শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লালকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর হুমকী

বিশেষ প্রতিবেদক:বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাব,কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহশিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা প্রেস ক্লাব সদস্য, জার্মানীর বার্লিন ভিত্তিক দুর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টার ন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)বরগুনার ইয়ুথ এ্যানগেইজমেন্ট এন্ড সার্পোট (ইয়েস) গ্রুপের প্রাক্তন দলনেতা সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লালকে তথ্য অধিকার আইনে করা তথ্য প্রাপ্তির আবেদন ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা প্রদান) আইনে দুর্নীতি দমন কমিশন,শিক্ষা কর্তৃপক্ষের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ তুলে না নিলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর হুমকী দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বরগুনার কয়েকটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তা বিরুদ্ধে। গত ০৩/১২/২০১৯ খ্রিঃ তারিখ বরগুনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের জেপ্রাশিঅ/বরগুনা/১৮৪৫ নং স্মারকে সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লাল কর্তৃক তথ্য অধিকার আইনে করা তথ্য প্রাপ্তির আবেদনে উল্লেখিত তথ্য সরবরাহের জন্য বরগুনা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার রুহুল আমীন ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনির হোসেনকে নির্দেশ দেয়া হলে এবং গত ০৫/১২/২০১৯ খ্রিঃ তারিখ বরগুনা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বাস্তবায় কমিটির সদস্য মোঃ রুহুল আমীনের নিকট ই-মেইলে তথ্য প্রাপ্তির করা হয়। আবেদনের অনুলিপি তথ্য কমিশন,প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা, বরিশাল,জেলা প্রশাসক,বরগুনা,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরগুনা,উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরগুনার নিকট ই-মেইলে প্রেরন করা হয়েছে।এর পরই বিভিন্ন স্থানে সম্মিলিত শিক্ষক ও শিক্ষা কর্তৃপক্ষ পূর্বের ন্যায় সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লালকে জব্দ করার ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের জাল বপন করে।শুরু হয়,তথ্য অধিকার আইনে করা আবেদন এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা প্রদান) আইন ২০১১ এর বিধিমালা ২০১৭ মোতাবেক দায়েরকৃত অভিযোগ তুলে না নিলে সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লালকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর হুমকী দেওয়া। শুধু তাই নয়, গুদিঘাটা ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিস মনির হোসেন এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর তদন্ত শৃঙ্খলা শাখার স্মারক নং ৩৮.১০৬.০২৭.০৫.০৪.০৬৩.২০১৩-অভিঃতদন্ত/৯৬ তারিখ: ২২/১০/২০১৯ খ্রিঃ মূলে পিটিআই সুপার, বরগুনা মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের নিকট তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। পিটিআই সুপার গত ৩০/১০/২০১৯ খ্রিঃ তারিখ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনির হোসেন কে পিটিআই/বর/২০১৯/৩০৪ নং স্মারকে,গত ১২/১১/২০১৯ খ্রিঃ তারিখ ৩৩১ নং স্মারকে বরগুনা সদর উপজেলার ১৪ নং পূর্ব গুদিঘাটা নুরিয়া, ৭১ নং মধ্য সাহেবের হাওলা,৩৮ নং আংগারপাড়া, ২ নং পূর্ব ঘটবাড়িয়া, ৬১ নং ডৌয়াতলা,পশ্চিম আংগারপাড়া, ৩নং মধ্য কুমড়াখালী এস কে রায়,কেসাত ঘর পল্লী মঙ্গল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, গত ২৭/১১/ ২০১৯ খ্রি: তারিখ ৩৪৬ নং স্মারকে অগ্রনী ব্যাংক বরগুনা শাখার ব্যবস্থাপককে এবং একই তারিখে ৩৪৭ নং স্মারকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন কে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ সহ অন্যান্য আইন ও বিধি মোতাবেক দায়েরকৃত অভিযোগ সমূহ সুষ্ঠু ও সঠিক ভাবে তদন্তের নিমিত্তে তদন্ত কাজে সহযোগীতাসহ তথ্য সরবরাহের বিষয়ে পত্র দেয়া হয়।