এইচএসসি পাশ শিক্ষার্থীর নামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেনীতে উপবৃত্তি উত্তোলন পূর্বক আত্মসাৎ

আবুল হাসান বেল্লালঃ বহু চড়াই উৎরাই এবং দুর্নীতিবিরোধী যুদ্ধের পর সরকারি অর্থ আত্মসাতের কিছু দালিলিক প্রমান হাতে এসেছে। এ প্রতিবেদক বরগুনা সদর উপজেলায় ২০১৩ সালে জাতীয়করণকৃত রেজিঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে উপবৃত্তির অর্থ বিগত ২৬/০৯/২০১০ খ্রিঃ তারিখে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে প্রাগম/পরি-২/উপবৃত্তি-২য়/স্টিয়ারিং কমিটি/৭০/০৯/২৩৯ নং স্মারকে জারিকৃত উপবৃত্তির অর্থ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত  পরিপত্রের নির্দেশনা । ২০/০৪/২০১৬ খ্রিঃ তারিখে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় উন্নয়ন -১ অধিশাখা বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকা থেকে ৩৮.০০.০০০০.০০৯.১৪. ০১৫.১৬-২১৬ নং স্মারকে জারিকৃত পরিপত্রের নির্দেশনা অনুসারে যথাযথ ভাবে বাস্তবায় ও প্রতিপালন করা হয়েছে কিনা সে বিষয়ের উপর অনুসন্ধান করে। অনুসন্ধানে  তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ সুরক্ষা প্রদান আইন ২০১১  প্রয়োগ করা হয়। অনুসন্ধানে বরগুনা সদর উপজেলার ১৪ নং পূর্ব গুদিঘাটা নুরিয়া, ৭১ নং মধ্য সাহেবের হাওলা, ৩৮ নং আংগার পাড়া, পশ্চিম আংগার পাড়া, পূর্ব ঘটবাড়িয়া,৬১ নং ডৌয়াতলা,বরগুনা রেড ক্রিসেন্ট বিদ্যানিকেতন,সাহেবের হাওলা রফেজিয়া দাখিল মাদ্রাসা, বরগুনা নুরানী মাদ্রাসা, ঘটবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বেতাগী উপজেলার চান্দখালী ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চান্দখালী মোশারফ হোসেন কলেজ, বরগুনা সরকারি কলেজ,পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার ১১৭ নং দক্ষিণ গাজিপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে যে সকল তথ্য পাওয়া তা বিশ্লেষণ করে বরগুনা সদর উপজেলার ১৪ নং পূর্ব গুদিঘাটা নুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যাপক ভূয়া  শিক্ষার্থীদের নামে উপবৃত্তির অর্থ আত্মসাতের প্রমান পাওয়া যায়। ২০১৩ সালের উপবৃত্তির তালিকায় এইচএসসি পাশ শিক্ষার্থী তারেককে বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেনীতে অধ্যায়নরত দেখিয়ে উপবৃত্তির অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। অগ্রণী ব্যাংক বরগুনা শাখার হিসাব নং ১৪৪০/২০১৩ এর মাধ্যমে উপবৃত্তির অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। ২০১৩ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর উপবৃত্তির তালিকার ক্রমিক নং ৪৪ তারেককে ২য় শ্রেনীতে বিগত পরীক্ষায়  প্রাপ্ত নম্বরের হার দেখানো হয়েছে ৫৫%। জুলাই মাসে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি দেখানো হয়েছে ৮৬%। আগষ্ট মাসে উপস্থিতি ৮৬%। সেপ্টেম্বর মাসেও ৮৬% উপস্থিতি দেখানো হয়েছে।১৮/০৫/২০১৪ তারিখের উপবৃত্তির বিতরণের তালিকার ৪৪ নং ক্রমিকে তারেকের মাতা শেফালী বেগমের স্বাক্ষরের মাধ্যমে টাকা নেয়ার প্রমান রয়েছে।তারেক বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নং ফুলঝুরি ইউনিয়নের সাহেবের হাওলা গ্রামের ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলাউদ্দিন ও মাতা শেফালী বেগমের ছেলে।জানাগেছে,তারেক ২০০৫ সালে ৭১ নং মধ্য সাহেবের হাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ম শ্রেনীতে পাশ করে। ২০০৮ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার চান্দখালী ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করে ২০১০ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে যার বরিশাল বোর্ড রোল নং ৮০৪২৬২,রেজিষ্ট্রেশন নং ৭৯৪৪৪০। ২০১২ সালে বেতাগী উপজেলার চান্দখালী মোশাররফ হোসেন কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে অকৃতকার্য হওয়ায় ২০১৩ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে পাশ করে। যার এইচএসসি বরিশাল বোর্ড রোল নং ৮১৫১১২,রেজিষ্ট্রেশন নং ৩৩০৫৭৩। এরপর তারেক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে বরগুনা সরকারি কলেজে বিবিএস এর ছাত্র হিসেবে পরীক্ষা দেয়। যার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় রেজি নং ১৩১০৪০৪৮৭১৬/২০১৩। ২০১৩/২০১৪ সালের   ছাত্র -ছাত্রীদের ভর্তি খাতা,হাজিরা খাতা,উপবৃত্তি বিতরণের রেজিস্ট্রার, উপবৃত্তির অনুমোদিত চাহিদার তালিকা (টপশীট), উপবৃত্তি বিতরণের তালিকা, ছাত্র -ছাত্রীদের মাঝে বিস্কুট  বিতরণের তালিকা, উপবৃত্তি সুবিধাভোগীর ব্যাংক হিসাব কার্ড  যাচাই করা হয়নি।