ঝিনাইদহ পাটর বাম্পার ফলন কষকর মুখ হাসি

প্রকাশিত: ১৪-০৮-২০২১, সময়: ০৭:৩৬ |
Share This

ফিরাজ আহম্মদ, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : চলতি মসুম জলায় পাটর বাম্পার ফলন হয়ছ। সই সাথ বাজার পাটর তামও ভালা। তাই হাসি ফুটছ ভারতীয় সীমাÍর জলা ঝিনাইদহর পাটচাষিদর মুখ। এবছর আবহাওয়াত বষ্টিপাত ভালা হওয়ায় কষকদর পাট পঁচানা ও আশ ছড়াত সমস্যা হছ না।
জেলা কষি বিভাগর তথ্য মত, এ বছর ২২ হাজার ৮শ’ ৬০ হক্টর জমিত পাটর আবাদ হয়ছ যা গল বছরর তুলনায় ১০ হক্টর বশী। ইতামধ্যই আবাদকত ৮০ ভাগ জমির পাট কর্তন শষ হয়ছ।
গতকাল শুক্রবার বাজার প্রতি মন পাট বিক্রি হয়ছ ভালা-মদ প্রকার ভদ ২ হাজার ৮শ’ টাকা থক তিন হাজার টাকা পর্যÍ। এত লাভবান হছন কষক থক শুরু কর ব্যাসয়ীরাও। তব লকডাউন আর না আসল সামনর দিনগুলাত দশর বড় বড় মাকামর ব্যাপাীরা এলাকার বাজার আসল পাটর দাম আরা বদ্ধি হত পার বল মন করছন ¯ানীয় পাট ব্যবসায়ীরা।
জলার কষকদর সাথ কথা বল জানা গছ, জমি তরি থক শুরু কর পাট শুকানা পর্যÍ এক বিঘা জমি চাষ করত খরচ হয় ১২ থক ১৪ হাজার টাকা। চলতি বছর এক বিঘা জমিত ১০ থক ১৩ মন পাঠ হছ। সাথ পাটকাঠি বিক্রি করও টাকা পাছন কষকরা।
বিভিন এলাকা ঘুর দখা যায়, কষকরা বহু কষ্ট ফলানা পাট ক্ষত থক কট রখ দিছন জমিত। এরপর সগুলার পাতা ঝরিয় খাল, বিল, ডাবা কিংবা নদীত পঁচানার পর আশ ছাড়িয় পরি®ার কর রাদ শুকাছন। দু-একদিনর রাদই পাট শুকিয় সংরক্ষণ বা বিক্রির উপযাগী কর তুলছ। তব বদ্ধ জলাশয়র তুলনায় প্রবাহমান জলাশয়র পানিত পাট পঁচাল পাটর মান ও রং ভালা হয়। বাজার দামও ভালা পাওয়া যায়।
জেলার শলকুপা উপজলার পদ্মনগর এলাকার কষক মজিবর রহমান জানান, এবার তিন বিঘা জমিত পাটর চাষ করছি। বিঘায় গড় ১০ থক ১৩ মন হার পাটর ফলন হছ। গত বছরর তুলনায় আমি অনক বশী পাট পয়ছি।
সদর উপজলার কাদালিয়া গ্রামর কষক মাবাশ্বর বলন, আমি ও কয়কজন শ্রমিক নিয় ক্ষত থক পাট কট ১৫ দিন পানিত পঁচানার পর এখন পরি®ার করছি। এরপর রাদ শুকিয় বিক্রি করা হব। নদীর পানিত পঁচানা ও পরি®ার করার কারন আমার পাটর মানটা বশ ভালা হয়ছ।
যুগনী গ্রামর কষক মোস্তাক খা জানান, আমাদর এলাকায় নদী বা খাল নই। তাই ডাবা বা পুকুরই পাঠ পঁচাত হছ। যার কারন মান কিছুটা খারাপ হছ। তব এবছর পানি বশী হওয়ায়ই পচানার ¯ানর অভাব হয়নি। অন্যদিক পাটর দাম ভালা থাকায় মান খারাপর পরও লাকসান হছ না, লাভটাই বশী হছ।
কালীগঞ্জ পরসভাধীন আনদবাগ গ্রামর পাটচাষি রবিউল ইসলাম জানান, গত মসুম পাটর ভালা দাম পয় চলতি মসুম এক বিঘা জমিত পাট চাষ করছিলাম। এক বিঘা জমিত পাট চাষ করত ১৩ হাজারর বশি খরচ হয় গছ। গত শুক্রবার পাট বিক্রি হয়ছ ২ হাজার ৯০০ টাকা টাকা মন। স হিসাব এবার ভালা লাভ হব।
হাটগাপালপুর বাজারর পাট ব্যাবসায়ী সাজু কুন্ডু জানান, পাটর বাজার দর ওঠা নামার ভিতরই আছ। এটি ¯িতিশীল হল এবং পুরাদম বাইরর ব্যাপারীরা বাজার আসা শুরু করছ দাম মন প্রতি আরা বড় যাব।জেলা কষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরর উপ-পরিচালক আজগর আলী জানান, পাটর মান ভালা রাখার জন্য প্রবাহমান এবং পরি®ার পানিত পঁচানার জন্য কষকদর বলা হছ। সাথ সাথ সখান কয়ক কজি ইউরিয়া সারও ছিটিয় দিত হব। পচানার ক্ষত্র গাছর পাতা বা কাদা মাটি এড়িয় চলায় ভালা। তিনি আরা জানান, গেল মসুম জলায় পাটর উৎপাদন হয়ছিল ৫৯ হাজার ২’শ ৬৮ মট্রিকটন। তব চলতি মসুম উৎপাদন আরা বশী হব বল আশা রয়ছ।

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ

উপরে