এরপর থেকে সম্মিলিত ভাবে কতিপয় শিক্ষকরা পিটিআই সুপার জাহাঙ্গীর আলমের নিকট সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লালের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরসহ গুরুত্বর ক্ষতি সাধনের হুমকী দিতে থাকে এবং গত ২৩/০৯/২০১৯ খ্রিঃ তারিখ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনির হোসেন এর বিরুদ্ধে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবরে দাখিলকৃত অভিযোগ তদন্তের জন্য গত ১৭/১০/২০১৯ খ্রিঃ তারিখ ১৪০ নং স্মারকে নোটিশ করা হয়। এই সকল ঘটনার জের ধরে প্রতিহিংসায় বরগুনা সদর উপজেলার সাং দক্ষিণ বরগুনা বরগুনা পৌরসভা, থানা ও জেলাঃ বরগুনার বাসিন্দা মৃতঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ছেলে কোরক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল আলীম লিটন (৫০),সাং আংগারপাড়া ৪ নং কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মৃত: আবুল হাসেম মিয়ার ছেলে পুলিশ লাইন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম(৪৮),সাং ছোট লবন গোলা,৬ নং ইউপির বাসিন্দা মোসলেম আলী মৃধার ছেলে চর চরক গাছিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন ( ৪৬),সাং খেজুরতলা,পল্লী বিদ্যুৎ পাওয়ার স্টেশন এলাকার বাসিন্দা মৃত তাজেম আলীর ছেলে ১৪ নং পূর্ব গুদিঘাটা নুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত ( দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়েরকৃত মামলায় সাময়িক বরখাস্তকৃত) মোঃ আবুল হোসেন (৫০), সাং পশ্চিম বরগুনা পৌরসভার বাসিন্দা মোঃ আসলাম হোসেন এর স্ত্রী বাওয়ালকর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের নির্দেশে দায়েরকৃত বিভাগীয় মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত) মোসাঃ শিউলী আক্তার পপি (৪৫),সাং পশ্চিম বরগুনা পৌরসভা বাসিন্দা মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে পাতাকাটা দরবার শরিফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আসলাম হোসেন(৪৬),সাং উত্তর লাকুরতলা ২ নং গৌরীচন্না ইউপির বাসিন্দা আলহাজ্ব আবদুর রহিম জমাদ্দারের ছেলে উত্তর লাকুরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাকির হোসেন (৫৩),সাং কুমড়াখালী ১ নং বদরখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা মৃত হোসাইন আলী ফরাজীর ছেলে কেসাতঘর পল্লী মঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল আজিজ ফরাজী (৫৭),সাং ডিকেপি রোড বরগুনা পৌরসভার বাসিন্দা মৃত সোনা মদ্দীনের ছেলে দক্ষিণ আমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইদ্রিসুর রহমান(৫০),সাং চড়ক গাছিয়া ৬ নং ইউপির বাসিন্দা মৃত সুধির চন্দ্র রায়ের ছেলে স্বনির্ভর উত্তর চরক গাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র রায় (৫৬),সাং কলেজ রোড,বরগুনা পৌরসভার বাসিন্দা মৃত আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে
ফুলতলা সরকারি প্রাথমিকবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জুলফিকার আলী (৫৪), সাং ফুল ঢলুয়া ৭ নং ইউপির বাসিন্দা মৃত আজাহার উদ্দীনের ছেলে দক্ষিণ ফুল ঢলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর কবির (৫২), সাং পাতাকাটা ৮ নং ইউপির বাসিন্দা মৃত আব্দুর রশিদ মিয়ার ছেলে মধ্য পাতাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কবির (৫৭),
সাং দক্ষিন মনসাতলী,২ নং গৌরীচন্না ইউপির বাসিন্দা ধীরেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে পূর্ব ধুপতি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিকাশ চন্দ্র রায় (৪১),সিরাজ উদ্দিন সড়ক,বরগুনা পৌরসভার বাসিন্দা মৃত: নুরুল ইসলাম মাস্টারের স্ত্রী ছোট লবনগোলা আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ রাশিদা আক্তার (৪৬),গুদিঘাটা ক্লাষ্টের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনির হোসেন এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার রুহুল আমীন সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লালকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। এর আগে দুর্নীতিগ্রস্থ কতিপয় শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তা সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের দায় থেকে বাচঁতে এবং দলিয়দের বাচাঁতে পরস্পর যোগসাজশে গভীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের মাধ্যমে সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লালকে আনীত সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ বিষয়ে আপোষ নিষ্পত্তির প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে প্রথমে ১৪ নং পূর্ব গুদিঘাটা নুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত মোঃ আবুল হোসেন বাদী হয়ে সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লালসহ ৩ জনকে আসামী করে বরগুনা থানার মামলা নং ৪২, জিআর নং ৬৭২/২০১৬, দায়ের করেন।