ডুমুরিয়ার নিখিল মন্ডল প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয় : মন্ত্রণালয়ে পৃথক তিনটি অভিযোগ দায়ের

প্রকাশিত: ২৭-০৮-২০২১, সময়: ১৩:৫৮ |
Share This

এস রফিক, ডুমুরিয়া : ডুমুরিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা নিখিল চন্দ্র মন্ডল প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয়,তিনি সুকৌশলে গেজেট ভুক্ত হয়ে সরকারী যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ ও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।আশু তাকে গেজেট থেকে তারনাম বাতিলের দাবি জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পৃথক তিনটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ কারি উপজেলার কালিকাপুর এলাকার প্রীতিলতা সরদার,মুক্তিযোদ্ধা নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল ও মুক্তিযোদ্ধা এমএম জিয়াউল ইসলামের পৃথকভাবে দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,উপজেলার শরাফপুর ইউনিয়নে আখড়া গ্রামস্থ মৃত রশিকলাল মন্ডলের ছেলে নিখিল চন্দ্র মন্ডল প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও সুকৌশলে মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হয়ে সকল সরকারী সুবিধা ভোগ করে আসছে। তিনি শরাফপুর ইউনিয়নে তৎকালিন পিস কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল শেখের সাথে তার উঠাবসা ছিল। এলাকার কেহই জানেন না তিনি কোথায় যুদ্ধকালিন সময় কর্মরত ছিলেন এবং কোথা থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছেন।তিনি মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় দিয়ে নিজ এলাকায় ত্রাসের রাজ্য,নামে-বেনামে খাসজমি বন্দোবস্ত,ভূমি দখল,খাসজমি পাইয়ে দেয়ার নামে একাধিক ভূমিহীন পরিবারকে সর্বশান্ত করেছে।বর্তমান শতাধিক বিঘা জমির মালিক ও কোটিপতি বনে গেছেন তিনি।তার অত্যাচার ও হামলায় অতিষ্ট হয়ে থানায় জিডি নং-১৫৮০,অপরাধ দমন দ্রæত বিচার আদালতে মামলা নং-৬/২১,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা নং-এমপি-২৫৮/২১ সহ বিভিন্ন দপ্তরে দ্বারস্থ হয়েছেন এলাকার অনেকেই। তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কিনা এমনটি জানতে চেয়ে কথা হয় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার চন্দ্রকান্ত তরফদার,মুক্তিযোদ্ধা নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডলসহ অনেকের সাথে।তারা একই সুরে সুর মিলিয়ে বলেন,ডুমুরিয়ায় নিখিল চন্দ্র মন্ডল নামের কেউ মুক্তিযুদ্ধ করেছেন বলে আমাদের জানা নেই।মুিক্তযোদ্ধা নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল আরও বলেন,নিখিল চন্দ্র মন্ডল যে সুকৌশলে গেজেটভুক্ত হয়েছেন,তা জেনে আমি অবাক হয়েছি।এমনকি আমি নিজেই বাদি হয়ে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে তার নাম বাতিলের দাবি জানিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।আপনি কোথায় এবং কোন কমান্ডারের অধীনে যুদ্ধ করেছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিযুক্ত নিখিল চন্দ্র মন্ডল বটিয়াঘাটা থানায় ক্যাপ্টেন আফজাল হোসেনের অধীনে বারোআড়িয়া ও গল্লামারী এলাকায় যুদ্ধ করেছেন বলে জানান।এ বিষয়ে কথা হয় বটিয়াঘাটা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা বিনয় মন্ডলের সাথে,তিনি বলেন এ উপজেলায় ডুমুরিয়া বা বটিয়াঘাটা থানাধীন নিখিল চন্দ্র মন্ডল নামে কেউ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে