ভান্ডারিয়া সাংবাদিকদর উদ্যাগ জাতীয় শাক দিবস পালিত।

প্রকাশিত: ১৯-০৮-২০২১, সময়: ১০:২৭ |
Share This

ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি  : পিরাজপুরর ভান্ডারিয়া বুধবার রাত সাংবাদিকদর উদ্যাগ প্রসক্লাব মিলনায়তন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শখ মুজিবুর রহমানর ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শাক দিবস পালন উপলক্ষ আলাচনা সভা এবং মিলাদ মাহফিল ও দায়া মানাজাত অনুষ্ঠিত হয়।আলাচনা সভায় প্রসক্লাবর সহ-সভাপতি হাসান ইমাম পানা বপারির সভাপতিত্ব অন্যান্যর মধ্য বক্তব্য রাখন অতিকুজ্জামান খাকন,শঙ্কর জীৎ সমদ্দার,মা. মামুন হাসন, এইচ এম জুয়ল মাহম্মুদ, শামসুল ইসলাম আমিরুল,বাহাদুর সরদার,বলায়ত মুন্সি,শহিদুল ইসলাম, শাহজাহান সরদার প্রমুখ। এসময় অন্যান্যর মধ্য উপ¯িত ছিলন, আব্দুল্লাহ আলমাহমুদ,বশির উদ্দিন,মিজানুর রহমান,তরিকুল ইসলাম,সুমন মল্লিক,গাজী মজিবুর রহমান,সফিক উদ্দিন, ইসা রুহুল্লাহ নামান,পত্রিকা বিপনন কর্মী এমাদুল হক নবীন । পর বঙ্গবন্ধু শখ মুজিবুর রহমান,শখ ফজিলাতুননসা মুজিব সহ ’৭৫এর ১৫ই আগষ্ট সকল শহিদদর রুহর মাগফিরাত কামনা কর দায়া মানাজাত পরিচালনা করন মাওলানা মা. লাকমান হাসন।

ভাণ্ডারিয়ায় স্টুডিও ব্যাবসায়ীদর সকাল একাল; অÍরায় সলফির আগ্রাসন

ভান্ডারিয়া অফিসঃ পিরাজপুরর ভান্ডারিয়ার ফটাগ্রাফিশিল্পর জলশ হারাছ মাবাইল সলফির আর করানার আগ্রাসন । বুধবার বিশ্ব ফটাগ্রাফী দিবস ঐতিহ্যবাহী ভান্ডারিয়া বাজারর মালিকদর সাথ আলাপকাল তারা জানান, স্টুডিও শিল্প মন্ধাভাব দখা দয়ায় অনক স্টুডিও মালিক তাদর ব্যাবসা গুটিয় নিয়ছ। অনকই পশা পরিবর্তন কর ঝুকছ অন্য পশায়। শহরর আদি স্টুডিও আশিষর স্বত্তাধিকারী জি.এল কর্মকার জানান, ১৯৭৭-’৭৮এর দিক আমার বড় ভাই ননী গাপাল কর্মকার প্রথম সূর্যর আলায় ছবি তুল হ্যারিকনর আলায় তা প্রিট করত সাদা কালা ছবি। এর পর বক্স ক্যামরায় সূর্যর আলাত বিটু সাইজর ছবি হত। তার পর ’৮০দশকর পর সাদা কালা ছবি তুল ডার্ক রুম তা প্রিট করা হতা। রঙিন ছবি ফ্লিম্ম তুল তা ডবলপ এবং প্রিট করানার জন্য ঢাকা বা খুলনায় প্রিট করানা হত। পর অবশ্য বরিশালও ফুািজ,কিউএসএস,কাডাক ,র‌্যাটিনা ল্যাব প্রিটর জন্য বাহক বা এজট বা নিজদর য কউ গিয় প্রায় এক সপ্তাহ থক ছবি নিয় আসার পর গ্রাহকদর ড্যালিভারি দয়া হত। তখন এই ভাÐারিয়ায় আশিষ, শিল্পী,শাপলা ,সাথী ও মুক্তা স্টুডিও ছিল। সখান থক কর্মচারীরা বর হয় পর নিজরা দু এক জনও নিজদর নাম এ ব্যাবসা চালু কর। ঐ সময় স্মার্ট ফান বা অন্য কান উপায় চাইলই য কউ ছবি তুলত পারত না। তখন গ্রাম বা পাড়া মহল্লায়ও স্টুডিও ছিলনা। ওই সময়টা ছিলা স্টুডিও ব্যবসার স্বর্ণযুগ। তখনকার সময় মানুষ প্রয়াজনীয় কাজ ছাড়াও সখর বস স্টুডিওত ছবি তুলত আসতা।
পুরানা এ ব্যবসায়ী আরা জানান, ‘আগ আমরা হাত কাজ করতাম, এখন কম্পিউটার কাজ করছি। এত ছবি চকচক ঝকঝক হছ তব দীর্ঘ¯ায়ী হছ না। এখন আর ডার্ক রুম নই। নগটিভ, ফিল্ম ডভলপ এসব মানুষ ভুলই গছ। আগ আমাদর কাছ নগটিভ রিজার্ভ থাকতা। তাই দ্বিতীয়বার ওই ছবি প্রিট করত হল আমাদর কাছই আসত হতা। কি এখন আর ছবির রি-অর্ডার আস না। কারণ সবাই তার মাবাইল ছবি রিজার্ভ কর রাখ। আগ মানুষ ছল ময়র সম্মন্ধ বা শখ কর স্বপরিবার ফ্যামিলি ফটা বড় ছবি কর বসার কিংবা বাসায় টাঙিয় রাখত। এখন বড় ছবি হয়ই না। মাবাইল আশায় আমাদর ব্যবস্যা শষ। সলফির যুগ মানুষ ছবি তালনা। এখন জীবন জীবিকার তাগিদ স্টুডিও এর পাশাপাশি ইলকট্রিকর ব্যবসা চালু করছি। সলফির আগ্রাসনর ফল ফটাগ্রাফারদর অনকটাই এখন জীবিকার প্রয়াজন খুঁজ নিয়ছ উপার্জনর ভিন পথ। তব কউ কই বলছ জলা এবং বিভাগীয় শহর বশ কয়কটি উনত ল্যাব হওয়া মানুষ স্মার্টফান তালা সলফিগুলা সখানই অল্প টকায় প্রিট করত পারলও তা টক সই হয়না।
এদিক ইতিমধ্য এ উপজলায় য সব স্টুডিও বন্ধ হয়ছ তারমধ্য উল্লখ্যযাগ্য সাথী, আশা, শাওন, জয়। এছাড়া বর্তমান শহরর য কয়কটি স্টুডিও এখনা টিক আছ তার মধ্য রয়ছ আশিষ, শিল্পী, শাপলা,স্বর্না, সান, ঐশি অন্যতম। এ পশায় অভিজ্ঞ বিধায় তারা এখানা জ্যানা ত্যানা ভাব টিক আছ।
ইংরজি শব্দ সলফিশ থক সলফি’র অবির্ভাব। অক্সফার্ড অভিধানর মত সলফি শব্দর অর্থ প্রতিকতি। সলফি হল এমন একটি ছবি (আলাকচিত্র) যা নিজর তালা নিজর প্রতিকতি।

খাঁজ নিয় জানাযায়,চার পাঁচ বছর আগও শখ কর মানুষ স্টুডিওত গিয় ছবি তুলত। বাঁধাই কর টাঙিয় রাখত বসার কিংবা শাবার ঘর। সময়র সাথ সাথ সবার হাতই এখন ক্যামরা কিংবা স্মার্টফান। এছাড়া বিভিন অনুষ্ঠান ডিএসএলার ক্যামরা হাত অনক তরুণ-তরুণীদর দখা যাছ। এরা প্রতিদিন শত শত ছবি তুল এসব সামাজিক যাগাযাগ মাধ্যম আপলাড করছ প্রয়াজন আবার ল্যাব থক ইছামতা সাজিয় প্রিণ্ট কর নিছ। এত সহযাগিতা লাগছ না কানা পশাগত ফটাগ্রাফার কিংবা স্টুডিওর। এসবই ফটাগ্রাফিশিল্পর জন্য কাল হয় দাঁড়িয়ছ।ফটাগ্রাফিশিল্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছন, সবার এখন স্মার্টফান বা ডিএসএলার ক্যামরায় ছবি তুল কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপ সংরক্ষণ কর তারা। আবার প্রয়াজন ছবি তুললও পরবর্তী সময় আর স্টুডিও থক সসব ছবি প্রিটও করাছ না। বিদ্যুতর বিস্তারর ফল পাড়া-মহল্লার কম্পিউটার ও ফটাকপির দাকান থক কম দাম নি¤মানর ছবি প্রিট করিয় নিছ। এসব কারণ মানুষ এখন আর স্টুডিওমুখী হছ না।শহরর বিভিন অলিগলি ঘুড় দখা যায়, শিশু-কিশার থক মধ্যবয়সীরাও স্মার্টফান দিয় ‘সলফি’ তুল ফসবুক, ইমা, ম্যাসঞ্জার, হায়ার্টসএ্যাপ, ভাইবার, টুইটারসহ বিভিন সামাজিক যাগাযাগ মাধ্যমগুলাত আপলাড করা হয় থাক। তাদর আপলাড করা ছবিগুলা মুহূর্তই আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ পরিচিতিজনরা পয় যাছ। স ছবি দখ লাইক, কমট, শয়ার করছ। ফল শহরর স্টুডিও মালিক ও কর্মীদর মাঝ এখন দখা দিয়ছ হতাশা আর অনিশ্চয়তা। অনকই আবার অন্যকাজ জানা না থাকায় নানা অনিশ্চয়তা আর টানাপোড়নর মধ্য থকও শখর এই ব্যবসা ছাড়ত পারছন না।স্টুডিও সান এর মালিক শখর হালদার জানান, বিশষ দিনগুলা যমন ঈদ, পূজা, বিয়, বশাখসহ বিভিন উৎসব অনকই দলবঁধ ছবি তুলতা। বর্তমান এসব অতিত শুধুই স্মতি। এখন ফটা স্টুডিও গুলাত মানুষরা শুধুমাত্র পাসপার্ট, ভিসাসহ বিভিন দাপ্তরিক কাজর ছবি তালার জন্য আসন। শুধুমাত্র সলফি আগ্রাসন অনক স্টুডিও বন্ধ হয় গছ। বাকীগুলা এখন বন্ধ হওয়ার পথ। তার উপর আবার মহামারি করানার থাবার এসময় ঘর মালিকদর অতিরিক্ত ভাড়া না গুনল ঘর ছড় দয়ার হুমকিত কিংকর্তব্য বিমূখ !! তার উপর এসব ব্যাবসায়ীরা অধিকাংশই বিভিন এনজিও থক দনিক বা সাপ্তাহিক কিস্তিত লান নিয় ঘর ভাড়া পরিশাধ করত। কিু করানার কারন পূর্বর সকল কিস্তি পরিশাধ না হওয়ায় এনজিও থকও লান পাওয়া যায়না। এরা পায়না সরকারি,বসরকারি বা কান মানবিক সাহায্যও !! এদিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, মানুষ ঘর থক বড় কম হয়। দামি দামি ক্যামরাগুলা নষ্ট হয় পড় আছ। বর্তমান আমরা যারা এই শীল্পর সাথ জড়িত আছি তারা খুবই খারাপ সময় পার করছি। এ যন বিধির বিধান !!

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে