এক বছরের সাজা মাথায় নিয়েও ঠিকাদারী ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে লিটন

প্রকাশিত: ৩০-০৪-২০২১, সময়: ১৬:১৬ |
Share This

ষ্টাফ রিপোর্টার : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদরের বাসিন্দা মৃত হাজী আব্দুল গাফ্ফারের ছেলে প্রতারক লিটনের খুঁটির জোর কোথায় ? এক বছরের সাজা ও ৫টি মামলা মাথায় নিয়ে এখনো ঠিকাদারী কাজ চালিয়ে যাচ্ছে লিটন। জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের পৈরতলার বাসিন্দা মৃত ইদন মিয়ার ছেলে ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী মোঃ সুমন মিয়াকে এমপির পিএস বানানোর কথা বলে চেকে স্বাক্ষর করে টাকা নেয় লিটন। পরবর্তীতে সুমনকে পিএস বানাতে ব্যর্থ হলে এবং সুমন তার টাকা ফেরত চাইলে, তাও ফেরৎ দিতে অস্বীকৃতি জানায় লিটন। অবশেষে নিরুপায় হয়ে সুমন মিয়া বাদী হলে লিটনকে আসামী করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজ্ঞ জজ আদালতে মামলা নং ৫৮১/২০ দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সাক্ষী প্রমাণ গ্রহণ করে বিজ্ঞ কৌশলীদের মাধ্যমে চুল ছেড়া বিশ্লেষন ও দীর্ঘ শুনানী শেষে জেলা যগ্ন জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জেলা যুগ্ন জজ মোঃ সারোয়ার আলম ২১ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। বাদী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিজ্ঞ পিপি এডঃ ইউসুফ কবীর ফারুক। তাছাড়াও উক্ত প্রতারক লিটনের বিরুদ্ধে গোকর্ণ ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের সন্তোষ সরকার,বুড়িশ্বর ইউনিয়নের বেনীপাড়া গ্রামের সেলিম মিয়া, গুনিয়াউক ইউনিয়নের চিতনা গ্রামের রবিউল আউয়ালের পৃথক পৃথক তিনটি অর্থ আত্মসাতের মামলা ও রবিউলের স্ত্রী সুহেদা বেগমের ধর্ষনের চেষ্টা মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মোঃ সুমন মিয়া জানায়, টাকা না পেয়ে সে বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছে।এ বিষয়ে জানতে চেয়ে লিটন মিয়ার মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।লিটনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের কোন উদ্যোগ আছে কি না জানতে চেয়ে নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম আরিচুল হককে ফোন করলে, তিনি বলেন অবশ্যই তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের উদ্যোগ রয়েছে।

উপরে