দেশের দ্বিতীয় সামুদ্র বন্দর মোংলায় আমদানি বাড়লেও বাড়েনি রফতানি

বাগেরহাট প্রতিনিধি : দেশের দ্বিতীয় সামুদ্র বন্দর মোংলা দিয়ে আমদানির পরিমাণ বাড়লেও বাড়েনি রফতানি। অনুকুল পরিবেশ না থাকায় খুলনাঞ্চলের ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য বিদেশে রফতানি করছেন। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, আমদানির পাশাপাশি রফতানি বাড়াতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে রফতানিকারকদের। এক সময় মৃত প্রায় মোংলা সমুদ্র বন্দর গত এক দশকে ধীরে ধীরে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে আমদানি খাদ্যশস্য, সার, ক্লিংকার ও গাড়িসহ বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বিদেশি জাহাজ মোংলা বন্দরে ভিড়েছে ৯১২টি। যা থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে সাড়ে তিনশ’ কোটি টাকা। কিন্তু খুলনার হিমায়িত খাদ্য, পাট ও পাটজাত এবং পানসহ বেশ কিছু পণ্য বিদেশে রফতানি হলেও ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রাম বন্দরকে বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এর কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সময় মতো বন্দরে জাহাজ ও কন্টেইনার পাওয়া যায় না। আর চট্টগ্রাম বন্দরের তুলনায় ব্যয়ও বেশি। মোংলা বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। আর রফতানির জন্য অনুক’ল পরিবেশ রয়েছে বলে দাবি বন্দর কর্তৃপক্ষের। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সচিব মো. ওহিদউদ্দিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ফ্যাসিলিটি বাড়ছে, এরপর রফতানিকারকরা এসব কথা বলবে না। অলরেডি ফ্যাসিলিটি বেড়ে গেছে, ড্রেজিংয়ের সমস্যাটা নিষ্পন্ন হয়েছে। বন্দরের আমদানি-রফতানির পরিমাণ বাড়াতে মহা-পরিকল্পনা নিয়ে ১১টি প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে বলে জানান বন্দরের প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা। পরিকল্পনা কর্মকর্তা জহিরুল হক বলেন, তিনটা প্রকল্পের কাজ পাইপলাইনে আছে। তার ওপর পিপির অধীনের কন্টিনার নির্মাণের কাজ দেড় দুই বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। গত অর্থবছরে মোংলা বন্দর দিয়ে এক কোটি ১৩ লাখ টন পণ্য আমদানি হয়েছে। আর কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৫৭ হাজার ৭৩৫ টিইউজ এবং গাড়ি আমদানি হয়েছে ১২ হাজার ৬৯৫টি।

Comments

comments

সম্পাদক ও প্রকাশক : ডাঃ আওরঙ্গজেব কামাল
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : ইজ্ঞি: মোঃ হোসেন ভূইয়া।
বার্তা সম্পাদক : জহিরুল ইসলাম লিটন
যুগ্ন-সম্পাদক : শামীম আহম্মেদ

ঢাকা অফিস : জীবন বীমা টাওয়ার,১০ দিলকুশা বানিজ্যিক (১০ তলা) এলাকা,ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ ০১৭১৬-১৮৪৪১১,০১৯৪৪২৩৮৭৩৮

E-mail:dnanewsbd@gmail.com

© 2011 Allrights reserved to Daily Detectivenews