আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনীতে দেদারসে চলছে ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজি ও টোকেন বাণিজ্য!

প্রকাশিত: ০২-০৩-২০১৭, সময়: ১০:৪৮ |
Share This
বিশেষ প্রতিনিধিআনোয়ারা চাতরী চৌমুহনীতে নায়ক বনে যাওয়া কর্তব্যরত এ.টি.এস.আই মোজাম্মেল হকের বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও টোকেন বানিজ্য অতিষ্ট সি.এন.জি চালকরা। গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার জুমার নামাজ আদায়ে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। পথিমধ্যে চাতরী চৌমুহনী বাজার এলাকায় আসলে এক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটে আটকে যায় উনার গাড়ী। এ সময় প্রতিমন্ত্রী নিজেই গাড়ি থেকে নেমে যানজট সরানোর কাজে লেগে যান। তখন দায়িত্বে অবহেলার জন্য তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ট্রাফিক কনেস্টবল কায়েসকে বদলির নির্দেশ দেন। নির্দেশের পরে বর্তমান দায়িত্বরত এ.টি.এস.আই মোজাম্মেল হক ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব গ্রহনে আবার নতুন করে শুরু হল চাঁদাবাজি ও টোকেন বাণিজ্য, যার ফলে পিএবি সড়ক চালকদের ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে। তার স্বাক্ষরিত প্রতিটি টোকেনে মূল্য=২০০/-(দুই শত) টাকা। এ.টি.এস.আই মোজাম্মেল হক এর নেতৃত্বে ৫,০০০ হাজার গাড়ির জন্য নতুন করে টোকেন ছাড়া হয়েছে বলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়। আনোয়ারা, বাঁশখালী,ও চন্দনাইশের কিছু সি.এন.জি ড্রাইভারের সাথে কথা বলে জানা যায় আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনী বাজারের যানজটের মূল কারন হল গাড়ি থামিয়ে ট্রাফিক কনেস্টবলের মাধ্যমে চাঁদাবাজি,আদায়। অত্যন্ত সুকৌশলে এই কাজটি করেন এ.টি.এস.আই মোজাম্মেল হক। ভুক্তভোগী সি.এন.জি চালকরা আরো জানান এ.টি.এস মোজাম্মেল হকের সাথে স্থানীয় কিছু সাংবাদিকের সুসম্পর্ক রয়েছে, তারা কমিশনের বিনিময়ে ট্রাফিক পুলিশকে এই কাজে সহযোগীতা করে আসতেছে। ফলে দীর্ঘ যানজটে পড়ে জনদুর্ভোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ভুক্তভোগী সি.এন.জি ড্রাইভার এবং সাধারণ জনগন এই সমস্য নিরসনে কর্তব্যরত এ.টি.এস.আই মোজাম্মেল হককে বদলি সহ তার বিরুদ্ধে যথার্থ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মাননীয় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় প্রসাশনের সহায়তা কামনা করেন।

Leave a comment

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে