আফগানিস্তানে অস্থায়ী সরকার গঠন করছে তালেবান!

প্রকাশিত: ০৭-০৯-২০২১, সময়: ০৩:৪৬ |
Share This

ডেস্ক রেপোর্ট : তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, আফগানিস্তানে যুদ্ধ শেষ হয়েছে, অচিরেই স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে।তিনি বলেন, ‘খুব শিগগির’ তালেবানের সরকার গঠিত হবে। সম্ভাব্য সরকারে প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং পরিবর্তন-পরিবর্ধনের সুবিধার্থে প্রাথমিকভাবে একটি কেয়ারটেকার সরকার গঠিত হতে পারে।রাজধানী কাবুলে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তালেবান মুখপাত্র। তার সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা আগে সোমবার সকালে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় পাঞ্জশির উপত্যকার ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার দাবি করে তালেবান।তবে যোগাযোগ সমস্যার কারণে পাঞ্জশিরের প্রতিরোধ ফ্রন্টের পক্ষ থেকে তালেবানের এ দাবি সম্পর্কে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।মুজাহিদ বলেন, তারা সংলাপের মাধ্যমে পাঞ্জশির সমস্যার সমাধান করতে চেয়েছিলেন কিন্তু সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ‘খুব শিগগির’ তালেবানের সরকার গঠিত হবে বলে জানান তিনি। আফগানিস্তানের পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তালেবান মুখপাত্র বলেন, গত ২০ বছর ধরে যারা সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাদের আবার নিরাপত্তা বাহিনীগুলোতে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হবে।তারা তালেবান যোদ্ধাদের পাশে থেকে নিরাপত্তা রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করবেন। বহির্বিশ্বের সঙ্গে আফগানিস্তানের সম্পর্ক কেমন হবে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, তালেবান গোটা বিশ্বের সঙ্গে বিশেষ করে চীনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চায়। চীন একটি বড় অর্থনৈতিক শক্তি এবং এটি আফগানিস্তানের পুনর্গঠন ও উন্নয়নকাজে অংশ নিতে পারবে।

facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
linkedin sharing button
আফগানিস্তানে অস্থায়ী সরকার গঠন করছে তালেবান!

তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, আফগানিস্তানে যুদ্ধ শেষ হয়েছে, অচিরেই স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ‘খুব শিগগির’ তালেবানের সরকার গঠিত হবে। সম্ভাব্য সরকারে প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং পরিবর্তন-পরিবর্ধনের সুবিধার্থে প্রাথমিকভাবে একটি কেয়ারটেকার সরকার গঠিত হতে পারে।

রাজধানী কাবুলে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তালেবান মুখপাত্র। তার সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা আগে সোমবার সকালে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় পাঞ্জশির উপত্যকার ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার দাবি করে তালেবান।

তবে যোগাযোগ সমস্যার কারণে পাঞ্জশিরের প্রতিরোধ ফ্রন্টের পক্ষ থেকে তালেবানের এ দাবি সম্পর্কে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মুজাহিদ বলেন, তারা সংলাপের মাধ্যমে পাঞ্জশির সমস্যার সমাধান করতে চেয়েছিলেন কিন্তু সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ‘খুব শিগগির’ তালেবানের সরকার গঠিত হবে বলে জানান তিনি।  

আফগানিস্তানের পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তালেবান মুখপাত্র বলেন, গত ২০ বছর ধরে যারা সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাদের আবার নিরাপত্তা বাহিনীগুলোতে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হবে।

তারা তালেবান যোদ্ধাদের পাশে থেকে নিরাপত্তা রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করবেন। বহির্বিশ্বের সঙ্গে আফগানিস্তানের সম্পর্ক কেমন হবে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, তালেবান গোটা বিশ্বের সঙ্গে বিশেষ করে চীনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চায়। চীন একটি বড় অর্থনৈতিক শক্তি এবং এটি আফগানিস্তানের পুনর্গঠন ও উন্নয়নকাজে অংশ নিতে পারবে।

উপরে