বশেমুরবিপ্রবি সহকারী প্রক্টর মো: তরিকুল ইসলামের পদত্যাগ

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ: শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও উদ্ভুত পরিস্থির কারণ দেখিয়ে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সহকারী প্রক্টর মো: তরিকুল ইসলাম পদত্যাগ করেছেন। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির তিন সহকারী প্রক্টর পদত্যাগ করলেন।
বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. নুর উদ্দিন আহমেদ তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। এর আগে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বুধবার রাতে পদত্যাগ করেছেন সহকারী প্রক্টর ড. মো: নাজমুল হক। রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. নুর উদ্দিন আহমেদ তার পদত্যাগপত্রও গ্রহণ করেন।
ড. নাজমুলের পদত্যাগ বিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, ওই সহকারী প্রক্টর দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ থাকায় পদত্যাগ করেছেন। তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। তারও আগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে গত ২১ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন সহকারী প্রক্টর মো: হুমায়ুন কবীর।
অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, কেলেঙ্কারিসহ ১৬টি কারণ দেখিয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের এক দফা আন্দোলন শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। সকাল ১০টার মধ্যে হল ছাড়ার নোটিশও দেওয়া হয়। পরে বহিরাগতরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন। তারপরও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। বুধবার বিকেলে আহ্বায়ক ড. মো. আলমগীরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত দল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে। এই তদন্ত দল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। তদন্ত দলের সদস্যরা বহিরাগতদের হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের লিখিত বক্তব্য সংগ্রহ করছেন। তারা শিক্ষকদের সঙ্গেও বলছেন এবং তাদের লিখিত বক্তব্য নিচ্ছেন।

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির অপসারণ দাবিতে আন্দোলন গড়ালো ৮ম দিনে


এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন শুরু করে। শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ভিসি বিরোধী নানা ¯েøাগান আকাশ-বাতাসে ধ্বনিতে হচ্ছে।
এর আগে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বুধবার রাতে পদত্যাগ করেছেন সহকারী প্রক্টর ড. মো. নাজমুল হক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. নুর উদ্দিন আহমেদ তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।
এ বিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, ওই সহকারী প্রক্টর দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ থাকায় পদত্যাগ করেছেন। তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
তারও আগে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে গত ২১ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন সহকারী প্রক্টর মো: হুমায়ুন কবীর।
অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, কেলেঙ্কারিসহ ১৬টি কারণ দেখিয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের এক দফা আন্দোলন শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। সকাল ১০টার মধ্যে হল ছাড়ার নোটিশও দেওয়া হয়। পরে বহিরাগতরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন। তারপরও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। বুধবার বিকেলে আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ আলমগীরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত দল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে। এই তদন্ত দল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। তদন্ত দলের সদস্যরা বহিরাগতদের হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের লিখিত বক্তব্য সংগ্রহ করছেন। তারা শিক্ষকদের সঙ্গেও বলছেন এবং তাদের লিখিত বক্তব্য নিচ্ছেন।
এদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার অনশন ও অবস্থান কর্মসূচির পাশাপাশি চোখে কালো কাপড় বেঁধে ভিসির অপসারণের এক দফা দাবিতে কর্মসূচি পালন করেছেন। তারা জানিয়েছেন, ইউজিসির গঠিত তদন্ত কমিটির কাছে দাবি সম্বলিত স্মারক লিপি পেশও করেন তারা।

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. মো. নাজমুল হক


এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ: পদত্যাগ করেছেন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) সহকারী প্রক্টর ড. মো. নাজমুল হক। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বুধবার রাতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, ওই শিক্ষকের শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। কয়েকদিন আগে তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। তাই তিনি চাপ সামলাতে পারছিলেন না। সে জন্য পদত্যাগ করেছেন।
এর আগে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে গত ২১ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন সহকারী প্রক্টর মো: হুমায়ুন কবীর।
অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, কেলেঙ্কারিসহ ১৬টি কারণ দেখিয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের এক দফা আন্দোলন শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। সকাল ১০টার মধ্যে হল ছাড়ার নোটিশও দেওয়া হয়। পরে বহিরাগতরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন। তারপরও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি। বুধবার বিকেলে আহ্বায়ক ড. মো. আলমগীরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত দল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে। এই তদন্ত দল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো তাদের কার্যক্রম শুরু করে। তদন্ত দলের সদস্যরা বহিরাগতদের হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের লিখিত বক্তব্য সংগ্রহ করছেন। বৃহস্পতিবারই তারা শিক্ষকদের সঙ্গে বলবেন এবং তাদের লিখিত বক্তব্য নেবেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রেস ব্রিফিং, চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ


এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রেসব্রিফিং করেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জয় বাংলা চত্বরে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র হাসান মাহমুদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ভিসির নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, নৈতিক স্খলন, ভর্তি ও নিয়োগ বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অনশন এবং অবস্থান কর্মসূচির ৮ম দিন চলছে। অথচ এ আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্যে একটি বিশেষ মহল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, আন্দোলনটিকে ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য স্যোশাল মিডিয়ায় ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে শিক্ষকদের নামে অশালীন ও বাজে মন্তব্য করে শিক্ষার্থীদের নামে দায় চাপাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তারা আরো বলেন, ইউজিসির তদন্ত কমিটি সঠিক প্রতিবেদন দিবেন বলে তারা আশা করেন। সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা জোর দিয়ে বলেন, একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছাড়া তারা আন্দোলন বন্ধ করবেন না। পরে বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে ভিসির নানা অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবাদ জানায়।
এদিকে, বশেমুরবিপ্রবি’র অচলাবস্থা ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দ্বিতীয় দিনের মতো তদন্ত কাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত কমিটি। বৃহস্পতিবার সকালে তদন্ত কমিটির সদস্যরা গত ২১ সেপ্টেম্বর বহিরাগতদের হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন, তাদের লিখিত বক্তব্য সংগ্রহ করছেন। তারা শিক্ষকদের সঙ্গেও কথা বলবেন এবং তাদের লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করবেন। এর আগে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ড. মো. আলমগীরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে।
গতকাল সহকারী প্রক্টর ড. মো. নাজমুল হক পদত্যাগ করেন। তিনি রেজিস্ট্রারের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। এর আগে, ২১ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সহকারী প্রক্টর মো. হুমায়ন কবীর। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলার প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন তিনি।

Comments

comments

সম্পাদক ও প্রকাশক : ডাঃ আওরঙ্গজেব কামাল
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : ইজ্ঞি: মোঃ হোসেন ভূইয়া।
বার্তা সম্পাদক : জহিরুল ইসলাম লিটন
যুগ্ন-সম্পাদক : শামীম আহম্মেদ

ঢাকা অফিস : জীবন বীমা টাওয়ার,১০ দিলকুশা বানিজ্যিক (১০ তলা) এলাকা,ঢাকা-১০০০
মোবাইলঃ ০১৭১৬-১৮৪৪১১,০১৯৪৪২৩৮৭৩৮

E-mail:dnanewsbd@gmail.com

© 2011 Allrights reserved to Daily Detectivenews