে না আসায় জনমনে একটাই প্রশ্ন এলজিইডি না আরএইচডি ব্রিজটির মালিকানা আসলে কার?রাজাপুর উপজেলা সদরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত এ বাগরি বেইলি ব্রিজটি নব্বইয়ের দশকে নির্মিত হয়। এরপর এই বেইলি ব্রিজে গত ত্রিশ বছরে আর কোন সংস্কার লাগেনি। প্রায় বছর খানেক আগে এই ব্রিজের পাটাতন নষ্ট হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয় । কিন্তু সংস্কারে কেউ এগিয়ে না আসায় রাজাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজ উদ্দোগে ব্রিজের কয়েকটি পাটাতন সংস্কার করেন। এরপর কিছুদিন এ বেইলি ব্রিজটি যান চলাচলে উপযোগী ছিল। হঠাৎ করে গত পনেরদিন আগে নতুন করে আবার আরও কয়েকটি পাটাতনে গর্ত দেখা দেয়।বাগরি ব্রিজ এলাকার বাসিন্দা মাহবুবুর রহমান বলেন, বেইলী ব্রীজটির ¯িøপারগুলো পুরনো হয়ে গেছে।¯িøপার গুলোর বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত হয়ে রয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, প্রশাসনের নাকের ডগায় থাকলেও ব্রীজটির সংস্কার হচ্ছে না।অথচ এ ব্রীজটি দিয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ডসহ প্রতিদিন শতশত যানবাহন চলাচল করে। প্রতিদিন এই ভাঙ্গা ¯িøপারের গর্তে রিক্সা, ভ্যান, মটর সাইকেল, সহ যানবাহনের চাকা ঢুকে দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। কিছুদিন আগে রাজাপুর থানার ওসি ব্যক্তিগত অর্থায়নে বেইলী ব্রীজের কিছু সংস্কার করেছিলেন। এবার ভাঙ্গা অবস্থায় প্রায় পনেরদিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কেউ সংস্কার কাজে এগিয়ে আসেনি।আর এক বাসিন্দা রহমত উল্লাহ বলেন,ব্রিজটির উত্তর পাড়ে কয়েকটি শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।প্রতিদিন কয়েকশত কোমলমতি শিশু এই ব্রিজের উপর দিয়ে চলাচল করে।দূর্ঘটনা এড়াতে অবিভাবকরা শিশুদের কোলে নিয়ে ব্রিজ পার হয়।শীঘ্রই এ বেইলি ব্রিজটি সংস্কার করা দরকার।এলজিইডি রাজাপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম মস্তোফা বলেন,ব্রিজের দুই দিকের রাস্তা আমাদের হলেও এই বেইলি ব্রিজ আমাদের দপ্তরের করা না।কেননা,এলজিইডি কংক্রিটের ছাড়া ষ্টিলের ব্রিজ কখনোই করেনা। এ ব্রিজ সড়ক ও জনপথ বিভাগের।ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন বলেন, রাস্তা এলজিইডি বা রোডস যারই হোকনা কেন যখন হস্তান্তর হয়েছে তখন ব্রিজসহ এলজিইডি দপ্তরে হস্তান্তর হয়েছে।এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী হয়তো বিষয়টি জানেনা। এখানে আমাদের কোন দায়িত্ব নাই।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে