শিওরক্যাশের মাধ্যমে প্রায় দেড় কোটি শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ২৮-০২-২০১৭, সময়: ১৮:২২ |
খবর > জাতীয়
Share This

রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা শিওরক্যাশের মাধ্যমে ১ কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে দেয়ার প্রকল্প উদ্বোধন হচ্ছে আগামীকাল বুধবার।

উত্তরবঙ্গে কয়েকটি জেলার সুবিধাভোগীদের একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। পর্যায়ক্রমে এক কোটি মায়ের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে।

রূপালী ব্যাংক সূত্র জানায়, কাল সকাল সাড়ে ১০ টায় গণভবণ থেকে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রংপুরের পীরগঞ্জ, দিনাজপুরের পার্বতীপুর ও গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার সুবিধাভোগীদের সঙ্গে কথা বলবেন। তাদের মোবাইল হিসাবে টাকা পাঠানোর মাধ্যমে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি। পরদিন ৯১টি উপজেলার সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে যাবে। পর্যায়ক্রমে কয়েকদিনের মধ্যে বাকিদের হিসাবেও পৌঁছে যাবে উপবৃত্তির টাকা।

বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ের ১ কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে মাসিক একটি নির্দিষ্ট হারে উপবৃত্তি দিচ্ছে। টাকা দেওয়া হয় শিক্ষার্থীর মাকে। এ জন্য মায়েদের নামে কার্ড ইস্যু করা হয়। প্রতিবার টাকা দেওয়ার জন্য কোনো এলাকার পাঁচ-ছয়টি স্কুলকে নিয়ে একটি বিতরণ কেন্দ্র তৈরি করা হয়। নির্ধারিত দিনে ব্যাগে করে টাকা নিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তারা সেখানে গিয়ে প্রশাসনের নজরদারিতে বিতরণ করেন। মায়েরা দূর দূরান্ত থেকে নানা ভোগান্তিসহ্য করে এসে টাকা নিয়ে যান। আয়োজনের বিড়ম্বনার জন্য প্রতিমাসে এ টাকা না দিয়ে কয়েকমাস পরপর দিয়ে আসছেন দায়িত্বপ্রাপ্তরা।

উপবৃত্তির টাকা নিতে এ ভোগান্তি দুর করতে উদ্যোগ নেয় সরকার। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের কাছে অর্থ পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন করছে রূপালী ব্যাংক।

এই সর্ববৃহৎ ডিজিটাল লেনদেন প্রসঙ্গে রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও  মো. আতাউর রহমান প্রধান বলেন, এটি বাংলাদেশের জন্য বিরাট সাফল্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নতা এই প্রকল্পের মাধ্যমে অনেকাংশেই পূরণ হবে। আমরা ধন্য এ ধরনের একটি প্রকল্পে সংযুক্ত হতে পেরে।

আতাউর রহমান প্রধান বলেন, আমরা বয়স্ক ভাতা, বিধবাভাতাসহ স্যোশাল সেফটি নেটের সকল ভাতা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পৌঁছে দিতে চাই। এজন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়েছি। তারা আমাদের পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে একটি উপজেলায় কাজ করতে বলেছে। আশা করছি, সামনের দিনে আমরা সকল ভাতা সুবিধাভোগীদের মোবাইল হিসাবে পৌঁছে দিতে পারবো।আমাদের সময়

Leave a comment

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে