কন্দজাতীয় ফসল চাষ করে ভাগ্য বদলাছে মণিরামপুরের কৃষকরা

মো: মনোয়ার হোসনে, মণরিামপুর (যশাের) প্রতনিধি : সব্জী চাষ আমাদের দেশে বরাবরই আছে। এজন্য সবজিকে উচ্চ মূল্যের ফসল হিসাবে বিবেচনা করে অনেক অগ্রগামী চাষি লাভবান হয়েছেন। আর যদি অসময়ে সব্জী উৎপাদন করা হয় তাহলে তো কোন কথাই নেই। গ্রীম্ম ও র্বষা কালে বাজারে সব্জীর প্রাপ্যতা একটু কম থাকে আর এ কারণে এই সময় যারা সব্জী চাষ করেন তারা একটু বেশী লাভ করে থাকেন । এসময় বাজারের অধিকাংশ জায়গা দখল করে থাকে পানিকচু, লতিকচু, কচুরমুখি এবং ওলকচু। এ জাতীয় সব্জীর ফলন অনেক বেশি, খেতে সুস্বাদু, রোগ পোকামাকড়ের আক্রমণ কম, অনেক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন, এবং বাজার দর বেশি থাকায় চাষিদের মধ্যে এ ফসল চাষের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মহাদেবপুর গ্রামের বিধান বিশ্বাস গত বছর ১০ কাঠা জমিতে লতিকচুর চাষ করে ৬০ হাজার টাকা লাভ করেছিলেন। এবছর তিনি দেড় বিঘা জমিতে লতিকচু এবং ১০ কাঠা জমিতে পানিকচুর চাষ করেছেন, ইতিমধ্যে এক লক্ষ টাকার লতি বিক্রি করেছেন এবং আরো দেড় লক্ষ টাকার সবজী বিক্রির আশা করছেন। একই ভাবে ভোজগাতি ইউনিয়নের কর্ন্দপুর গ্রামের মোঃ শেখ আব্দুল ৩ বিঘা জমিতে মুখিকচুর চাষ করেছেন , আর এক সপ্তাহ পরে তিনি মুখি বিক্রি করতে পারবেন, তার জমি থেকে তিনি ৩ লক্ষ টাকার সব্জী বিক্্ির করতে পারবেন বলে আশা করছেন। ইতিমধ্যে সরকারের ”কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প” থেকে ট্রেনিং এবং উপকরণ সহায়তা পেয়েছেন।উপজেলা কৃষি অফিসার হীরক কুমার সরকার জানান, মণিরামপুরে ২৫০ হেক্টর জমিতে কচুজাতীয় সব্জীর আবাদ হয়েছে। চাষিদের ”কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প” থেকে চাষাবাদ প্রযুক্তির উপর প্রশিক্ষণ সহ উপকরণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Comments are closed.

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক ও প্রকাশক : ডাঃ আওরঙ্গজেব কামাল
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : ইজ্ঞি: মোঃ হোসেন ভূইয়া।
বার্তা সম্পাদক : জহিরুল ইসলাম লিটন
যুগ্ন-সম্পাদক : শামীম আহম্মেদ

ঢাকা অফিস : জীবন বীমা টাওয়ার,১০ দিলকুশা বানিজ্যিক (১০ তলা) এলাকা,ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ ০১৭১৬-১৮৪৪১১,০১৯৪৪২৩৮৭৩৮

E-mail:dnanewsbd@gmail.com

ওয়েবসাইট নির্মানে: আইটি হাউজ বাংলাদেশ