ঝিনাইদহর হুন্ডি কাজলের জমি গ্রহীতাদের বাসায় ওসির ভুড়িভোজ !

এম.এ জললি,ঝিনাইদহ প্রতনিধিি : ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার তদন্ত হিমাগারে ফেলে রেখে হুন্ডি কাজলের জমি গ্রহীতাদের বাসায় কোটচাঁদপুর থানার ওসি মাহবুবুল আলম ভুড়োভোজ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে কোটচাঁদপুরে চলছে সমালোচনার ঝড়। জালিয়াতির মাধ্যমে ভারতে পলাতক আলোচিত হুন্ডি কাজলের জমি বিক্রির খবর বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হলে অনুসন্ধানী তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয় জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে। অথচ দুই মাস আগে পাঠানো চিঠির কোন প্রতিবেদন দেন নি কোটচাঁদপুর থানার ওসি মাহবুবুল আলম। উল্টো হুন্ডি কাজলের গায়েবী উপস্থিতি দেখিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে জমি রেজিষ্ট্রির সাথে জড়িত এক গ্রহীতার বাড়িতে ভুড়িভোজ করে তদন্তের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সুত্রমতে গত ২৭ জুলাই ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের গুরুত্ব অনুধাবন করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন ওসি কোটচাঁদপুরকে। কারণ বেশ কয়েকটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী হুন্ডি কাজল ভারত থেকে গোপনে জমি রেজিষ্ট্রি করতে আসলে তার দায় অনেকটা পুলিশের উপর বর্তায়। যদিও হুন্ডি কাজল কোটচাঁদপুর এসে জমি রেজিষ্ট্রি করেনি বলে ঢাকা এআইজি মিডিয়া সেণ্টার থেকে গনমাধ্যম কর্মীদের জানানো হয়। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম দিকে হুন্ডি কাজলের প্রায় ৭ বিঘা জমি জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রি হয়। জমি গ্রহিতা এবং সাবরেজিষ্ট্রারের দেয়া তথ্য মতে হুন্ডি কাজল নিজেই রেজিষ্ট্রী অফিসে উপস্থিত হয়ে জমি রেজিষ্ট্রি করে গেছেন। অথচ রেজিষ্ট্রী অফিসের সব দলিল লেখক এটা মানতে নারাজ। কি ভাবে একজন ফেরারী আসামী পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রকাশ্যে জমি রেজিষ্ট্রি করে এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে বিভিন্ন দৈনিকে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পর গুরুত্বপুর্ন বিষয়টি নজরে আনার জন্য ঢাকা এআইজি মিডিয়া সেণ্টার থেকে সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানানো হয়। বলা হয় ফারুক আহমেদ কাজল ফেরার হয়ে প্রকাশ্যে কি ভাবে জমি রেজিষ্ট্রী করলো বা সে আদেও এসেছিলো কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে অনুসন্ধান পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দিলেও কোটচাঁদপুর থানার ওসি মাহবুবুল আলম আমলে না নিয়ে দুই মাস হিমাগারে ফেলে রেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে কোটচাঁদপুর থানার ওসি মাহবুবুল আলম ভুড়িভোজের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি তাদেরকে এখনো চিনি না। তাই খাওয়া দাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। পুলিশের বিশষ শাখার তদন্ত আসার কথা স্বীকার করে বলেন, উপজেলা নির্বাচনের পর আমি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করবো।

Comments

comments

সম্পাদক ও প্রকাশক : ডাঃ আওরঙ্গজেব কামাল
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : ইজ্ঞি: মোঃ হোসেন ভূইয়া।
বার্তা সম্পাদক : জহিরুল ইসলাম লিটন
যুগ্ন-সম্পাদক : শামীম আহম্মেদ

ঢাকা অফিস : জীবন বীমা টাওয়ার,১০ দিলকুশা বানিজ্যিক (১০ তলা) এলাকা,ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ ০১৭১৬-১৮৪৪১১,০১৯৪৪২৩৮৭৩৮

E-mail:dnanewsbd@gmail.com

© 2011 Allrights reserved to Daily Detectivenews