যা বিচারে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ নং ২০ তারিখ ৩০/১০/২০১৮ মূলে খালাস দেয়া হয়। এরপর একই আকার ও প্রকারের বর্ননায় বরগুনা সদর উপজেলার ২ নং গৌরীচন্না ইউনিয়নের উত্তর লাকুরতলা গ্রামের আব্দুর রহিম জোমাদ্দারের ছেলে দক্ষিন মনসাতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাকির হোসেন(৫৩), ১নং বদরখালী ইউনিয়নের কুমড়াখালী গ্রামের মৃত: হোসাইন আলী ফরাজীর ছেলে কেসাতঘর পল্লীমঙ্গল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ ফরাজী (৫৭),৪ নং কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের আংগারপাড়া গ্রামের মৃত: আবুল হাসেম মিয়ার ছেলে পুলিশ লাইন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম(৪৮) , ২ নং গৌরীচন্না ইউনিয়নের দক্ষিণ মনসাতলী গ্রামের বীরেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে চাইলতাতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ( বর্তমানে পূর্ব ধুপতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক)বিকাশ চন্দ্র রায়(৪১)বরগুনা পৌরসভার অধিন, পশ্চিম সদর বরগুনার মৃত: মজিবুর রহমানের ছেলে পাতাকাটা দরবার শরিফ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আসলাম হোসেন(৪৬), বরগুনা পৌরসভার অধিন সিরাজ উদ্দিন সড়কের মৃত: নুরুল ইসলাম মাস্টারের স্ত্রী ছোট লবনগোলা আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ রাশিদা আক্তারকে স্বাক্ষী সাজিয়ে কোরক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আলিম লিটন(৪৫)কে বাদী বানিয়ে সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লাল ও তার সহকর্মী সাংবাদিক মোঃ নিয়ামুল হাসন নিয়াজকে আসামী করে বরগুনা থানার মামলা নং ১১ তাং ০৯/০৫/২০১৮, জিআর ২৮৬/১৮ দায়ের করান। এরপর বরগুনা পৌরসভার ডিকেপি এলাকার মৃত: সোনামদ্দিনের ছেলে দক্ষিণ আমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইদ্রিসুর রহমান, ৬ নং ইউনিয়নের চরক গাছিয়া গ্রামের মৃত: সুধির চন্দ্র রায়ের ছেলে স্বনির্ভর উত্তর চরক গাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র রায়, বরগুনা পৌরসভার কলেজ রোড এলাকার মৃত: আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে ফুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ জুলফিকার আলী,৭ নং ইউনিয়নের ফুল ঢলুয়া গ্রামের মৃত: আজাহার উদ্দিনের ছেলে দক্ষিণ ফুল ঢলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর কবির, ৮ নং ইউনিয়নের পাঠাকাটা গ্রামের মৃত: আঃ রশিদ মিয়ার ছেলে মধ্য পাতাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কবির স্বাক্ষী সাজিয়ে সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লাল ও তার সহকর্মী সাংবাদিক মোঃ নিয়ামুল হাসন নিয়াজকে আসামী করে গত ২৪/০৭/২০১৮ তারিখ বরগুনার বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে.চর চরক গাছিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কথিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক কল্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন(৪৫)কে বাদী বানিয়ে গত ২১/০৭/২০২৮ খ্রী তারিখের ঘটনা দেখিয়ে সরকারী কর্মচারী (আচর) বিধিমালার ১৯৭৯, The Government Servant (conduct) rules,1979 এর বিধি-২৮ লংঙ্ঘন করে সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে সিআর -৫৩০/১৮ নং মামলা দায়ের করান। জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশের কারনে সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লাল কে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ ( সুরক্ষা প্রদান ) আইন ২০১১ এর ধারা ৫ এর উপধারা (২),(৩) মোতাবেক প্রযোজ্য আইনগত সহায়তাসহ সুরক্ষা প্রদানের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরগুনাকে নির্দেশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। একই সাথে নির্দেশনার অনুলিপি সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লাল সহ অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসক,বরিশাল। পরিচালক ( অনুঃ ও তদন্ত-৮)দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়,ঢাকা। পরিচালক ( পর্যবেক্ষণ ও বিশারদ )দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়,ঢাকা। পরিচালক,দুর্নীতি দমন কমিশন,বিভাগীয় কার্যালয়,বরিশাল। চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব ( চেয়ারম্যানের সানুগ্রহ অবগতির জন্য)দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়,ঢাকা। কমিশনার (অনুসন্ধান/তদন্ত) একান্ত সচিব ( কমিশন (অনুসন্ধান/তদন্ত)-এর সানুগ্রহ অবগতির জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়,ঢাকা। উপপরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন,সমন্বিত জেলা কার্যালয়,পটুয়াখালী। জনাব আরিফ হোসেন,উপসহকারী পরিচালক,দুর্নীতি দমন কমিশন,সমন্বিত জেলা কার্যালয়,পটুয়াখালীর নিকট প্রেরন করা হয়েছে। গত ২৯/০৮/২০১৯ খ্রিঃ তারিখ ০৪.০১.০৪০০.৬৫৩.০২.০২৩.১৮.৩৩৫৬৮/১(৯) নং স্মারকে দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক তদন্ত-১, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পত্রে সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লাল কে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ ( সুরক্ষা প্রদান ) আইন ২০১১ এর ধারা ৫ এর উপধারা (২),(৩) মোতাবেক প্রযোজ্য আইনগত সহায়তাসহ সুরক্ষা প্রদানের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরগুনাকে নির্দেশ দেয়া হয়।কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি পরিলক্ষিত না হওয়ায় দুদক চেয়ারম্যান, প্রধান তথ্য কমিশনার,জেলা প্রশাসক,বরগুনাকে অনুলিপি দিয়ে গত ০৩/১২/২০১৯ খ্রিঃ তারিখ বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি বেগম মাসুমা আক্তারের নিকট ই-মেইল জানতে চেয়ে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এর ৮(১)৯(৪) ধারা এবং উপধারা মোতাবেক আবেদন করা হয়েছে কিন্তু এ বিষয়ে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অগ্রগতি জানানো হয়নি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এম এম মিজানুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি,আবুল হাসান বেল্লালের তথ্য প্রাপ্তির আপীল আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চাহিত তথ্য সরবরাহের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়ে পত্র দেয়া হয়েছে। তথ্য প্রাপ্তির আবেদনের জেরে শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা কেউ আবুল হাসান বেল্লালকে হুমকী দেয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। পিটিআই সুপার জাহাঙ্গীর আলমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল আলিম লিটন, শিক্ষক আসলাম হোসেনসহ অনেক শিক্ষক আমার কাছে কয়েকবার এসেছিলেন যাতে আমি শিক্ষা অফিসার মনির হোসেনের বিরুদ্ধে না লিখে পক্ষে লিখি।অভিযোগকারী আবুল হাসান বেল্লালকেও বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি করার হুমকী দিতেছে কতিপয় শিক্ষকরা।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন বলেন,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে আবুল হাসান বেল্লালকে তথ্য সরবরাহের চিঠি পেয়েছি। তথ্য সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। তথ্য প্রাপ্তির আবেদন এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশের অভিযোগের জের ধরে সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লালকে হুমকী দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি (রুহুল আমীন) বলেন, শিক্ষকরা সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লালকে কোনো প্রকার হুমকী দিচ্ছে কিনা সে বিষয়ে আমি শুনিনী।এমন হয়ে থাকলে অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিক্ষক আব্দুল আলিম লিটন,নজরুল ইসলাম এবং আসলাম হোসেনের কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা বেল্লালকে কোনো হুমকী দেইনি। অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিক আবুল হাসান বেল্লাল বলেন,
আমি ও আমার সহকর্মী সাংবাদিক নিয়ামুল হাসান নিয়াজ ২০১৬ সাল থেকে বরগুনা সদর উপজেলার ২০১৩ সালে জাতীয়করণকৃত ১১টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূয়া শিক্ষার্থীদের নামে উপবৃত্তি এবং শ্লীপের অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করি যা বর্তমানে অব্যহত আছে। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ থেকে বাঁচতে আমাদেরকে বরগুনার কতিপয় শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা মিথ্যা মামলা দায়েরসহ গুরুত্বর ক্ষতি সাধনের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছেন এবং বিভিন্ন ভাবে হুমকী, ধামকী ও ভয়ভীতি দেখাইতেছেন।

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক ও প্রকাশক : ডাঃ আওরঙ্গজেব কামাল
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : ইজ্ঞি: মোঃ হোসেন ভূইয়া।
বার্তা সম্পাদক : জহিরুল ইসলাম লিটন
যুগ্ন-সম্পাদক : শামীম আহম্মেদ

ঢাকা অফিস : জীবন বীমা টাওয়ার,১০ দিলকুশা বানিজ্যিক (১০ তলা) এলাকা,ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ ০১৭১৬-১৮৪৪১১,০১৯৪৪২৩৮৭৩৮

E-mail:dnanewsbd@gmail.com

ওয়েবসাইট নির্মানে: আইটি হাউজ বাংলাদেশ