বিগত ২৬/০৯/২০১০ খ্রিঃ তারিখে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে প্রাগম/পরি-২/উপবৃত্তি-২য়/স্টিয়ারিং কমিটি/৭০/০৯/২৩৯ নং স্মারকে জারিকৃত উপবৃত্তির অর্থ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত  পরিপত্রের ৮.৩ নং অনুচ্ছেদ,২০/০৪/২০১৬ খ্রিঃ তারিখে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় উন্নয়ন -১ অধিশাখা  বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকা থেকে ৩৮.০০.০০০০.০০৯.১৪. ০১৫.১৬-২১৬ নং স্মারকে জারিকৃত পরিপত্রের ১০.৩ নং অনুচ্ছেদ এবং ২০/০২/২০১৮ খ্রিঃ তারিখে ৩৮.০০.০০০০.০০৯. ১৪.০১৫.১৬-৩৭ নং স্মারকে জারিকৃত পরিপত্রের ৯.১৫.২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী  প্রধান শিক্ষক, স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনে সৎ, একনিষ্ঠ এবং আন্তরিক হতে হবে। কর্তব্যে অবহেলা ও উপবৃত্তির অর্থ আত্মসাতের যে কোন অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ অন্যান্য আইন মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে ।শুধু তাই নয়, বিগত ২০/০৪/২০১৬ খ্রিঃ তারিখে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় উন্নয়ন -১ অধিশাখা  বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকা থেকে ৩৮.০০.০০০০.০০৯.১৪. ০১৫.১৬-২১৬ নং স্মারকে জারিকৃত পরিপত্রের ৯.৩. ১০ নং অনুচ্ছেদের শর্তানুসারে প্রধান শিক্ষক উপবৃত্তি সুবিধাভোগী ছাত্র-ছাত্রীর তালিকা প্রনয়নের সময় সতর্ক থাকতে হবে যেন নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী ছাত্র-ছাত্রী নির্বাচিত হয় এবং ভূয়া শিক্ষার্থীর নাম তালিকা ভূক্ত হলে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত বলে বিবেচিত হবে।উপবৃত্তির অর্থ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত পরিপত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি মাস থেকে সহকারী শিক্ষক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি,হাজিরা, নিয়মিত উপস্থিতি, গড় হাজিরা যথাযথ ভাবে লিপিবদ্ধ করবেন। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ৩৩% নম্বর, ৮৫% উপস্থিতি নিশ্চিত কল্পে  যোগ্য শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা শুরু হয়। প্রধান শিক্ষক উপবৃত্তির তালিকা নির্ধারিত ছকে ( পরিশিষ্ট “ক” ও “খ”) বাাঁধাই পূর্বক ৩ সেট সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরন করবেন। প্রস্তুতকৃত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার যাচাই করবেন এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার তা অনুমোদন করবেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার তালিকা অনুমোদন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিস্বাক্ষর পূর্বক এক কপি প্রকল্প কার্যালয়ে প্রেরন করবেন। ১ কপি নিজ দপ্তরে সংরক্ষণ করবেন এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে ১ কপি সংরক্ষণ করার জন্য প্রেরন করবেন।উপজেলা শিক্ষা অফিসার,সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন ধীরেন চন্দ্র শিকদার( ২২/১২/২০১১ খ্রিঃ তারিখ   থেকে ২৩/০১/২০১৩ খ্রিঃ তারিখ  পর্যন্ত) বর্তমানে অবসরে আছেন। মোহাম্মদ মোজাম্মেল ২৪/০১/২০১৩ খ্রিঃ তারিখ  থেকে ৩১/০৮/২০১৪ খ্রিঃ তারিখ  পর্যন্ত। বর্তমানে নলছিটি, ঝালকাঠি কর্মরত রয়েছেন। নুর জাহান বেগম ( ০১/০৯/২০১৪ খ্রিঃ তারিখ থেকে থেকে ১৫/১০/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত) বর্তমানে অবসরে আছেন। মোঃ মাছুম বিল্লাহ (১৫/১০/২০১৫খ্রিঃ তারিখ থেকে ১৪/০৫/২০১৬ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত। বর্তমানে দাকোপ খুলনায় কর্মরত রয়েছেন । মোঃ আসাদুজ্জামান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ভারপ্রাপ্ত ( ১৫/০৫/২০১৬ খ্রিঃ তারিখ থেকে ০৩/০৬/২০১৭ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত। বর্তমানে রামপাল বাগেরহাট কর্মরত রয়েছেন। গুদিঘাটা ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে যারা দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন মোঃ মোজাম্মেল হক ( ১৫/০৫/২০১১ খ্রিঃ তারিখ থেকে ১৪/০১/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত বর্তমানে ঝালকাঠি সদরে কর্মরত রয়েছেন। মোঃ মনির হোসেন ( মার্চ ২০১৫ থেকে বর্তমান পর্যন্ত গুদিঘাটা ক্লাস্টারের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। উপবৃত্তির অর্থ বাস্তবায়নকারী অগ্রণী ব্যাংক বরগুনা শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে  দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন মোঃ মোখতার হোসাইন, পদবী- এজিএম (১৮/০৩/২০০৯ খ্রিঃ তারিখ থেকে ১৪/০৫/২০১৩ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত)  বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংক আঞ্চলিক কার্যালয় পটুয়াখালী কর্মরত রয়েছেন। মোঃ জুলহাস, পদবী -এজিএম ( ১৪/০৫/২০১৩ খ্রিঃ তারিখ থেকে ২৮/০১/২০১৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত)। বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংক আঞ্চলিক কার্যালয় পটুয়াখালী কর্মরত রয়েছেন। মোঃ গোলাম মোস্তফা , পদবী -এসপিও ( ২৯/০১/২০১৪ খ্রিঃ তারিখ থেকে ২০/০৩/২০১৭ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত)। অবসরপ্রাপ্ত। উপবৃত্তির অর্থ বাস্তবান করেছেন অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার আলী হোসেনসহ অনেকে। উপবৃত্তি মনিটরিং অফিসারের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন আকবর হোসেন। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজমেন্ট কমিটির পারস্পরিক সহযোগিতায় প্রস্তুতকৃত উপবৃত্তির তালিকা যাচাই-বাছাই করার দায়িত্ব ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের। সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের উপবৃত্তির তালিকা যাচাই করলে এইচএসসি পাশ শিক্ষার্থী নাম ২য় শ্রেনীতে অন্তর্ভুক্ত হয় কিভাবে ?  ব্যাংক কর্তৃক সরবরাহকৃত উপবৃত্তির হিসাব কার্ডে উপবৃত্তির সুবিধাভোগীর অভিভাবকের ছবি থাকে। তাকে নিজে উপস্থিত থেকে উপবৃত্তির টাকা গ্রহন করতে হয়। উপবৃত্তি বিতরণের তালিকায় তারেকের মাতা শেফালী বেগমের স্বাক্ষর রয়েছে। কে করেছে এই স্বাক্ষর ? । ২০১৩/২০১৪ সালে তারেক পূর্ব গুদিঘাটা নুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেনীর  ছাত্র হিসেবে  তার মাতা শেফালী বেগম উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করেছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক বলেন আমি পূর্ব গুদিঘাটা নুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম না। এছাড়া ২০১৩ সালে আমি এইচএসসি পাশ করেছি। ২য় শ্রেনীতে উপবৃত্তির নেয়ায় বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগীয় উপপরিচালক বরিশাল এস এম ফারুক সাহেবের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপবৃত্তির তালিকা যাচাই করার দায়িত্ব ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের। এ ধরনের ভুল বা অপরাধের জন্য সহকারী শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজমেন্ট কমিটি কেউ দায় এড়াতে পারেনা। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে শিউর ক্যাশের মাধ্যমে উপবৃত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে এখন আর অনিয়ম করার সুযোগ নেই। তবে,প্রমান পাওয়া গেলে অবশ্যই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এইচএসসি পাশ শিক্ষার্থীর নাম  উপবৃত্তির তালিকায় ২য় শ্রেনীতে  থাকার কোনো সুযোগ নেই। এরকম হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই। গুদিঘাটা ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনির হোসেন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০১৫  সালের মার্চ মাসে  আমি গুদিঘাটা ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছি ২০১৩ সালের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না।আরো খবর পেতে চোখ রাখুন দুর্নীতি সমাচারে। চলবে…

Comments

comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



One response to “এইচএসসি পাশ শিক্ষার্থীর নামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেনীতে উপবৃত্তি উত্তোলন পূর্বক আত্মসাৎ”

  1. Like!! I blog quite often and I genuinely thank you for your information. The article has truly peaked my interest.

Leave a Reply

Your email address will not be published.

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক ও প্রকাশক : ডাঃ আওরঙ্গজেব কামাল
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : ইজ্ঞি: মোঃ হোসেন ভূইয়া।
বার্তা সম্পাদক : জহিরুল ইসলাম লিটন
যুগ্ন-সম্পাদক : শামীম আহম্মেদ

ঢাকা অফিস : জীবন বীমা টাওয়ার,১০ দিলকুশা বানিজ্যিক (১০ তলা) এলাকা,ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ ০১৭১৬-১৮৪৪১১,০১৯৪৪২৩৮৭৩৮

E-mail:dnanewsbd@gmail.com

ওয়েবসাইট নির্মানে: আইটি হাউজ বাংলাদেশ